১৫ হাজার টাকায় শিশু পোশাক বানানো শুরু, ৩০ হাজার ধারে শোরুম; এখন কোটিপতি
চট্টগ্রামের এক গৃহবধূ ১৫ হাজার টাকা পুঁজিতে শিশুদের পোশাক ও পাঞ্জাবি বানিয়ে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ শুরু করেন। আত্মীয়ের ধারের ৩০ হাজার টাকায় শোরুম দিয়ে এখন তিনি বুটিক ও বিউটি পার্লারের মালিক।
বাসসের এক প্রতিবেদনে নারী উদ্যোক্তাদের সাফল্যের উদাহরণ হিসেবে চট্টগ্রাম নগরীর এক গৃহবধূর কথা এসেছে। তাঁর ব্যবসা শুরুর পুঁজি ছিল মাত্র ১৫ হাজার টাকা। এই টাকায় তিনি শিশুদের পোশাক ও পাঞ্জাবি বানিয়ে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করতেন। তাঁর আগ্রহ দেখে এক আত্মীয় এগিয়ে আসেন। সেই আত্মীয়ের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ধার নিয়ে তিনি চট্টগ্রামের চকভিউ মার্কেটে নিজের পণ্যের একটি শোরুম দেন। এরপর ধীরে ধীরে সাফল্য আসতে থাকে। এখন তিনি একটি বুটিক হাউস ও একটি বিউটি পার্লারের স্বত্বাধিকারী। প্রতিবেদনের ভাষায়, ১৫ হাজার টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করে আজ তিনি সফল উদ্যোক্তা ও কোটিপতি। তাঁর সংগ্রামের গল্প নবম-দশম শ্রেণির ব্যবসায় উদ্যোগ বইয়ের একটি অধ্যায়ে স্থান পেয়েছে, যাতে ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থীরা অনুপ্রাণিত হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকগুলোকে প্রতি শাখায় তিনজন নতুন নারী উদ্যোক্তাকে ঋণ দিতে বলা হয়েছে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানত ছাড়া ঋণের সুযোগ আছে। এই গল্প দেখায়, ছোট পুঁজিতে ঘরে বসে পোশাক বানিয়ে শুরু করে পরে নিজস্ব শোরুমে যাওয়া সম্ভব।
যা শেখার আছে
- ১.খুব ছোট পুঁজিতে নিজে বানানো শিশু পোশাক দিয়ে শুরু করা যায়, তাতে দোকানের ভাড়া ও মজুতের চাপ কম থাকে।
- ২.স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করে চাহিদা বুঝে নিয়ে তারপর শোরুমে যাওয়া নিরাপদ পথ।
- ৩.ধারের টাকা শোরুমের মতো নির্দিষ্ট কাজে লাগান এবং ব্যাংকের নারী উদ্যোক্তা ঋণের সুযোগের খোঁজ রাখুন।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
