কিন্ডারগার্টেন বন্ধ, বেতনও বন্ধ — এখন বাড়িতে পড়ান মাত্র দুজনকে
মানিকগঞ্জ শহরের কিন্ডারগার্টেনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই শিক্ষকের বেতন একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। এখন নিজের বাড়িতে দুজন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে কোনোমতে দিন চলে।
মানিকগঞ্জ শহরের একটি কিন্ডারগার্টেনে পড়াতেন এই শিক্ষক। করোনায় স্কুলটি বন্ধ হয়ে গেলে বেতন আসা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, আর বেতনই ছিল তাঁর একমাত্র আয়। এখন নিজের বাড়িতে দুজন শিক্ষার্থীকে পড়ান — প্রতিবেদনের ভাষায়, তাতে কেবল টিকে থাকা যায়। এই দুটি টিউশন থেকে মাসে কত আসে, প্রতিবেদনে তার কোনো হিসাব নেই। নয় জেলার আয় হারানো মানুষদের নিয়ে করা ওই প্রতিবেদনে তাঁর কথা ছিল সংক্ষিপ্ত; তাঁর ভাষায়, "চরম হতাশার মধ্যে আছি।" প্রতিষ্ঠানের বেতন বন্ধ হলে শিক্ষকের হাতে পড়ে থাকে কেবল নিজের ধরা কয়েকজন ছাত্র, আর সেই সংখ্যাটা আগে থেকে না বাড়ানো থাকলে ফাঁকটা পূরণ হয় না।
যা শেখার আছে
- ১.যে প্রতিষ্ঠান বেতন দেয় সেটি বন্ধ হলে শিক্ষকের হাতে থাকে কেবল নিজের ধরা ছাত্র কজন
- ২.দুটি টিউশনে সংসার চলে না — ছাত্রসংখ্যা বাড়াতে হয় ধাক্কা আসার আগেই, পরে নয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
