৩৬ বিঘায় ৬ হাজার পেয়ারাগাছ, বছরে দেড় কোটি টাকার বিক্রি
২০১৫ সালে পেয়ারা দিয়ে শুরু, বড় পরিসরে ২০১৮ সাল থেকে। এখন ৩৬ বিঘায় প্রায় ৬,০০০ ফলন্ত গাছ, গাছপ্রতি বছরে দেড় মণ; শুধু পেয়ারা থেকেই বছরে দেড় কোটি টাকার বিক্রি আর এক কোটি টাকার বেশি নিট লাভ।
টাঙ্গাইলের মধুপুরের ভবানীটেক গ্রামের এই চাষি সমাজকল্যাণে এমএ শেষ করে কৃষিতেই নেমে পড়েন, ২০১৫ সালে প্রথম পেয়ারা লাগান। শুরুটা জোরালো হয়নি; পরে রাজশাহীতে গিয়ে প্রতিষ্ঠিত চাষিদের পদ্ধতি দেখে এসে ২০১৮ সাল থেকে বড় পরিসরে নামেন। এখন ৩৬ বিঘা জমিতে তাঁর প্রায় ৬,০০০ ফলন্ত পেয়ারাগাছ, গাছপ্রতি বছরে ফলন প্রায় দেড় মণ। চারা লাগানোর ৭–৮ মাসেই গাছে ফল আসে, আর দেড় বছরের মধ্যে পূর্ণ ফলনে পৌঁছায়। শুধু পেয়ারা থেকেই বছরে বিক্রি দাঁড়ায় প্রায় দেড় কোটি টাকা, নিট লাভ এক কোটি টাকার বেশি। একই খামারে তিনি ১২০ বিঘা আনারস, ৩০ বিঘা কলা, ২৫ বিঘা ধান, ১৭ বিঘা ভুট্টা, ৬ বিঘা তুঁত আর ৩ বিঘা কফিও করেন।
যা শেখার আছে
- ১.বড় করার আগে তিনি প্রতিষ্ঠিত চাষিদের কাছে গিয়ে পদ্ধতি দেখে এসেছেন — তাই ২০১৫ সালের দুর্বল শুরুটা ব্যবসা ছাড়ার কারণ না হয়ে ২০১৮ সালের সম্প্রসারণে গিয়ে ঠেকেছে
- ২.পেয়ারা এক বছরের মধ্যেই আয় দিতে শুরু করে, আম বা মাল্টার চেয়ে অনেক আগে — তাই ধীরগতির ফসলের খরচ পেয়ারাই টেনে নিতে পারে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
