মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে রাজশাহীর মোহনপুরের একজন ছাদবাগান উদ্যোক্তা · ২০২১ সালে শুরু

ছাদে হাজারের বেশি গাছ, মাসে আয় লাখ টাকার ওপরে

২০২১ সালের শেষে শুরু; ছাদে এখন হাজারের বেশি গাছ, তার মধ্যে ২০০-র বেশি জাতের অ্যাডেনিয়াম। গড়ে মাসে আয় ১ লাখ টাকার বেশি, আগস্টে বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ টাকার।

রাজশাহীর মোহনপুরের এই উদ্যোক্তা ভাড়া বাড়িতে বারবার বাগান নষ্ট হওয়ার পর গাছের কথা মাথায় রেখেই বাড়ি বানিয়েছেন — ২০২১ সালের শেষে কাজ শুরু করে ২০২২ সালের ১৪ জানুয়ারি নতুন বাড়িতে ওঠেন। তাঁর ভাষায়, "আমরা গাছের জন্যই বাড়ি করেছি।" সংগ্রহে এখন হাজারের বেশি গাছ — ২০০-র বেশি জাতের অ্যাডেনিয়াম, ৬০-এর বেশি অ্যাগ্লোনেমা, ৬৫টির বেশি অর্কিড, প্রায় ১০০টি সাকুলেন্ট, ১০০-র বেশি স্নেক প্ল্যান্ট আর ৫০ জাতের ক্যাকটাস, সঙ্গে বনসাই, ফলের গাছ ও সবজি। শৌখিন ও দুর্লভ গাছের পাশাপাশি সবজি-ফল তিনি অনলাইনে আর বাড়ি থেকেই বিক্রি করেন। গড়ে মাসে আয় ১ লাখ টাকার বেশি, আর আগস্ট মাসে বিক্রি দাঁড়িয়েছিল ৩ লাখ টাকায়। ব্যস্ত সময়ে ৮ থেকে ১০ জন কাজ করেন, নিয়মিত দুজন কর্মী মাসে ১২,০০০ থেকে ১৮,০০০ টাকা পান, বাকিরা কাজ করেন কমিশনে।

যা শেখার আছে

  1. ১.সাধারণ গাছের চেয়ে দুর্লভ ও শৌখিন জাতে লাভ অনেক বেশি — টাকাটা সংখ্যায় নয়, জাতের গভীরতায়
  2. ২.বাড়ি থেকে বিক্রির পাশাপাশি অনলাইনে বিক্রিই ছাদবাগানকে ব্যবসা বানিয়েছে, আর তাতেই দুজন স্থায়ী কর্মীতে চলে যায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।