মানি এক্সচেঞ্জ
বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স নিয়ে বিদেশি নোট কেনা-বেচা। ২১-০৯-২০২৬ তারিখে ডলার কেনা ৳১২৫.৬০, বেচা ৳১২৬.৬০ — অর্থাৎ প্রতি ডলারে হাতে থাকে মাত্র এক টাকা। লাইসেন্স ছাড়া এই কাজ ফৌজদারি অপরাধ, সাজা সাত বছর পর্যন্ত জেল।
- শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

মানি এক্সচেঞ্জ
- শুরুর পুঁজি
- ৳১০,০০,০০০ – ৳৪৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৯০ – ৩৬৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৫ – ৩২ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
কাউন্টারে বসে বিদেশি টাকার নোট কেনা আর বেচা। কে কী পারবে তার প্রতিটি লাইন বাংলাদেশ ব্যাংকের লেখা আছে, আর তার বাইরে এক পা গেলেই সেটা অপরাধ। লাইসেন্স দেয় বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট, আবেদন যায় নিজের ব্যাংকের (অনুমোদিত ডিলার) মাধ্যমে, আর নিয়মে লেখা আছে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন লাইসেন্স দেবে কি না সেটা তারাই ঠিক করে। মানি চেঞ্জারের কোনো শাখা থাকতে পারে না, আর যে ঘরে এই কাজ হয় সেখানে অন্য কোনো ব্যবসা চলতে পারে না। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীর কাছ থেকে নোট কেনা যায়, আর বেচা যায় শুধু বিদেশগামী বাংলাদেশিকে — বছরে সর্বোচ্চ ১,০০০ ডলার, ২০০ ডলারের বেশি দিতে হলে বৈধ ভিসা লাগে। বিদেশি পর্যটককে তার আগের এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট দেখে ৫০০ ডলার পর্যন্ত ফেরত দেওয়া যায়, আর হজযাত্রীকে ১,০০০ ডলার। দিনের শেষে হাতে ২৫,০০০ ডলারের বেশি রাখা যাবে না; বাকিটা সেদিনই ব্যাংকে ভাঙাতে বা জমা দিতে হবে। প্রতিটি লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন মনিটরিং সিস্টেমে তুলতে হয় আর মাস শেষে ১০ দিনের মধ্যে বিবরণী পাঠাতে হয়। লাইসেন্স এক বছরের; নবায়ন ফি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ৳১০,০০০ (আগে ছিল ৳৫,০০০)। নবায়নের জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বছরে অন্তত ৫ লাখ ডলার, অন্য এলাকায় ৩.৫ লাখ ডলারের লেনদেন দেখাতে হয়, আর একক মালিক বা অংশীদারি হলে নিট সম্পদ অন্তত ৳১০ লাখ থাকতে হয়। লাভ আসে শুধু কেনা ও বেচা দরের ফাঁক থেকে — এক ডলারে এক টাকা। হুন্ডি এই ব্যবসার অবৈধ প্রতিদ্বন্দ্বী, এবং লাইসেন্স ছাড়া মুদ্রা কেনাবেচা ১৯৪৭ সালের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও মুদ্রা বাজেয়াপ্ত হওয়ার অপরাধ।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১০,০০,০০০ – ৳৩১,৬৫,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১২৭ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১২৬ / একক | বাজারদর | |
| মোট লাভের হার | ০.৭% – ০.৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৯০ – ৩৬৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৫ – ৩২ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ১ দিন | সরকারি সূত্র | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ১০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১১,৬৬৭ – ১৬,৬৬৭ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ভল্ট, নোট গোনার ও জাল নোট শনাক্তের যন্ত্র, সিসি ক্যামেরা, কাউন্টারের সামনে দর লেখার বোর্ড, আর অনলাইন মনিটরিং সিস্টেমে ঢোকার কম্পিউটার ও প্রিন্টার (প্রতিটি লেনদেনের প্রাপ্তি রসিদ ছাপিয়ে গ্রাহককে দিতে হয়)। এসবের দাম এখানে যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- বিদেশি নোটের মজুত — দিনের শেষে ২৫,০০০ ডলারের বেশি রাখা যাবে না, আর নিজের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের স্থিতি ৫০,০০০ ডলার ছাড়াতে পারবে না। ট্রাভেলার্স চেক কিনতে হলে শুধু নিজের ওই হিসাবের টাকা ব্যবহার করা যাবে।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০; ৩–৫ কর্মদিবসে দেয়। ডিএনসিসি এলাকায় আবেদন অনলাইনে, ইস্যু ৩ কর্মদিবস, নবায়ন ২ কর্মদিবস।লাইসেন্স
- মানি চেঞ্জার লাইসেন্স — বাংলাদেশ ব্যাংক, ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট। আবেদন অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের সুপারিশসহ। মেয়াদ এক বছর। নবায়ন ফি ৳১০,০০০ (১৫-০১-২০২৬ থেকে; আগে ছিল ৳৫,০০০, যা ১৯-০২-২০০২ থেকে অপরিবর্তিত ছিল)। নতুন লাইসেন্সের আবেদন ফি কত, তা যাচাই করা যায়নি; নিয়মে লেখা আছে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন লাইসেন্স দেবে কি না সেটাই আগে ঠিক হয়।লাইসেন্স
- জাল নোট চেনা, গ্রাহকের পরিচয় যাচাই ও এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট লেখা, পাসপোর্ট-টিকিট দেখে ভ্রমণ সীমা মিলিয়ে নেওয়া, আর অনলাইন সিস্টেমে ভুল না করে এন্ট্রি দেওয়া। কাগজের ভুলই এখানে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।দক্ষতা
- মনোনীত অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক — আবেদন, নবায়নের কাগজ, বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব আর বাড়তি নগদ ভাঙানো সবই এই ব্যাংকের মাধ্যমে হয়। ব্যাংক সহযোগিতা না করলে লাইসেন্সই এগোয় না।সরবরাহকারী
- একটি মাত্র কাউন্টার-ঘর, যেখানে অন্য কোনো ব্যবসা চলে না। শাখা খোলা নিষেধ। ঘর বদলাতে হলে আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি লাগে, আর আবেদনের সঙ্গে ভাড়ার দলিল ও কারণ দিতে হয়। ভাড়ার অঙ্ক এখানে যাচাই করা যায়নি।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে ঠিক করুন কোন জিনিসটা নিচ্ছেন — পূর্ণাঙ্গ মানি চেঞ্জার লাইসেন্স, নাকি হোটেল বা উপহারের দোকানের মতো সীমিত সেবার অনুমতি। দুটোর শর্ত আলাদা।
- 2মনে রাখুন, মানি চেঞ্জিং একমাত্র ব্যবসা হতে হবে। যে ঘরে কাউন্টার বসবে সেখানে অন্য কিছু বিক্রি করা যাবে না, আর কোনো শাখা খোলা যাবে না।
- 3একটি অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক ঠিক করুন। আবেদন ওই ব্যাংকের সুপারিশসহ মহাব্যবস্থাপক, ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়ে যাবে।
- 4নিট সম্পদের কাগজ তৈরি রাখুন — একক মালিক বা অংশীদারি হলে অন্তত ৳১০ লাখ, কোম্পানি হলে নিরীক্ষিত হিসাবে পরিশোধিত মূলধন ৳১০ লাখ। হালনাগাদ কর পরিশোধের সনদ ও IT10B-ও লাগবে।
- 5সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। ডিএনসিসি এলাকায় আবেদন অনলাইনে, ইস্যু ৩ কর্মদিবস আর নবায়ন ২ কর্মদিবসে।
- 6কাউন্টার তৈরি করুন — ভল্ট, নোট গোনা ও জাল নোট ধরার যন্ত্র, সিসি ক্যামেরা, আর সামনে বড় করে দর লেখার বোর্ড। নিজের কেনা-বেচার দর নিজেই ঠিক করবেন, কিন্তু তা কাউন্টারে স্পষ্ট করে টাঙিয়ে রাখতেই হবে।
- 7বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন মানি চেঞ্জার মনিটরিং সিস্টেমে যুক্ত হোন। প্রতিটি লেনদেন ওখানে তুলতে হবে, আর সিস্টেমের দেওয়া ইউনিক নম্বরসহ প্রাপ্তি রসিদের প্রিন্ট গ্রাহককে দিতে হবে।
- 8ক্রয়ের সময় বিক্রেতাকে নির্ধারিত ছকে এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট দিন। বিক্রির সময় পাসপোর্ট ও টিকিটে সিল-সইসহ এনডোর্সমেন্ট লিখুন, আর পাসপোর্টের নির্দিষ্ট পাতাগুলোর ফটোকপি অন্তত পাঁচ বছর রেখে দিন।
- 9প্রতিদিন কাজ শেষে নগদ মিলিয়ে দেখুন। ২৫,০০০ ডলারের বেশি হাতে থাকলে বাড়তিটা সেদিনই ব্যাংকে ভাঙান বা নিজের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে জমা দিন — ওই হিসাবের স্থিতি ৫০,০০০ ডলার ছাড়াতে পারবে না।
- 10মাস শেষ হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত ছকে মাসিক বিবরণী ফরেন এক্সচেঞ্জ অপারেশন ডিপার্টমেন্টে পাঠান। দেরি হলে নবায়নের সময় সেটাই আটকে দেয়।
- 11লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত দুই মাস আগে নবায়নের আবেদন করুন। সঙ্গে ঘর ভাড়ার দলিল, কর পরিশোধের সনদ ও গত বছরের হিসাব দিন, আর অনুমোদনের পর ৳১০,০০০ নবায়ন ফি পে-অর্ডারে জমা দিন।
- 12অফিস সরাতে চাইলে বা মালিকানা বদলাতে চাইলে আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিন। অনুমতি ছাড়া সরে গেলে লাইসেন্স যেতে পারে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · দ্বিতীয় শহর, বন্দর ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ঢাকার মতোই এখানেও নবায়নের জন্য বছরে ৫ লাখ ডলারের লেনদেন লাগে, তাই কাউন্টার চালাতে হলে নিয়মিত যাত্রী লাগবে।
- খুব উপযোগীঢাকা · বিমানবন্দর, দূতাবাস ও ট্রাভেল এজেন্সির শহর — বিদেশগামী যাত্রীর সবচেয়ে বড় ভিড় এখানেই। তবে নবায়নের শর্তও এখানে কড়া: ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বছরে অন্তত ৫ লাখ ডলারের লেনদেন দেখাতে হয়।
- খুব উপযোগীসিলেট · যুক্তরাজ্য ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা পরিবারের যাতায়াত বেশি, আর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে। ঢাকা-চট্টগ্রামের বাইরে বলে নবায়নের সীমা এখানে বছরে ৩.৫ লাখ ডলার।
- সম্ভবকক্সবাজার · বিদেশি পর্যটক আসেন, আর নিয়মে পর্যটকের অব্যবহৃত টাকা ৫০০ ডলার পর্যন্ত ফেরত দেওয়ার সুযোগ আছে। তবে পর্যটনের মৌসুম ছাড়া লেনদেন কমে যায়, আর তাতে নবায়নের সীমা ছোঁয়া কঠিন।
- সম্ভবযশোর · বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতগামী ও ভারত-ফেরত যাত্রীর চলাচল — নোট কেনা ও বেচা দুই দিকেই চাহিদা থাকে।
- সম্ভবমৌলভীবাজার · প্রবাসী পরিবারের ঘনত্ব বেশি, সিলেট বিমানবন্দর কাছে। তবে বছরের লেনদেন ৩.৫ লাখ ডলারে পৌঁছানোই এখানে আসল পরীক্ষা।
- কম উপযোগীচাঁপাইনবাবগঞ্জ · সোনামসজিদ স্থলবন্দর থাকলেও যাত্রী চলাচল সীমিত, আর কাছাকাছি বড় বিমানবন্দর নেই।
- কম উপযোগীদিনাজপুর · হিলি স্থলবন্দর আছে, কিন্তু সেখানে বেশির ভাগ চলাচল পণ্যের, যাত্রীর নয়। যাত্রীর সংখ্যা কম হলে নবায়নের ৩.৫ লাখ ডলারের সীমা ছোঁয়া কঠিন।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্স ছাড়া বা লাইসেন্সের শর্ত ভেঙে মুদ্রা কেনাবেচা ফৌজদারি অপরাধ। বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭-এর ২৩ ধারায় বিচার হয় আলাদা ট্রাইব্যুনালে, সাজা অনূর্ধ্ব সাত বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা দুটোই, আর যে মুদ্রা নিয়ে অপরাধ তা বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া যায়। কোম্পানি হলে পরিচালক ও ব্যবস্থাপক যাঁরা জেনেশুনে জড়িত তাঁরাও একই সাজা পান।
- বেশিচাহিদা: হুন্ডি এই ব্যবসার আসল প্রতিদ্বন্দ্বী, আর সে কোনো নিয়ম মানে না বলে বেশি দর দিতে পারে। বৈধ কাউন্টারকে অ্যাসোসিয়েশনের বেঁধে দেওয়া সর্বোচ্চ দরের মধ্যে থাকতে হয়, প্রতিটি লেনদেন অনলাইনে তুলতে হয় আর পাসপোর্টে এনডোর্স করাতে হয়। যে গ্রাহক কাগজপত্রের ঝামেলা চান না, তিনি হুন্ডির দিকেই যান। হুন্ডি নিজে একই আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- বেশিচলতি মূলধন: লাভ আসে প্রতি ডলারে এক টাকা, প্রায় ০.৮ শতাংশ। মাসে ৳১ লাখ মোট আয় তুলতে হলে প্রায় ১ লাখ ডলার ঘোরাতে হয়। অথচ দিনের শেষে হাতে ২৫,০০০ ডলারের বেশি রাখা যায় না — অর্থাৎ একই পুঁজি বারবার ঘোরাতে হয়, আর যেদিন যাত্রী কম সেদিন পুঁজি বসে থাকে কিন্তু ভাড়া ও বেতন চলতেই থাকে।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্স নবায়নের জন্য লেনদেনের পরিমাণ দেখাতেই হয় — ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বছরে ৫ লাখ ডলার, অন্য এলাকায় ৩.৫ লাখ ডলার। এই লক্ষ্যে না পৌঁছালে নবায়নের অযোগ্য ধরা হয়। অর্থাৎ ব্যবসা খারাপ গেলে শুধু আয় কমে না, লাইসেন্সটাই চলে যায়।
