মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
মিশ্র অভিজ্ঞতামতিঝিলের এক পুরোনো মানি এক্সচেঞ্জের দ্বিতীয় প্রজন্মের মালিক · ১৯৭৮ সালে শুরু

১৯৭৮ সালের মানি এক্সচেঞ্জ, এখন ঘণ্টায় একজন খদ্দের পেলেই ভাগ্য; ব্যবসা কমেছে প্রায় ৫০%

মতিঝিলের ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এক মানি এক্সচেঞ্জ ভিসা বন্ধ আর অর্থনীতির মন্দায় বছরখানেক ধরে খদ্দের পাচ্ছে না। সমিতির হিসাবে ঢাকায় ব্যবসা প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে, জেলা শহরে অনেকের কমেছে প্রায় ৯০ শতাংশ।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মতিঝিলের ডিআইটি এক্সটেনশন রোডের তাসলিমা মানি এক্সচেঞ্জ ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত; এখন চালান প্রতিষ্ঠাতার ছেলে। তাঁর ভাষায়, এক বছর ধরে ব্যবসা খুব খারাপ। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড অনেক দেশ ভিসা দিচ্ছে না, ভারতের ভিসা পুরো বন্ধ, অথচ এগুলোই ছিল প্রধান গন্তব্য। আগে ডিসেম্বরে স্কুল ছুটি আর শীতের ভ্রমণে চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকত; এখন ঘণ্টায় একজন খদ্দের পেলেই ভাগ্য। বিনিময় হার স্থির হলেও মানুষের হাতে বাড়তি টাকা ও আস্থা নেই। মজার ব্যাপার, ২০২২ সালের ডলার সংকটের সময়টাকেই তিনি ভালো সময় মনে করেন: অস্থির হলেও ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষই আসত, লেনদেন ছিল জোরালো। তবে মিরপুরের আরেক মানি চেঞ্জার বলেছেন, সংকটের সময় বাজারে নগদ ডলার না থাকায় তাঁরা দৈনিক চাহিদাও মেটাতে পারেননি। গুলশানের আরেকটি প্রতিষ্ঠান জানায়, আগে চিকিৎসা, কেনাকাটা, ভ্রমণ মিলিয়ে ভারতই ছিল বড় অংশ। মানি চেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেছেন, ঢাকায় ব্যবসা প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে, খুলনা-রাজশাহীর মতো জেলা শহরে অনেক সদস্যের কমেছে প্রায় ৯০ শতাংশ। সঙ্গে বেড়েছে লাইসেন্সহীন ব্যবসায়ী, শুধু নামফলক লাগিয়ে অনেকে কাজ চালাচ্ছেন; বাংলাদেশ ব্যাংকে বারবার আবেদন করেও প্রতিকার মেলেনি। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, নির্বাচনের পর রাজনৈতিক স্থিতি ফিরলে ভিসা খুলবে আর লেনদেন বাড়বে।

যা শেখার আছে

  1. ১.মানি এক্সচেঞ্জের আয় বিদেশভ্রমণ আর ভিসার ওপর নির্ভর করে; এক-দুটি দেশের যাত্রীর ওপর নির্ভরতা বড় ঝুঁকি।
  2. ২.সংকটের সময় নগদ বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকলে চাহিদা বাড়ে, না থাকলে সুযোগ হাতছাড়া হয়; সোর্সিং নেটওয়ার্ক শক্ত রাখুন।
  3. ৩.বৈধ লাইসেন্স ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম মেনে চলুন; লাইসেন্সহীন প্রতিযোগিতার মধ্যে বৈধতাই আস্থার ভিত্তি।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।