মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে রাজশাহীর চারঘাটের একজন মাল্টাচাষি · ২০১৯ সালে শুরু

এক মৌসুমে মাল্টায় ১০–১২ লাখ, চারা বিক্রিতে আরও ১৫–২০ লাখ

চারঘাটে ২০১৯ সালে ৯ বিঘা লিজ নিয়ে শুরু, এখন ১৬ বিঘা। এক মৌসুমে মাল্টা থেকে নিট আয় ১০–১২ লাখ টাকা, বছরে চারা বিক্রি থেকে আরও ১৫–২০ লাখ; বাগানেই কেজি ২০০ টাকা।

রাজশাহী কলেজের পড়া শেষ করে ২০১৯ সালে চারঘাটের শালুয়া ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে বাড়ির পাশে ৯ বিঘা জমি লিজ নেন ৩৪ বছর বয়সী এই চাষি, পরে আরও ৭ বিঘা — এখন বাগান ১৬ বিঘার। জমিতে আগে থেকেই পেয়ারাবাগান ছিল, তাই পেয়ারাগাছের ফাঁকে ফাঁকেই মাল্টার চারা লাগিয়ে দেন; কয়েক বছর পেয়ারার আয় নিয়ে তারপর পেয়ারাগাছ কেটে ফেলেন। চার বছর ধরে ভালো ফলন হচ্ছে, শেষ তিন বছরে সবচেয়ে বেশি — একেকটি গাছ থেকে ১ থেকে দেড় মণ ফল। পরিচর্যা বলতে ফুল আসার সময় একটা স্প্রে, ফল ধরার সময় আরেকটা, আর মাটি আলগা করে জৈব ও কিছু রাসায়নিক সার। তিনি কোনো বাজারেই যান না: নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত, বিশেষ করে শুক্র-শনিবারে, দেশের নানা জেলা থেকে মানুষ বাগান দেখতে আসেন, তিনি ফল কেটে খাওয়ান, আর অনেকে ২০০ টাকা কেজি দরে মাল্টা আর কলমের চারা কিনে ফেরেন। তাঁর ভাষায়, "দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ বাগান দেখতে আসছেন, বিষয়টি আমাকে বেশ আনন্দ দেয়।" খরচ বাদে এক মৌসুমে শুধু মাল্টা থেকেই আসে ১০–১২ লাখ টাকা, আর সারা বছর ফলের চারা বিক্রি থেকে আসে আরও ১৫–২০ লাখ।

যা শেখার আছে

  1. ১.পুরোনো পেয়ারাবাগানের ভেতরেই মাল্টার চারা লাগানোয় গাছ বড় হওয়ার বছরগুলোতেও জমি আয় দিয়ে গেছে
  2. ২.বাগানটাকে দেখতে আসার জায়গা বানিয়ে ফেলায় বাজারের দরকারই ফুরিয়েছে — দর্শনার্থী খুচরা দামে কেনেন, আর ফেরার পথে চারা কেনেন, যা ফলের চেয়েও বেশি আয় দেয়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।