২৫০টি বীজহীন লেবুর চারা, প্রথম বছরে খরচ প্রায় ১ লাখ; মাসে আয় প্রায় ৪০ হাজার
মাগুরার শালিখার এক কৃষক ২০১৯ সালের শুরুতে ২৫০টি বীজহীন লেবুর কলম লাগিয়ে প্রথম বছরে প্রায় এক লাখ টাকা খরচ করেন। পরের বছর থেকে ফলন পেয়ে এখন সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার টাকার লেবু বেচেন।
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাগুরার শালিখা উপজেলার শ্রীহট্ট গ্রামের এক কৃষক ২০১৯ সালের শুরুতে দুই বিঘা জমিতে ২৫০টি বীজহীন লেবুর কলমের চারা রোপণ করেন। চারা কেনা, রোপণ, জমি তৈরি, সেচ ও সারসহ প্রথম বছরে তাঁর খরচ হয় প্রায় এক লাখ টাকা। পরের বছরই গাছে ফলন শুরু হয়। তার পরের বছর বিঘাপ্রতি প্রায় এক লাখ টাকার লেবু বিক্রি হয়। তিনি বলেন, এ বছর গত বছরের চেয়ে বিক্রি বেশি হবে। এখন তিনি সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার টাকার লেবু বিক্রি করেন, ফলে মাসে আয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা। প্রতিবেদনের হিসাবে বছরে আয় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা, যা অন্য কোনো ফসলে সহজে মেলে না। মাত্র তিন বছরে তিনি লাখপতি হয়েছেন এবং তাঁকে দেখে এলাকার অনেকে আগ্রহী হচ্ছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, উপজেলায় ২০ হেক্টর জমিতে লেবু চাষ হচ্ছে, যার ১০ হেক্টর বীজহীন, ৫ হেক্টর চায়না আর ৫ হেক্টর অন্যান্য কাগজি লেবু। বেশি ফলন, বেশি রস ও বেশি চাহিদার কারণে এই লেবু ঢাকাসহ দেশের নানা স্থানে বাজারজাত হচ্ছে। এ চাষ অত্যন্ত লাভজনক বলে কৃষি কর্মকর্তা মনে করেন।
যা শেখার আছে
- ১.বীজহীন লেবুতে ফলন পেতে এক বছরের মতো অপেক্ষা করতে হয়, তাই প্রথম বছরের খরচ চালানোর পুঁজি হাতে রাখুন।
- ২.সপ্তাহে নিয়মিত বিক্রি থাকলে মাসিক আয়ের একটি স্থির হিসাব পাওয়া যায়।
- ৩.বাগান শুরুর আগে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জাত ও বাজারজাতের খোঁজ নিন।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
