মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

মিষ্টির দোকান

দুধ থেকে ছানা কেটে মিষ্টি বানিয়ে বিক্রি। মিষ্টি ৳৩৮০–৬০০ কেজি, দই ৳২১০–৩০০ লিটার, কিন্তু দুধ ৳১২০–১৪০ লিটার — লাভ পুরোটাই দুধের দরের উপর।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
মিষ্টির দোকান — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

মিষ্টির দোকান — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳৯,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম বিক্রি
১৪ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৪ – ৮ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

দুধ জ্বাল দিয়ে ছানা কেটে, চিনির রসে ফেলে মিষ্টি বানানো আর দোকানে বসে বিক্রি করা। এই ব্যবসার পুরো হিসাবটাই দুধের দামে আটকানো — দুধ যেদিন বাড়ে, সেদিন মিষ্টির লাভ কমে যায়, কিন্তু দাম বাড়ালে খদ্দের কমে। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মিল্কভিটার নিজস্ব অনলাইন দোকানে তরল দুধ ছিল ৳১২০–১৪০ লিটার, আর তাদের রসগোল্লা ৳৩৮০ কেজি, কাঁচা ছানার সন্দেশ ৳৫৮০ কেজি, প্যারা সন্দেশ ৳৬০০ কেজি, মিষ্টি দই ৳৩০০ লিটার আর টক দই ৳২১০ লিটার। চিনি ৳১১০–১১৫ কেজি, আর এক সিলিন্ডার এলপি গ্যাস ৳১,৫৮৫। ছানা ভালো হয় সেই দুধে যাতে জল মেশানো নেই — তাই দোকানের আসল সম্পদ হলো বিশ্বস্ত গোয়ালা, মিষ্টির কারিগর নয়। নিয়মও এখন কড়া। মিষ্টির দোকান খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের নিবন্ধনের আওতায় — নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, তিন বছর মেয়াদ। আর মোড়কে ভরে বিক্রি করলে বিএসটিআই-এর হিসাব আলাদা: সুইটমিট ও ছানা দুটোই বাধ্যতামূলক মান সনদের তালিকায়, নমুনা পরীক্ষার ফি যথাক্রমে ৳৫,২০০ আর ৳৪,০০০, দইয়ের ৳২,২০০। মিষ্টি একদিন-দুদিনের জিনিস, ফ্রিজ না থাকলে যা বিক্রি হলো না তা নষ্ট। তাই দোকান চলে দুইটা হিসাবে — সকালে কত দুধ নেব, আর সন্ধ্যায় কত পড়ে থাকল।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,০০,০০০ – ৳৫,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩৮০ – ৳৬০০ / কেজিবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২৮০ – ৳৪৬০ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার২৩% – ২৬%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৪ – ৪৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৪ – ৮ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ১০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা২০ – ১৫০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • চুলা ও এলপি গ্যাস (১২ কেজি সিলিন্ডার ৳১,৫৮৫), বড় কড়াই, ছানা ছাঁকার কাপড়, মার্বেলের পাটাতন, ল্যাকটোমিটার, কাচের শোকেস ও ফ্রিজ।যন্ত্রপাতি
  • তরল দুধ — সবচেয়ে বড় খরচ। মিল্কভিটার খুচরা দর ৳১২০–১৪০ লিটার (১৬-০৯-২০২৬); গোয়ালার কাছ থেকে সরাসরি কিনলে এর চেয়ে কম পড়ার কথা, কিন্তু সেই দর এখানে যাচাই করা যায়নি। চিনি ৳১১০–১১৫ কেজি, গুঁড়া দুধ ৳৬২০–৯৬০ কেজি।শুরুর মাল
  • ফায়ার লাইসেন্স — ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। খোলা চুলা ও গ্যাস সিলিন্ডার থাকায় এটি বাদ দেওয়া যায় না।লাইসেন্স
  • বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স — শুধু তখনই লাগে যখন মিষ্টি বা দই মোড়কে ভরে ব্র্যান্ড নামে বিক্রি হয়। বাধ্যতামূলক তালিকায় সুইটমিটস (BDS 1811:2008) ও ছানা (BDS 1180:2016)। নমুনা পরীক্ষার ফি সুইটমিট ৳৫,২০০, ছানা ৳৪,০০০, ফার্মেন্টেড মিল্ক/দই ৳২,২০০।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে দেয়।লাইসেন্স
  • খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — খাদ্য নিরাপত্তা (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী মিষ্টির দোকান বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধনের আওতায়। নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ ৩ বছর।লাইসেন্স
  • কারিগরের হাত — ছানা কতক্ষণ জ্বাল দিতে হবে, রসের ঘনত্ব কত হবে, মিষ্টি কতক্ষণ রসে থাকবে। এটা শেখা যায় শুধু অন্য দোকানে কাজ করে।দক্ষতা
  • তিন-চারজন গোয়ালা বা একটা দুগ্ধ সমবায় সমিতি, যাতে একজন সরে গেলেও সকালের দুধ বন্ধ না হয়।সরবরাহকারী

