মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে নবাবগঞ্জের এক তরুণ, 'মা ইলেকট্রিক' দোকানের মালিক · ২০১৪ সালে শুরু

২০১৪ সালে চীনা ইলেকট্রিক পণ্যের দোকান, পরে নিজে আমদানি ও কারখানা; এখন দিনে ৮-১০ লাখ টাকার বিক্রি

স্নাতক শেষ করে বন্ধুর পরামর্শে ২০১৪ সালে এক তরুণ 'মা ইলেকট্রিক' নামে দোকান খুলে আমদানিকারকদের কাছ থেকে চীনা পণ্য কিনে বিক্রি শুরু করেন। ২০১৫ সালে নিজেই আমদানির লাইসেন্স নেন, ২০১৭ সালে তিনটি যন্ত্র এনে উৎপাদনে যান; এখন তাঁর কারখানায় ৮০০ ধরনের পণ্য তৈরি হয়।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে নবাবগঞ্জের এক উদ্যোক্তার কথা এসেছে। ২০১৪ সালে স্নাতক শেষ করে তিনি এক বন্ধুর পরামর্শে ইলেকট্রিক পণ্যের ব্যবসা শুরু করেন। 'মা ইলেকট্রিক' নামের দোকানে তিনি বিভিন্ন আমদানিকারকের আনা চীনা পণ্য কিনে বিক্রি করতেন। ২০১৫ সালে লাইসেন্স নিয়ে নিজেই আমদানি শুরু করেন, পাশাপাশি দেশি উৎপাদকদের পণ্যও বিক্রি করতেন। ২০১৭ সালে তিনটি যন্ত্র আমদানি করে উৎপাদনে নামেন। এখন তাঁর কারখানায় প্রায় ৮০০ ধরনের ইলেকট্রিক পণ্য তৈরি হয়, কাজ করেন ৩০-৩৫ জন শ্রমিক, আর দিনে বিক্রি হয় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার পণ্য। প্রতিবেদন বলছে, গত ১০ বছরে তাঁর মতো আড়াই হাজারের বেশি নতুন উদ্যোক্তা ইলেকট্রিক পণ্য উৎপাদনে এসেছেন; অনেকে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে শুরু করে এখন ১ কোটি টাকা পর্যন্ত চলতি মূলধন নিয়ে কাজ করছেন। সারা দেশে প্রায় ৬০ হাজার খুচরা দোকান ইলেকট্রিক পণ্য বিক্রি করে, আর দেশের সবচেয়ে বড় ইলেকট্রিক বাজার ঢাকার নবাবপুরে প্রায় ৫ হাজার দোকান। সেখানকার বেশির ভাগ দোকান নন-ব্র্যান্ড পণ্য বেচে; এক দোকানমালিকের হিসাবে ছোট কারখানার এক ডজন লাইট সকেট ৫০-৮০ টাকায় কেনা যায়, বড় ব্র্যান্ডের একই পরিমাণ ১৫০-২০০ টাকা। তবে বড় কোম্পানিগুলো সতর্ক করছে, ইলেকট্রিক পণ্যে নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত; কম দামের নিম্নমানের ও নকল পণ্যে বাজার ভরে গেছে, মান খারাপ হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।

যা শেখার আছে

  1. ১.আমদানিকারকের কাছ থেকে কিনে বেচা দিয়ে শুরু করে বাজার চিনুন; চাহিদা ও সরবরাহকারী বুঝে তবেই নিজে আমদানি বা উৎপাদনে যান।
  2. ২.নন-ব্র্যান্ড পণ্যে লাভ বেশি হলেও ইলেকট্রিক জিনিসে নিরাপত্তা জরুরি; নিম্নমানের বা নকল পণ্য বেচলে দুর্ঘটনা ও সুনামের ঝুঁকি থাকে।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।