মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ফলের পাইকারি আড়ত

ট্রাকভর্তি ফল নামিয়ে ক্যারেট হিসাবে খুচরা দোকানে বিক্রি। বাদামতলীতে দিনে প্রায় ৳৪০ কোটির ফল বিক্রি হয়, আর ক্যারেট খুললে ২৫–৩৩ শতাংশ পর্যন্ত পচা বেরোয়।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ফলের পাইকারি আড়ত

ফলের পাইকারি আড়ত

শুরুর পুঁজি
৳৫,০০,০০০ – ৳৪০,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম বিক্রি
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৪ – ১৩ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

ট্রাকভর্তি ফল নামিয়ে ক্যারেট হিসাবে খুচরা দোকানদার ও ভ্যানওয়ালার কাছে বিক্রি করার আড়ত। ঢাকার সবচেয়ে বড় ফলের আড়ত পুরান ঢাকার বাদামতলী। সেখানে দিনে প্রায় ১০০ ট্রাক ফল নামে, প্রতি ট্রাকের মালের দাম ৳৩৫–৪০ লাখ, আর সব মিলিয়ে দিনে প্রায় ৳৪০ কোটি টাকার ফল বিক্রি হয়। ট্রাক ঢুকতে শুরু করে রাত একটা থেকে, বেচাকেনা চলে সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে দুপুর পর্যন্ত — তার মধ্যেই সব শেষ। মাল আসে চট্টগ্রাম বন্দর, বেনাপোল, হিলি, ভোমরা আর বুড়িমারী দিয়ে, ৩০টির বেশি দেশ থেকে; দেশি ফল আসে সাতক্ষীরা, নওগাঁ, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, টাঙ্গাইল আর পাহাড়ি জেলা থেকে। এই ব্যবসার আসল হিসাব পচন, আর সেটাই কেউ খোলাখুলি বলে না। একজন পাইকার বলেছেন, মাল্টার ক্যারেট খুলে চার-পাঁচ কেজি পচা বেরোনো তাঁদের 'প্রায়ই' হয় — মিসরীয় মাল্টার ক্যারেট ১৫ কেজির, তাই সেটা ২৭ থেকে ৩৩ শতাংশ। গবেষণাতেও আম ৩০–৩৫ শতাংশ আর কলা-পেঁপে-পেয়ারা-লিচু ২৫–৩০ শতাংশ নষ্ট হয় বলে এসেছে। আর একটা নিয়ম জেনে রাখা দরকার: সরকারি নিয়ম অনুযায়ী খুচরা বিক্রেতা পাইকারি দামের সঙ্গে ১৫ শতাংশ লাভ যোগ করতে পারেন, আর কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নির্ধারিত হারের বেশি মুনাফা নিলে বা লাইসেন্স ছাড়া কারবার করলে ১ বছর জেল বা ৳১ লাখ জরিমানা হতে পারে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩,০০,০০০ – ৳৩০,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳২২০ – ৳৪০০ / কেজিবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২০০ – ৳৩৪০ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৯.১% – ১৫%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৪ – ১৩ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৩ – ২০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার২৫% – ৩৩%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০০বাজারদর

