মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে মিরপুরের ডট সাইন কারখানার একজন কর্মকর্তা

মাসে ২ লাখ পিসের অর্ডার নেমে ৫০ হাজার, স্থায়ী কর্মী গেলেন চুক্তিতে

ডট সাইন কারখানা কোভিডকালেও একটি ইতালীয় ক্রেতার কাজ ধরে রাখতে পেরেছিল, কিন্তু মাসে প্রায় ২ লাখ পিস কাপড় প্রিন্টের অর্ডার নেমে আসে ৫০ হাজার বা তারও কমে।

মিরপুরের দুয়ারীপাড়ার ডট সাইন কারখানা কোভিডের সময়েও একটি ইতালীয় প্রতিষ্ঠানের কাপড় প্রিন্টের কাজ ধরে রাখতে পেরেছিল, তাই পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবু অর্ডার কোথায় নেমেছে, কারখানার একজন কর্মকর্তার ভাষায়, "আগে মাসে প্রায় দুই লাখের মতো কাপড় প্রিন্টের অর্ডার পেতাম। এখন পাই ৫০ হাজার বা তারও কম।" কাজ কমে যাওয়ায় তাঁরা স্থায়ী কর্মীদের একটি অংশকে চুক্তিভিত্তিক কাজে নামিয়ে আনেন — অর্ডার থাকলে ডাক পড়ে, না থাকলে বসে থাকতে হয়। একই এলাকার আরেকটি স্ক্রিন প্রিন্ট প্রতিষ্ঠানের কাজ প্রায় ৭০ শতাংশ কমে যায়, আর ২০১৭ সালে ব্যবসা শুরুর পর তারা এত বড় সংকটে পড়েনি। মিরপুরের এই ক্লাস্টারে ২০১৩ সালে এসএমই ফাউন্ডেশন ৫ শতাধিক স্ক্রিন প্রিন্ট প্রতিষ্ঠান নিয়ে ক্লাস্টার ঘোষণা করেছিল। কারখানাটি টিকে গেছে সরাসরি একটি বিদেশি ক্রেতার লাইন ধরে রাখতে পেরেছিল বলে, আর সেই টিকে থাকার খরচটা গেছে শ্রমিকের আয়ের ওপর দিয়ে।

যা শেখার আছে

  1. ১.সরাসরি একটি ক্রেতার লাইন ধরে রাখতে পারলে অর্ডার-ধসের মধ্যেও কারখানা খোলা রাখা যায়
  2. ২.স্থায়ী কর্মীকে চুক্তিভিত্তিক করে খরচ কমানো যায়, কিন্তু সেই ভারটা গিয়ে পড়ে শ্রমিকের আয়ের ওপর

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।