মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর একজন শিক্ষক ও পেঁপেচাষি · ২০২৫ সালে শুরু

দেড় লাখ খরচে তিন বিঘা পেঁপে, প্রথম দুই মাসেই বিক্রি ১ লাখ ৭০ হাজার

স্কুলের চাকরির পাশাপাশি ২০২৫ সালে তিন বিঘায় ১,২০০ চারা, খরচ ১,৫০,০০০ টাকা। চার মাসে ফুল, পাঁচ মাসে ফল; প্রথম দুই মাসে ২১০ মণ বিক্রি করে ১,৭০,০০০ টাকা — খরচ উঠে গেছে।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর দরবেশপুর গ্রামের ৪৬ বছর বয়সী এই সহকারী শিক্ষক ২০২৫ সালের শুরুতে মানিকগঞ্জ শাহী জাতের পেঁপে নিয়ে বাণিজ্যিক চাষে নামেন, তিন বিঘা জমিতে খরচ করেন ১,৫০,০০০ টাকা। বিঘাপ্রতি ৪০০টি করে মোট ১,২০০ চারা লাগানো হয়; চার মাসে গাছে ফুল আসে, পাঁচ মাসে ফল তোলার উপযোগী হয়। প্রথম দুই মাসেই ২১০ মণ পেঁপে বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৬৫ টাকা দরে, টাকার অঙ্কে প্রায় ১,৭০,০০০ — অর্থাৎ পুরো মৌসুমের খরচ এর মধ্যেই উঠে এসেছে। তিনি আশা করছেন পরের পাঁচ মাসে আরও ৪০০ মণ পেঁপে আর কেজিপ্রতি ৭,০০০ টাকা দরের ৮০ কেজি বীজ মিলিয়ে মোট ১০,০০,০০০ টাকার বিক্রি হবে, তাতে নিট থাকবে প্রায় ৮,৫০,০০০ টাকা — এটি তাঁর প্রত্যাশা, হয়ে যাওয়া বিক্রি নয়। তাঁর হিসাবে, "প্রতিটি গাছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা খরচ করে ৬০ থেকে ১৫০ কেজি পর্যন্ত পেঁপে পাওয়া যায়।"

যা শেখার আছে

  1. ১.পেঁপে এক মৌসুমেই টাকা ফিরিয়ে দেয় — প্রথম দুই মাসের বিক্রিতেই খরচ উঠে গেছে, গাছের ফলের মতো বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়নি
  2. ২.ফলের পাশাপাশি বীজ রেখে বিক্রি করলে আরেকটা আয়ের পথ খোলে — কেজিপ্রতি ৭,০০০ টাকার বীজ প্রত্যাশিত আয়ের বড় অংশ

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।