শুরু করতে যা লাগবে

  • দাঁড়িপাল্লা, ক্যারেট ও ঝুড়ি, মাল টানার ঠেলা, আর পচা-ভালো আলাদা করার বাছাইয়ের জায়গা। ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা থাকলে ক্ষতি কমে, তবে বেশির ভাগ আড়তে তা নেই।যন্ত্রপাতি
  • ট্রাকভর্তি ফল। বাদামতলীতে এক ট্রাকের মালের দাম ৳৩৫–৪০ লাখ। কমিশনে কাজ করলে মালের মালিক আমদানিকারক, তখন এই টাকা আপনার লাগে না — কিন্তু লাভও কমিশন পর্যন্তই।শুরুর মাল
  • কৃষি বিপণন লাইসেন্স — কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ এর ৫ ধারা: প্রজ্ঞাপিত বাজারে লাইসেন্স ছাড়া বাজারকারবারি হিসাবে কাজ করা যাবে না। ৬ ধারা: লাইসেন্স ছাড়া গুদাম বা হিমাগার পরিচালনা করা যাবে না। ৯ ধারা: লাইসেন্স হস্তান্তর নিষিদ্ধ। মেয়াদ, নবায়ন ও ফি বিধি দ্বারা নির্ধারিত (৮ ধারা); ফির অঙ্ক এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। সাধারণত ৩–৫ কর্মদিবসে হয়।লাইসেন্স
  • ক্যারেট খুলে চোখে দেখে কত শতাংশ পচা তা আন্দাজ করা, আর কোন মাল কত দিনে বিক্রি করতে হবে তা বোঝা। যে আড়তদার পচার হিসাব রাখেন না, তিনি বছরের শেষে বুঝতে পারেন না টাকাটা কোথায় গেল।দক্ষতা
  • ফল আমদানিকারক ও তাদের প্রতিনিধি; চট্টগ্রাম বন্দর, বেনাপোল, হিলি, ভোমরা ও বুড়িমারীর পরিবহন; আর মৌসুমে সাতক্ষীরা, নওগাঁ, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও পাহাড়ি জেলার চাষি-ফড়িয়া।সরবরাহকারী
  • বাজারের ভেতরে ট্রাক ঢোকার পথসহ জায়গা, মাল নামানোর খোলা অংশ আর ক্যারেট রাখার ছায়াযুক্ত ঘর। বাদামতলীতে ট্রাক নামে রাত একটা থেকে আর বিক্রি চলে সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে দুপুর পর্যন্ত।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1আগে ঠিক করুন আপনি কোন ধরনের আড়তদার হবেন — নিজে মাল কিনে বেচবেন, নাকি আমদানিকারকের মাল কমিশনে বিক্রি করে দেবেন। দুটোর পুঁজি আর ঝুঁকি সম্পূর্ণ আলাদা।
  2. 2বাজারের ভেতরে জায়গা নিন। ট্রাক ঢোকা-বের হওয়ার পথ, মাল নামানোর জায়গা আর ক্যারেট রাখার ছায়া — এই তিনটা ছাড়া ফলের আড়ত চলে না।
  3. 3কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নিন। কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ এর ৫ ধারা অনুযায়ী প্রজ্ঞাপিত বাজারে লাইসেন্স ছাড়া বাজারকারবারি হিসাবে কাজ করা যায় না, আর ৬ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া গুদামও চালানো যায় না।
  4. 4সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং এনবিআর থেকে টিআইএন করুন।
  5. 5সরবরাহকারী ঠিক করুন। আমদানি ফল আসে চট্টগ্রাম বন্দর, বেনাপোল, হিলি, ভোমরা ও বুড়িমারী দিয়ে; দেশি ফল আসে সাতক্ষীরা, নওগাঁ, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, টাঙ্গাইল ও পাহাড়ি জেলা থেকে।
  6. 6মাল নামানোর কুলি ঠিক করুন এবং হার আগেই বলে নিন। বাদামতলীতে ক্যারেটপ্রতি ৳৩০ হারে কুলি নেওয়া হয়, আর ভালো দিনে একজন কুলির আয় ৳৬০০–৭০০।
  7. 7ট্রাক আসার সময়ের সঙ্গে নিজের দিনটা মিলিয়ে নিন। বাদামতলীতে ট্রাক ঢোকে রাত একটা থেকে আর বেচাকেনা চলে সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে দুপুর পর্যন্ত। দেরিতে নামলে সেদিনের মাল সেদিন বিক্রি হয় না।
  8. 8প্রতিটি ক্যারেট খুলে দেখে তারপর দাম বলুন, আর পচার পরিমাণ খাতায় লিখে রাখুন। এক ক্যারেটে চার-পাঁচ কেজি পচা বেরোনো এখানে অস্বাভাবিক নয় — এই হিসাব না রাখলে লাভ-লোকসান বোঝাই যাবে না।
  9. 9পচা ও নরম ফল আলাদা করে সস্তায় ছেড়ে দিন — জুসের দোকান, ভ্যানওয়ালা বা আচার তৈরির লোকের কাছে। ফেলে দেওয়ার চেয়ে কম দামে বিক্রি করাই কম ক্ষতি।
  10. 10খুচরা দোকানদারকে বাকি দিলে পরিমাণ ও দিন লিখে রাখুন। প্রতিদিন নতুন ট্রাকের টাকা দিতে হয়, তাই বাকির টাকা আটকে গেলে পরের ট্রাক নামানো যায় না।
  11. 11আমদানি শুল্কের খবর রাখুন। ৯ জানুয়ারি ২০২৫-এ তাজা ফলের সম্পূরক শুল্ক ২০ থেকে ৩০ শতাংশ করা হয়েছিল আর শুকনা ফলের ৩০ থেকে ৪৫ শতাংশ; তার পরেই পাইকারি আমদানি ২০–২৫ শতাংশ কমে যায়। এই হার পরে বদলেছে কি না যাচাই করে নিন।
  12. 12মুনাফার সীমা মেনে চলুন। সরকারি নিয়মে খুচরা বিক্রেতা পাইকারি দামের সঙ্গে ১৫ শতাংশ লাভ যোগ করতে পারেন, আর কৃষি বিপণন আইনে নির্ধারিত হারের বেশি মুনাফা নেওয়া বা কৃত্রিম সংকট তৈরি করা অপরাধ।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইবেশি
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচাঁপাইনবাবগঞ্জ · আমের প্রধান জেলা, আর সোনামসজিদ স্থলবন্দরও এখানে — দেশি ও আমদানি দুই দিকেই সুবিধা।
  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই আমদানি ফল দেশে ঢোকে, তাই এখানকার আড়ত সরবরাহের সবচেয়ে কাছে।
  • খুব উপযোগীঢাকা · পুরান ঢাকার বাদামতলী দেশের সবচেয়ে বড় ফলের আড়ত — দিনে প্রায় ১০০ ট্রাক আর প্রায় ৳৪০ কোটি টাকার বেচাকেনা।
  • খুব উপযোগীযশোর · বেনাপোল স্থলবন্দর এখানে; ভারত থেকে আসা ফল প্রথমে এই বাজারেই নামে।
  • খুব উপযোগীনওগাঁ · আমের বড় এলাকা; মৌসুমে এখান থেকেই ঢাকার আড়তে মাল যায়।
  • সম্ভবদিনাজপুর · হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ফল ঢোকে, আর উত্তরবঙ্গে বিলি করার জন্য জায়গাটা সুবিধাজনক।
  • সম্ভবঝালকাঠি · পেয়ারা ও আমড়ার এলাকা; ভাসমান বাজার থেকে সরাসরি মাল তোলা যায়।
  • সম্ভবলালমনিরহাট · বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ফল আসে; ভুটান ও ভারতের মাল এখান দিয়ে ঢোকে।
  • সম্ভবপিরোজপুর · পেয়ারার বড় এলাকা, মৌসুমে সরবরাহ প্রচুর আর কেনা সস্তা।
  • সম্ভবরাঙ্গামাটি · পাহাড়ি জেলার আনারস, কলা ও কাঁঠাল মৌসুমে ঢাকার আড়তে যায়।
  • সম্ভবসাতক্ষীরা · ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি হয়, আবার এখান থেকে দেশি ফলও ঢাকায় যায়।
  • সম্ভবটাঙ্গাইল · দেশি ফলের সরবরাহ এলাকা আর ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কে যোগাযোগ সহজ।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনষ্ট হওয়া: পচনই এখানে লাভ খেয়ে ফেলে, আর এটা বিরল ঘটনা নয় — রোজকার। বাদামতলীর একজন পাইকার বলেছেন, মাল্টার ক্যারেট খুলে চার-পাঁচ কেজি পচা বেরোনো তাঁদের 'প্রায়ই' হয়; ১৫ কেজির ক্যারেটে সেটা ২৭–৩৩ শতাংশ। গবেষণায় আমে ৩০–৩৫ শতাংশ আর কলা-পেঁপে-পেয়ারা-লিচুতে ২৫–৩০ শতাংশ ক্ষতি ধরা হয়েছে। অর্থাৎ ১০০ কেজি কিনলে ২৫–৩৩ কেজির দাম ধরেই হিসাব শুরু করতে হবে, নইলে কাগজের লাভ বাস্তবে লোকসান হয়ে দাঁড়াবে।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: আমদানি শুল্ক বদলালে পুরো ব্যবসার হিসাব বদলে যায়। ৯ জানুয়ারি ২০২৫-এ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড তাজা ফলের সম্পূরক শুল্ক ২০ থেকে ৩০ শতাংশ আর শুকনা ফলের ৩০ থেকে ৪৫ শতাংশ করে; এর পরপরই পাইকারি পর্যায়ে আমদানি ২০–২৫ শতাংশ কমে যায়, আর জুলাই-নভেম্বরে ফল আমদানি আগের বছরের চেয়ে ৮.৫ শতাংশ কমে ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলারে নামে। মাল না এলে আড়ত খালি থাকে, আর খালি আড়তের খরচ থামে না। (এই তথ্য এক বছরের বেশি পুরোনো, হার বদলে থাকতে পারে।)
  • বেশিচলতি মূলধন: মাল প্রতিদিন নতুন করে আসে আর তার দাম দিতে হয়। বাদামতলীতে এক ট্রাকের মালের দাম ৳৩৫–৪০ লাখ। খুচরা দোকানদারকে বাকি দিলে সেই টাকা ফিরতে দেরি হয়, অথচ পরের ট্রাকের টাকা আজই লাগে। একদিন বিক্রি খারাপ হলে পরের দিনের মাল নামানো আটকে যায়, আর মাল না থাকলে দোকানদার অন্য আড়তে চলে যান।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ এর ১৯ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া কারবার করা, পাইকারি ও খুচরা দাম প্রকাশ্যে না লেখা, ক্রয় রশিদ দোকানে না রাখা, কৃত্রিম সংকট তৈরি করা বা সরকার-নির্ধারিত হারের বেশি মুনাফা নেওয়া — সবই অপরাধ, শাস্তি ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৳১ লাখ পর্যন্ত জরিমানা বা দুটোই, দ্বিতীয়বারে দ্বিগুণ। রোজার আগে ও দাম বাড়ার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান বাড়ে।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: খুচরা দোকানদার ও ভ্যানওয়ালারা বাকিতে মাল নেন এবং বিক্রির পর টাকা দেন। মাল পচে গেলে বা বিক্রি না হলে তাঁরাও দিতে পারেন না, আর ক্ষতিটা শেষ পর্যন্ত আড়তদারের ঘাড়েই আসে। ছোট দোকানদারের কাছে লিখিত কিছু থাকে না, তাই আদায়ের পথও নেই।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিদৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে খুলনার বড়বাজারের আমের আড়তদারেরা