কাজের ধাপ

  1. 1দোকান বসানোর জায়গা ঠিক করুন — বাজারের মোড়, বাসস্ট্যান্ড বা বড় রাস্তার পাশে, যেখানে মানুষ হেঁটে যেতে যেতে কেনে।
  2. 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং তাতে মিষ্টি তৈরি ও বিক্রির কথা লেখান।
  3. 3খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষে নিবন্ধন করুন — মিষ্টির দোকান এই নিয়মের আওতায়। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। রান্নাঘর সরেজমিনে দেখা হয়।
  4. 4ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স থেকে ফায়ার লাইসেন্স নিন, আর এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করান।
  5. 5দুধের জোগান ঠিক করুন — এক-দুজন নয়, অন্তত তিন-চারজন গোয়ালা বা একটা সমবায় সমিতি ধরুন। এক জায়গার উপর নির্ভর করলে সেই লোক দাম বাড়ালে বা জল মেশালে কিছু করার থাকে না।
  6. 6দুধ মাপার ল্যাকটোমিটার কিনুন আর প্রতিদিন প্রতি চালান মেপে নিন। জল মেশানো দুধে ছানা কম হয় — ক্ষতিটা দিনে বোঝা যায় না, মাস শেষে বোঝা যায়।
  7. 7চুলা, বড় কড়াই, ছানা ছাঁকার কাপড়, মার্বেলের পাটাতন, শোকেস আর ফ্রিজ বসান। এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার এখন ৳১,৫৮৫ — মাসে কয়টা লাগে তা লিখে রাখুন।
  8. 8একজন ভালো কারিগর ঠিক করুন। মিষ্টির স্বাদ একজন লোকের হাতে থাকে, আর সে চলে গেলে খদ্দেরও চলে যায় — তাই শুরু থেকেই দ্বিতীয় একজনকে শেখাতে দিন।
  9. 9প্রতিদিন কোন মিষ্টি কত বিক্রি হলো আর কত পড়ে থাকল, খাতায় লিখুন। সেই হিসাব ধরে পরদিনের দুধের পরিমাণ ঠিক করুন।
  10. 10দই আলাদা লাইন হিসেবে চালু করুন — দই মিষ্টির চেয়ে বেশি দিন থাকে, আর টক দই ও মিষ্টি দইয়ের খদ্দের আলাদা।
  11. 11বিয়ে, আকিকা ও অফিসের অর্ডার ধরুন, কিন্তু অগ্রিম নিন। বড় অর্ডারে বাকি পড়লে পরের সপ্তাহের দুধের টাকাই আটকে যায়।
  12. 12মোড়কে ভরে বাইরে পাঠানোর আগে বিএসটিআই-এর নিয়ম দেখে নিন — সুইটমিট ও ছানা বাধ্যতামূলক মান সনদের তালিকায়, আর মোড়কজাত পণ্যের আলাদা নিবন্ধন সনদ লাগে।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবগুড়া · বগুড়ার দই দেশজুড়ে পরিচিত নাম — এখানে দোকান খুললে নামটাই বিক্রির অর্ধেক কাজ করে, তবে প্রতিযোগিতাও সবচেয়ে কড়া।
  • খুব উপযোগীকুমিল্লা · কুমিল্লার রসমালাই পরিচিত পণ্য, আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রীরা বড় ক্রেতা।
  • খুব উপযোগীঢাকা · ঘন বসতি, সারা বছর অনুষ্ঠান আর অফিসের অর্ডার; মিল্কভিটাসহ ব্র্যান্ডের দোকান এখানেই সবচেয়ে বেশি, তাই দাম তুলনা করা সহজ।
  • খুব উপযোগীনাটোর · নাটোরের কাঁচাগোল্লার নাম আছে, আর আশপাশে দুধের জোগান ভালো।
  • খুব উপযোগীটাঙ্গাইল · পোড়াবাড়ির চমচম এই জেলার পরিচয়; মহাসড়ক ধরে যাওয়া যাত্রীরা নিয়ম করে কিনে নিয়ে যান।
  • সম্ভবচট্টগ্রাম · বড় শহর, অনুষ্ঠানের অর্ডার বেশি; তবে দুধ বাইরে থেকে আনতে হয় বলে খরচ বেশি।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · দুধ পাওয়া যায়, বিশ্ববিদ্যালয় ও অফিসপাড়ার নিয়মিত অর্ডার আছে।
  • সম্ভবনেত্রকোণা · নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টির নাম আছে, কিন্তু বাজার ছোট আর বাইরে পাঠানো কঠিন।
  • সম্ভবপাবনা · দুধের এলাকা, তবে স্থানীয় ক্রয়ক্ষমতা ঢাকার তুলনায় কম।
  • সম্ভবসিরাজগঞ্জ · দুগ্ধ সমবায়ের এলাকা, কাঁচা দুধ তুলনামূলক সস্তা ও নিয়মিত পাওয়া যায়।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনষ্ট হওয়া: মিষ্টি একদিন-দুদিনের জিনিস, দই তিন-চার দিনের। ফ্রিজ না থাকলে বা বিদ্যুৎ গেলে যা পড়ে থাকে তা পুরোটাই ক্ষতি, আর ক্ষতিটা হিসাব হয় দুধের দামে — ৳১২০–১৪০ লিটার দরে। গরমকালে নষ্ট হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি, আর তখনই বিক্রিও কম।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: দুধ ছাড়া দোকান চলে না, আর দুধের দাম ও মান দুটোই গোয়ালার হাতে। জল মেশানো দুধ এলে একই টাকায় ছানা কম হয় — ক্ষতিটা চোখে পড়ে না কিন্তু মাস শেষে হিসাব মেলে না। ল্যাকটোমিটার না থাকলে ধরাই যাবে না।
  • বেশিচাহিদা: বিক্রি উৎসব আর বিয়ের মৌসুমে হঠাৎ কয়েকগুণ বেড়ে যায়, আবার গরমের মাঝামাঝি নেমে যায়। ঈদ-পূজা-বিয়ের সময়ের জন্য বেশি দুধ আর বেশি কারিগর লাগে, কিন্তু সেই খরচ সারা বছরের নয়। যে দোকান শুধু উৎসবের বিক্রি ধরে পরিকল্পনা করে, সে খালি মাসগুলোতে ভাড়া দিতে পারে না।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের নিবন্ধনে রান্নাঘর সরেজমিনে দেখা হয়, আর ভ্রাম্যমাণ আদালত মিষ্টির দোকানে নিয়মিত যায় — রং, পুরনো মাল আর নোংরা রান্নাঘরই সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে। মোড়কে ভরে বিক্রি করলে বিএসটিআই-এর মান সনদ আর মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ দুটোই লাগে; সনদ ছাড়া মোড়কজাত বিক্রির শাস্তি ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও ৫ বছর পর্যন্ত জেল।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: দুধের টাকা প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে দিতে হয়, কিন্তু বিয়ে ও অফিসের বড় অর্ডারের টাকা আসে অনুষ্ঠানের পরে। অগ্রিম না নিলে একটা বড় অর্ডারই পরের সপ্তাহের দুধ কেনা আটকে দিতে পারে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে খুলনার কয়রার একজন মিষ্টির দোকানি

