মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে খাগড়াছড়ি শহরের একজন নারী কেক-উদ্যোক্তা · ২০১৭ সালে শুরু

ইউটিউব দেখে কেক, ১০ দিনের প্রশিক্ষণ, ফেসবুক পেজ — আট বছরে নিজের দোকান

খাগড়াছড়ির এক মা ২০১৭ সালে ছেলের জন্য কেক বানানো শেখেন; করোনার সময় ফেসবুক পেজে বিক্রি শুরু করে ২০২০ সালের শেষে পরিচিতি পান, আর ২০২৫ সালের জুনে শহরে দোকান খোলেন।

খাগড়াছড়ি শহরের এক নারী একসময় বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন। তিন বছরের ছেলে কেক খাওয়ার বায়না ধরত; বাজার থেকে কিনে দিতে দিতে ২০১৭ সালে ইউটিউব দেখে নিজেই কেক বানানো শুরু করেন। সে বছরই স্থানীয় একটি মহিলা কল্যাণ সমিতিতে ১০ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে কেক ও নানা নাশতা বানানোর কৌশল শেখেন। শুরুতে আত্মীয় ও পরিচিতদের জন্য বানাতেন; তাঁরা ব্যবসা শুরুর উৎসাহ দিলেও তিনি তখন গুরুত্ব দেননি।

করোনা সংক্রমণ শুরুর পর সিদ্ধান্ত বদলান। ফেসবুকে একটি পেজ খুলে বিজ্ঞাপন দিয়ে অনলাইনে কেক বিক্রি শুরু করেন। প্রথমে সাড়া কম ছিল, তবে ২০২০ সালের শেষ দিকে ব্যাপক পরিচিতি পান। অনলাইনে বিক্রি বাড়ায় ২০২৫ সালের জুনে শহরের স্লুইসগেট এলাকায় দোকান খোলেন। চকলেট, রেড ভেলভেট, ব্ল্যাক ফরেস্ট, ফ্রুট কেকের পাশাপাশি চিকেন ফ্রাই, পিৎজা, মোমো, ডাবের পুডিংও বানান। বিকেল ৪টা থেকে রাত ১০টা দোকান খোলা; সব খাবার নিজেই বানান, স্বামী সাহায্য করেন।

পারিবারিক ও দাপ্তরিক অনুষ্ঠানের জন্য অনেকে আগে থেকে কেক বুকিং দেন। এক নিয়মিত ক্রেতা বলেন, তাঁর কেক-নাশতার দাম অন্য দোকানের চেয়ে কম, স্বাদও ভালো। এখন কেক বিক্রির আয়েই তাঁর সংসারের মূল খরচ চলে।

যা শেখার আছে

  1. ১.আগে পরিচিতদের জন্য বানিয়ে হাত পাকান ও প্রশংসা যাচাই করুন; তারপর অনলাইনে বিক্রি শুরু করুন।
  2. ২.অনলাইনে নিয়মিত অর্ডার এলে তবেই দোকান ভাড়া নিন — এখানে পেজ খোলার প্রায় পাঁচ বছর পর দোকান হয়েছে।
  3. ৩.অনুষ্ঠানের আগাম বুকিং আর যুক্তিসংগত দাম নিয়মিত ক্রেতা ধরে রাখে।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।