মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে খুলনার একজন ফ্রিল্যান্সার · ২০২০ সালে শুরু

৫ ডলারের প্রথম কাজে ব্যর্থ, এখন মাসে হাজার ডলার

২০২০ সালে ক্ষুদ্রঋণের ৩০,০০০ টাকায় কম্পিউটার; ফাইভারে প্রথম ৫ ডলারের কাজটিই শেষ করতে পারেননি। এখন মাসে আয় প্রায় ১,০০০ ডলার, বাবার ৩ লাখ টাকার ঋণও শোধ করেছেন।

খুলনার দৌলতপুর এলাকার ২৫ বছর বয়সী এই তরুণ প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি যে অনলাইনে সত্যিই আয় হয়। ২০২০ সালে ক্ষুদ্রঋণ থেকে ৩০,০০০ টাকা নিয়ে তিনি একটি কম্পিউটার কেনেন। ফাইভারে তাঁর একেবারে প্রথম কাজটি ছিল ৫ ডলারের, আর সেটি তিনি শেষই করতে পারেননি। তবু কাজ ছাড়েননি; ধীরে ধীরে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের নিয়মিত কাজ আসতে থাকে, আর প্রতিবেদনে তাঁর আয় ধরা হয়েছে মাসে প্রায় ১,০০০ ডলার। কম্পিউটারের ঋণ তো বটেই, বাবার ৩ লাখ টাকার ঋণও তিনি শোধ করে দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, "ফ্রিল্যান্সিংয়ে আয় করার পাশাপাশি নিজের যে একটা স্বাধীনতা রয়েছে, এটি অন্য কোনো চাকরিতে নেই।"

যা শেখার আছে

  1. ১.প্রথম ছোট কাজটি ভেস্তে গেলেও সব শেষ নয়, তবে এটা বুঝিয়ে দেয় — ক্রেতার টাকা নেওয়ার আগে কাজটা সত্যিই শিখে নিতে হবে
  2. ২.পুরো পুঁজি ছিল যন্ত্রের জন্য নেওয়া ৩০,০০০ টাকার ঋণ — ঝুঁকিটা ছিল কিস্তি শোধ করা, দোকান বা মজুত নয়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।