ঘূর্ণিঝড় আর নদীভাঙনের পর ৬০ হাজার টাকার ঋণে আবার মিষ্টির দোকান

২০২০ সালের ২০ মে আম্পানে দোকান ও ঘর ভাঙে, পরে কপোতাক্ষের ভাঙনে ভিটেমাটিও যায়। গত বছর ৬০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে ছোট মিষ্টির দোকান আবার চালু, মাসে কিস্তি ৩,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳৬০ হাজার
কারণ
অন্যান্য, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

শুকনো আম উৎপাদন

মৌসুমে কেজি ১৫–৪০ টাকার কাঁচা আম কেটে শুকিয়ে সারা বছর বিক্রি। ৮–১০ কেজি কাঁচা আম থেকে ১ কেজি শুকনো আম হয়।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৪ লাখ
জনবল
২ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৬০ দিন
বাজারদর
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

মধু প্রক্রিয়াজাত ও বোতলজাত

মৌচাষির কাঁচা মধু কিনে ছেঁকে বোতলে নিজের নামে বিক্রি। বোতলজাত মধু ৳৮০০–২,১০০ কেজি, তবে বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স বাধ্যতামূলক আর নমুনা পরীক্ষার ফি ৳৭,৫০০।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
২ – ৬ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ১৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ক্যাটারিং

অনুষ্ঠানে তিনশো-পাঁচশো মানুষের রান্না করে সরবরাহ। বায়নার টাকা আগে আসে, তবে ক্যাটারিং সেবায় মূসক ১৫ শতাংশ — রেস্টুরেন্টের ৫ শতাংশ নয়।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
৫ – ২৫ জন
প্রথম আয়
১৪ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

চানাচুর ও নাস্তা তৈরি

দোকানে মাল যায় বাকিতে, টাকা আসে ১৫–৩০ দিন পর — তাই মেশিন নয়, হাতের টাকাই সীমা। ব্র্যান্ডের চানাচুর কেজি ৳৩০০–৩৩৩, ছোট ব্র্যান্ডকে নামতে হয় ৳২০০–২৫০-এ।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
২ – ১২ জন
প্রথম আয়
৩০ – ১৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান