যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের হাওরপারের একজন দোকানি
এনজিওর ২০ হাজার টাকায় ঘরের দোকান, মাসে ৫–৬ হাজার আয়
হাওরপারে নিজের ঘরের এক অংশে মুদিদোকান। এনজিওর ২০,০০০ টাকা ঋণ দিয়ে শুরু, চার বছর ধরে চলছে, মাসে আয় ৫,০০০–৬,০০০ টাকা।
মৌলভীবাজারের কাউয়াদিঘি হাওরের পারে বছরের বড় একটা সময় পানি থাকে, হাতে নিয়মিত কাজ থাকে না। সেখানকার ৪০ বছর বয়সী এই নারী একটি এনজিও থেকে ২০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে নিজের ঘরেরই এক অংশে ছোট দোকান বসিয়েছেন — লবণ, মরিচ, তেল, বিস্কুট, চানাচুর, চিপসের মতো রোজকার জিনিস। ঘরেই দোকান বলে ভাড়া গুনতে হয় না, ঋণের পুরো টাকাটাই মালামালে বসেছে। চার বছর ধরে দোকান চলছে, এখন মাসে আয় ৫,০০০–৬,০০০ টাকা। এনজিওর প্রশিক্ষণে খাতায় হিসাব লিখে রাখাও শিখেছেন। দোকান আরও বড় করার ইচ্ছা আছে, তবে নতুন করে ঋণ নিতে তিনি রাজি নন।
যা শেখার আছে
- ১.ঘরের ভেতরে দোকান বসালে ভাড়া লাগে না, তাই ছোট ঋণের পুরোটাই মালামালে দেওয়া যায়
- ২.এক কামরার মুদিদোকান মাসে ৫–৬ হাজার টাকা দেয় — এটা সংসারের বাড়তি আয়, পুরো সংসারের খরচ নয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