- মাঝারিঅন্যান্য: জাল নোট ধরা পড়লে ক্ষতিটা পুরোপুরি কাউন্টারের। বড় নোটের এক বান্ডিল জাল হলে সেদিনের নয়, কয়েক সপ্তাহের লাভ চলে যায়, কারণ প্রতি ডলারে লাভ মাত্র এক টাকা। এ ছাড়া প্রতিটি বিক্রির পাসপোর্ট পাতার ফটোকপি পাঁচ বছর রাখতে হয়; পরিদর্শনে কাগজ না মিললে লাইসেন্স স্থগিত হতে পারে।
সূত্র
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: requirements.LICENSE · বাংলাদেশ
BB fixes passport endorsement fee at Tk 300 for money changers (FEPD-2 circular, 7 January 2026)
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: bn.description · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: requirements.LICENSE · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, নগদ চক্র, দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা, মাসিক চলতি মূলধন, risks.COMPLIANCE, steps · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: requirements.LICENSE · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: risks.COMPLIANCE · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: risks.DEMAND · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: requirements.LICENSE · ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকা
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ ও ফি
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: requirements.LICENSE · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাট্রাভেল এজেন্সি
টিকিট, ভিসা ও হজ-ওমরাহ প্যাকেজের ব্যবসা। মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনে লাগে ৳৬২,৫০০, তিন বছর পর নবায়ন ৳২৫,০০০, আর ২০২৬ সালের অধ্যাদেশে ১০ লাখ টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি বাধ্যতামূলক।
- পুঁজি
- ৳১২ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১২০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাট্রাক ও পিকআপ ভাড়া
ট্রাক বা পিকআপ দিয়ে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা। ডিজেল সরকারি দরে ৳১১৫ লিটার, কিন্তু ট্রাকভাড়ার কোনো সরকারি তালিকা নেই — দর-কষাকষিই ভরসা।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ২ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাসমিতি ও ক্ষুদ্রঋণ
সমিতি গড়ে সঞ্চয় ও ছোট ঋণ। এমআরএ-র সনদ বাধ্যতামূলক, আর ৪ নভেম্বর ২০২৪ থেকে নতুন সনদের আবেদনই বন্ধ। সার্ভিস চার্জের সর্বোচ্চ সীমা ক্রমহ্রাসমান ২৪ শতাংশ।
- পুঁজি
- ৳১৫ লাখ – ৳৫২ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৩৫ – ৭০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাট্যুর অপারেটর
ভ্রমণের দল নিয়ে যাওয়ার ব্যবসা। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের নিবন্ধন ছাড়া এটি আইনসম্মত নয়, আর ২০২৪ সালের বিধিমালা অনুযায়ী আবেদনেই লাগে ৳৩,০০,০০০ অফেরতযোগ্য ফি, ৳১০,০০,০০০ ব্যাংক সলভেন্সি ও ৳৫০,০০০ জামানত।
- পুঁজি
- ৳৩.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ৩৬৫ দিন
