স্ক্রিন প্রিন্ট ও টি-শার্ট
কাপড়ে নকশা ছাপার কাজ। পুঁজি কম, কিন্তু প্রতিটি নকশা ও প্রতিটি রঙের আলাদা স্ক্রিন লাগে — তাই অর্ডার ছোট হলে প্রতি পিসের খরচ অনেক বেড়ে যায়।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

স্ক্রিন প্রিন্ট ও টি-শার্ট
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫০,০০০ – ৳৪,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৫ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৪ – ৭ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
স্ক্রিন প্রিন্টের কাজ হলো কাপড়ে নকশা ছাপা — টি-শার্ট, জার্সি, ব্যাগ, ক্যাপ। পুঁজি কম লাগে বলে এই ব্যবসায় লোক বেশি, কিন্তু হিসাবটা যেখানে গোলমাল হয় সেটা হলো স্ক্রিনের খরচ। প্রতিটা নকশার জন্য আলাদা স্ক্রিন বানাতে হয়, আর প্রতিটা রঙের জন্য আলাদা স্ক্রিন। ওই খরচটা একবারই লাগে — ৫০ পিস ছাপলেও যা, ১০০০ পিস ছাপলেও তা-ই। তাই ৫০ পিসের অর্ডারে প্রতি পিসের খরচ অনেক বেশি পড়ে, আর ১০০০ পিসে অনেক কম। এই কারণেই ছোট অর্ডারে দাম বেশি চাইতে হয়, আর ক্রেতা তা বুঝতে চান না। ক্রেতা কারা? স্কুল-কলেজের ব্যাচ, ক্লাব ও সংগঠন, রাজনৈতিক প্রচার, কোম্পানির ইউনিফর্ম আর অনলাইনের পোশাক বিক্রেতা। বড় বাজারটা কোথায় থামে, সেটাও দেখে নেওয়া দরকার। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিশনের হিসাবে, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে প্রতিটি টি-শার্ট রপ্তানি হয়েছে গড়ে ১ ডলার ৭৬ সেন্টে, আর ওই বাজারে বাংলাদেশ শীর্ষে উঠেছে। একই অর্থবছরে ১৫৮ দেশে ৭৪৫ কোটি ডলারের টি-শার্ট গেছে, আর যুক্তরাষ্ট্রে টি-শার্ট পাঠিয়েছে ৮১১টি কারখানা। অর্থাৎ রপ্তানির কাজ বড় কারখানার, আর ছোট স্ক্রিন প্রিন্টের জায়গা দেশের ভেতরের অর্ডারে — যেখানে জেতা যায় সময়মতো ডেলিভারি আর রঙ ঠিক রাখার মাধ্যমে, দাম কমিয়ে নয়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩০,০০০ – ৳২,৫০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳২২০ – ৳৪৫০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৭৫ – ৳৩৩০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২০% – ২৭% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৫ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪ – ৭ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৭ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১০০ – ৬০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ফ্রেম ও জাল, এক্সপোজার ইউনিট, স্কুইজি, ছাপার টেবিল, রঙ মেশানোর সরঞ্জাম আর শুকানোর ব্যবস্থা। যন্ত্র ও সরঞ্জামের দাম এখানে যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- রঙ ও কেমিক্যাল, ইমালশন, আর টি-শার্ট যদি আপনি কাপড় দেন। ছাপা হয়ে গেলে কাস্টম মাল আর কারও কাছে বিক্রি হয় না, তাই এই মজুতের ঝুঁকি বেশি।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে হয়।লাইসেন্স
- নকশা থেকে স্ক্রিন বানানো, রঙ মেলানো, ঠিক চাপে স্কুইজি টানা আর শুকানোর সময় ধরা। রঙ বা বসার মান খারাপ হলে ধোয়ার পর উঠে যায়।দক্ষতা
- রঙ ও কেমিক্যালের সরবরাহকারী, জাল ও ফ্রেমের দোকান, আর ব্ল্যাঙ্ক টি-শার্টের পাইকার।সরবরাহকারী
- ছাপার লম্বা টেবিলের জন্য জায়গা, স্ক্রিন ধোয়ার পানি ও নিষ্কাশন, শুকানোর তাক আর বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঘর নিন — ছাপার লম্বা টেবিল, শুকানোর জায়গা আর ধোয়ার জন্য পানির ব্যবস্থা থাকতে হবে। রঙ ও কেমিক্যালের গন্ধ ছড়ায়, তাই বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা লাগবে।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং ব্যবসার ধরনে ছাপাখানার কাজ লেখান।
- 3ছাপার সরঞ্জাম বসান: ফ্রেম ও জাল, এক্সপোজার ইউনিট, স্কুইজি, ছাপার টেবিল, আর শুকানোর ব্যবস্থা।
- 4কাপড় কে দেবে সেটা আগে ঠিক করুন — ক্রেতা টি-শার্ট এনে দেবেন, না আপনি কিনে দেবেন। দুটোর দাম, ঝুঁকি আর লাভ সম্পূর্ণ আলাদা।
- 5প্রতিটি নকশা ও প্রতিটি রঙের জন্য আলাদা স্ক্রিন বানাতে হয়, আর ওই খরচ একবারই লাগে। তাই দর দেওয়ার আগে স্ক্রিনের খরচ আলাদা করে হিসাব করুন, নইলে ছোট অর্ডারে লোকসান হবে।
- 6রঙ মেলানোর নমুনা বানিয়ে ক্রেতাকে দেখিয়ে নিন এবং লিখিত অনুমোদন নিন। রঙ না মিললে পুরো চালান ফেরত আসে, আর ছাপা টি-শার্ট অন্য কারও কাছে বিক্রি হয় না।
- 7অর্ডারের সঙ্গে অগ্রিম নিন, অন্তত কাপড় ও স্ক্রিনের খরচ। কাস্টম ছাপা মাল বাতিল হলে সেটা পুরোপুরি নষ্ট।
- 8ডেলিভারির তারিখ লিখিতভাবে দিন। ব্যাচের অনুষ্ঠান, খেলা বা প্রচার — এসব অর্ডারে তারিখ পেরিয়ে গেলে মালের আর কোনো দাম নেই।
- 9ব্যাচ ও ক্লাব ধরুন, তারপর কোম্পানির ইউনিফর্ম আর প্রচারমূলক পোশাকের দিকে যান — ওখানে অর্ডার বড় আর বারবার আসে।
- 10মৌসুম ধরে পরিকল্পনা করুন — একুশে ফেব্রুয়ারি, স্বাধীনতা দিবস, পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস আর নির্বাচনের প্রচারে অর্ডার হঠাৎ বাড়ে, বাকি সময় কম থাকে।
- 11রপ্তানির স্বপ্ন দেখার আগে হিসাব দেখুন। যুক্তরাষ্ট্রে টি-শার্ট রপ্তানি করেছে ৮১১টি কারখানা, আর সবচেয়ে বড়টি একাই সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের। এই মাপে ছোট প্রিন্টের জায়গা নেই; দেশের ভেতরের অর্ডারেই টিকে থাকতে হবে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পোশাক কারখানার এলাকা; প্রচারমূলক পোশাকের অর্ডার নিয়মিত।
- খুব উপযোগীঢাকা · বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, কোম্পানি ও সংগঠনের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি; রঙ, জাল ও ব্ল্যাঙ্ক টি-শার্টের সরবরাহও এখানেই।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানার জেলা — ইউনিফর্ম ও কারখানার প্রচারমূলক পোশাকের অর্ডার মেলে।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · নিটওয়্যার ও কাপড়ের বড় কেন্দ্র, তাই ব্ল্যাঙ্ক টি-শার্ট সস্তায় ও কাছেই পাওয়া যায়।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলার অর্ডারও এখানে আসে।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের শহর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেশি আর ঢাকা থেকে কাঁচামাল আনা সহজ।
- সম্ভবখুলনা · শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের অর্ডার; প্রতিযোগিতা তুলনামূলক কম।
- সম্ভবময়মনসিংহ · বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্র বেশি, ব্যাচের অর্ডার নিয়মিত।
- সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ব্যাচের অর্ডার নিয়মিত; খরচ ঢাকার চেয়ে কম।
- সম্ভবসিলেট · শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্লাবের অর্ডার আছে, তবে কাঁচামাল ঢাকা থেকে আনতে হয়।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: চাহিদা উৎসব ও অনুষ্ঠানের সঙ্গে ওঠানামা করে — একুশে ফেব্রুয়ারি, স্বাধীনতা দিবস, পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস, ব্যাচের অনুষ্ঠান, নির্বাচনী প্রচার। ওই সপ্তাহগুলোতে কাজ ধরা যায় না, আর বাকি মাসগুলোতে টেবিল খালি পড়ে থাকে, অথচ ভাড়া ও কর্মীর মজুরি চলতেই থাকে।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: ব্যাচ, ক্লাব বা সংগঠনের অর্ডারে টাকা তোলেন একজন, আর মাল নেন সবাই। চাঁদা না উঠলে টাকা আটকে যায়, আর ছাপা মাল ততক্ষণে তৈরি হয়ে গেছে। অগ্রিম না নিলে এই ঝুঁকি পুরোপুরি আপনার।
- মাঝারিচলতি মূলধন: স্ক্রিনের খরচ অর্ডারের আকার যাই হোক সমান, তাই ছোট অর্ডারে ওই খরচ পুষিয়ে নেওয়া কঠিন। ক্রেতা ৫০ পিসের দরে ১০০০ পিসের হিসাব চান, আর দর মেলাতে গিয়ে অনেকে নিজের স্ক্রিনের খরচই ধরে না — লোকসানটা তখন বোঝা যায় না, জমতে থাকে।
- বেশিনষ্ট হওয়া: ছাপা মাল বাতিল হলে পুরো লোকসান। রঙ না মিললে, বানান ভুল হলে বা ধোয়ার পর ছাপা উঠে গেলে ওই টি-শার্ট আর কারও কাছে বিক্রি হয় না — কারণ তাতে অন্য কারও নাম বা লোগো বসানো। কাপড় যদি আপনি কিনে থাকেন, ক্ষতিটা পুরোপুরি আপনার।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: বড় বাজারটা বড় কারখানার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে টি-শার্ট পাঠিয়েছে ৮১১টি কারখানা, আর শীর্ষ প্রতিষ্ঠানটি একাই সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের। ছোট স্ক্রিন প্রিন্টের জায়গা কেবল দেশের ভেতরের ছোট ও মাঝারি অর্ডারে, যেখানে প্রতিযোগীও অসংখ্য।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
মাসে ২ লাখ পিসের অর্ডার নেমে ৫০ হাজার, স্থায়ী কর্মী গেলেন চুক্তিতে
ডট সাইন কারখানা কোভিডকালেও একটি ইতালীয় ক্রেতার কাজ ধরে রাখতে পেরেছিল, কিন্তু মাসে প্রায় ২ লাখ পিস কাপড় প্রিন্টের অর্ডার নেমে আসে ৫০ হাজার বা তারও কমে।
- কারণ
- চাহিদা কম, নিয়মিত ক্রেতা
এক দশকের প্রিন্ট কারখানা লোকসানে বিক্রি, ৪৫ কর্মীর জায়গায় ১৭ জন
রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার কাপড় প্রিন্ট করে চলা মিরপুরের এক দশকের পুরোনো কারখানাটি অর্ডার কমে যাওয়ায় ২০২০ সালের নভেম্বরে লোকসান দিয়ে বিক্রি হয়ে যায়; নতুন মালিকও কাজ পাচ্ছেন না, ৪৫ কর্মীর মধ্যে রেখেছেন ১৭ জন।
- কারণ
- নির্ভরশীলতা, চাহিদা কম
একই রকম আরও ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপরাজমিস্ত্রি ও ঠিকাদারি
গাঁথুনি, ঢালাই ও ফিনিশিংয়ের শ্রম চুক্তি। ঢাকায় প্লিন্থের প্রতি বর্গফুটে নির্মাণ খরচ ৳১৮০০–৩০০০, আর রাজমিস্ত্রির সরকারি ন্যূনতম হাজিরা শহরে ৳৯৪০।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপব্যাটারি রিকন্ডিশনিং — পুরোনো ব্যাটারি সারানো
দুর্বল হয়ে পড়া সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারিতে পানি-অ্যাসিড ঠিক করে, ধীরে চার্জ দিয়ে আবার চালু করা। ব্যাটারি ভেঙে সীসা গলানো সম্পূর্ণ আলাদা কাজ — সেটি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া করলে অপরাধ, আর দেশে প্রায় ১,১০০ কারখানার মধ্যে মাত্র ৭টির ছাড়পত্র আছে।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপতাঁত ও জামদানি
কাঠের তাঁতে হাতে বোনা শাড়ি। শাড়ি বিক্রি হয় ৳১,৫০০ থেকে ৳৩ লাখে, অথচ একজন তাঁতির মাসিক আয় প্রায় ৳৪,৫৯০ — লাভ থাকে মহাজনের হাতে।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ১৮০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপদর্জি ও ছোট গার্মেন্টস ইউনিট
প্যান্ট সেলাই ৳৬০০, কারিগর পান ৳২২০, খরচ ৳৯০ — দোকানের থাকে ৳২৯০। একজন কারিগর দিনে ৫টা প্যান্ট বা ১০টা শার্ট করেন। বড় টাকা সাব-কন্ট্রাক্টে, আর সেখানকার নিয়ম এখন কড়া।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