চার দিন গাড়ি বন্ধ, আড়তে পচল ২০ হাজার মণ আম

দিনে ৯,০০০–১০,০০০ মণ আম বিক্রি হওয়া খুলনার বড়বাজারে চার দিনের কারফিউয়ে বিক্রি নেমে আসে শূন্যে; আড়তে পচে যায় প্রায় ২০,০০০ মণ আম। এক আড়তদারের হাতে ছিল ১,৫০০ মণ, আরেকজনের ৭০০ মণ।

কারণ
নষ্ট হওয়া, অন্যান্য

একই রকম আরও ব্যবসা

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

ওষুধের পাইকারি ব্যবসা

ফার্মেসিতে ওষুধ সরবরাহের পাইকারি ব্যবসা। ডিজিডিএ-র আলাদা লাইসেন্স লাগে — নতুন ৳১০,০০০, নবায়ন ৳৫,০০০, মেয়াদ দুই বছর; তবে ফার্মাসিস্ট রাখতে হয় না।

পুঁজি
৳৫ লাখ – ৳৫০ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৪২ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

মডেল ফার্মেসি

ঔষধ প্রশাসনের স্বীকৃত ফার্মেসি। ৩০০ বর্গফুট, শীতাতপ, ঔষধের ফ্রিজ আর একজন এ-গ্রেড ফার্মাসিস্ট বাধ্যতামূলক; ড্রাগ লাইসেন্সের মেয়াদ ২ বছর।

পুঁজি
৳৫ লাখ – ৳২৫ লাখ
জনবল
২ – ৫ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

কৃষি যন্ত্রপাতির দোকান

পাওয়ার টিলার, শ্যালো ইঞ্জিন ও স্প্রে মেশিনের যন্ত্রাংশের দোকান। ২০২৪ সালের জুন থেকে ভর্তুকি বন্ধ থাকায় মেশিন বিক্রি ৮০–৯০% কমেছে, কিন্তু মাঠের যন্ত্র চলছে — তাই আয় আসে যন্ত্রাংশ থেকে।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৭৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকান

তার, সুইচ, সকেট, হোল্ডার, বাতি ও ফ্যানের খুচরা দোকান। বিএসটিআইয়ের ৩১৫টি বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকায় ৫০টিই বৈদ্যুতিক — সনদহীন তার বেচলে জরিমানা আর দোকান সিলগালা হয়।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান