মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিদৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে খুলনার বড়বাজারের আমের আড়তদারেরা

চার দিন গাড়ি বন্ধ, আড়তে পচল ২০ হাজার মণ আম

দিনে ৯,০০০–১০,০০০ মণ আম বিক্রি হওয়া খুলনার বড়বাজারে চার দিনের কারফিউয়ে বিক্রি নেমে আসে শূন্যে; আড়তে পচে যায় প্রায় ২০,০০০ মণ আম। এক আড়তদারের হাতে ছিল ১,৫০০ মণ, আরেকজনের ৭০০ মণ।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বড় পাইকারি ফলের বাজার খুলনার বড়বাজারে সাধারণত দিনে ৯,০০০–১০,০০০ মণ আম হাতবদল হয়। চার দিনের কারফিউয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে বিক্রি একেবারে শূন্যে নেমে আসে, আর আড়তগুলোতে পড়ে থাকা প্রায় ২০,০০০ মণ আম পচতে শুরু করে। এক আড়তদারের হাতে আটকে যায় ১,৫০০ মণ, আরেকজনের ৭০০ মণ; ব্যবসায়ীরা অর্ধেক দামে ছেড়ে দিতে চাইলেও ক্রেতা মেলেনি। বাজারের ১৭০টি ফলের দোকানের মধ্যে সে সময় ৪০টি আমের কারবারে ছিল। একজনের কথায়, "এক দিন আম বিক্রি না হলেই পচন ধরে যায়।" পচনশীল পণ্যে অপেক্ষা করার সুযোগ নেই — দাম নয়, মালটাই শেষ হয়ে যায়। ব্যবসায়ীদের পুঁজি বা টাকার অঙ্কে মোট ক্ষতি প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.পচনশীল পাইকারি মালে অপেক্ষা করার জায়গা নেই — চার দিন গাড়ি না চললে দাম নয়, মালটাই শেষ হয়ে যায়
  2. ২.অর্ধেক দামেও ক্রেতা না থাকাটাই ফলের আসল ঝুঁকি — পচন শুরু হলে ছাড় দিয়েও গুদাম খালি হয় না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।