মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে খুলনার কয়রার একজন মিষ্টির দোকানি

ঘূর্ণিঝড় আর নদীভাঙনের পর ৬০ হাজার টাকার ঋণে আবার মিষ্টির দোকান

২০২০ সালের ২০ মে আম্পানে দোকান ও ঘর ভাঙে, পরে কপোতাক্ষের ভাঙনে ভিটেমাটিও যায়। গত বছর ৬০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে ছোট মিষ্টির দোকান আবার চালু, মাসে কিস্তি ৩,০০০ টাকা।

খুলনার কয়রার কাশির হাটখোলায় স্বামীকে নিয়ে মিষ্টির দোকান চালাতেন এই নারী। ২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ঘরের চাল উড়ে যায় আর দোকান ভেঙে পড়ে; এরপর কপোতাক্ষ নদের ভাঙনে দোকান আর ভিটেমাটি দুটোই নদীতে চলে যায়। সব হারিয়ে স্বামী ভ্যান চালানো আর দিনমজুরিতে নামেন। গত বছর একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে ৬০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে তিনি ছোট করে আবার দোকান দিয়েছেন — রসগোল্লা, চমচম, কালোজাম আর গজার পাশাপাশি পেঁয়াজু আর সিঙ্গাড়া। ঋণের বিপরীতে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা কিস্তি দিতে হয়, অর্থাৎ লাভের আগেই ওই টাকাটা বেরিয়ে যায়। আয়ের কোনো অঙ্ক প্রতিবেদনে নেই; তাঁর নিজের কথায়, "এই তো ব্যবসা চলতিছে কোনো রকমে।"

যা শেখার আছে

  1. ১.উপকূলের খাবারের দোকানের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি বাজার নয়, আবহাওয়া আর নদী
  2. ২.৬০ হাজার টাকার ঋণে দোকান দাঁড় করানো মানে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা কিস্তি লাভের আগেই বেরিয়ে যাওয়া

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।