২০ হাজার টাকার ল্যাপটপে শুরু, মাসে ৩ হাজার ডলার — মাঝে ফাইভার অ্যাকাউন্ট জব্দ
বড় বোনের দেওয়া ২০,০০০ টাকায় ল্যাপটপ, এক মাস পরেই ২০ ডলারের প্রথম কাজ। এখন মাসে প্রায় ৩,০০০ ডলার আয়; মাঝপথে নীতিমালা ভাঙার অভিযোগে ফাইভার অ্যাকাউন্ট জব্দ হয়েছিল।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বেশিনগর গ্রামের এই তরুণ এইচএসসিতে ফেল করার পর কয়েক দফা প্রশিক্ষণ নিয়ে ব্যর্থ হন, শেষে ২০১৮ সালে গুগল অ্যাডস, ওয়েব অ্যানালিটিকস, ফেসবুক বিজ্ঞাপন, এসইও আর এসইএমে থিতু হন। বড় বোন ল্যাপটপ কিনতে দিয়েছিলেন ২০,০০০ টাকা, আর প্রায় এক মাস পরেই আসে প্রথম কাজ — ২০ ডলারের। পরে মাসে ৫৫০ ডলারের একটি নিয়মিত চুক্তি পান; প্রতিবেদনে তাঁর বর্তমান আয় ধরা হয়েছে মাসে প্রায় ৩,০০০ ডলার, সঙ্গে কাজ করেন সাতজন। মাঝপথে প্ল্যাটফর্মের নীতিমালা ভাঙার অভিযোগে তাঁর ফাইভার অ্যাকাউন্ট জব্দ হয়ে যায়, আর দুর্বল ইংরেজি নিয়েও তাঁকে হিমশিম খেতে হয়েছে। তাঁর ভাষায়, "নিজ গ্রামে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছি।"
যা শেখার আছে
- ১.নীতিমালা ভাঙলে অ্যাকাউন্ট জব্দ হয়ে যেতে পারে — একটিমাত্র মার্কেটপ্লেসের ওপর সব দাঁড় করানোর আগে নিয়মগুলো পড়ে নিন
- ২.ঢোকার খরচ ছিল ২০,০০০ টাকার একটি ল্যাপটপ আর এক মাস সময় — তার আগের ব্যর্থ প্রশিক্ষণগুলোতেই খরচ বেশি গেছে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
