মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের একজন রিসোর্ট পরিচালক

দেড় মাস ধরে লোকসান, ছয় মাস-এক বছর আগের বিদেশি বুকিংও বাতিল

শ্রীমঙ্গল এলাকায় হোটেল-রিসোর্ট প্রায় ১০০টি। কোটা আন্দোলন শুরু হতেই পর্যটন পড়তে থাকে; ছয় মাস থেকে এক বছর আগে বুকিং দেওয়া বিদেশি পর্যটকেরা বাতিল করেন, ঝুঁকিতে পড়ে নভেম্বর-ফেব্রুয়ারির ভরা মৌসুম।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা-বাগানকেন্দ্রিক পর্যটন ঘিরে গড়ে উঠেছে প্রায় ১০০টি হোটেল ও রিসোর্ট। দুটি রিসোর্ট পরিচালনা করা এই ব্যবসায়ী বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই লোকসান শুরু হয় এবং প্রতিবেদন প্রকাশের সময় তা প্রায় দেড় মাস ধরে চলছিল; তাঁর ভাষায়, "কোটা আন্দোলনের শুরু থেকেই হঠাৎ করে আমরা পর্যটনে লোকসান গুনতে শুরু করি"। বিদেশি পর্যটকেরা সাধারণত ছয় মাস থেকে এক বছর আগে বুকিং দেন; আন্দোলন আর সরকার পরিবর্তনের পর নিরাপত্তার কথা ভেবে তাঁরা বুকিং বাতিল করেন, দেশি পর্যটকেরাও আসা বন্ধ করে দেন। ট্রেন আর বাস চলাচল অনিয়মিত হয়ে পড়ায় যাঁরা আসতে চেয়েছিলেন, তাঁদের পক্ষেও আসা কঠিন হয়ে যায়। এলাকার অন্য রিসোর্ট মালিক আর ট্যুর অপারেটরদের সংগঠনের সম্পাদকও একই চিত্র দিয়েছেন — ঝুঁকিতে পড়ে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির ভরা মৌসুম। রিসোর্টের আয় যেহেতু মাস কয়েক আগেই বুকিং হিসেবে বাঁধা পড়ে, কয়েক সপ্তাহের অস্থিরতা কয়েকটি রাত নয়, গোটা মৌসুমটাই বাতিল করে দেয়।

যা শেখার আছে

  1. ১.রিসোর্টের আয় কয়েক মাস আগেই বুকিং হিসেবে বাঁধা পড়ে, তাই কয়েক সপ্তাহের অস্থিরতা কয়েকটি রাত নয়, গোটা মৌসুম বাতিল করে
  2. ২.সম্পত্তির মতোই জরুরি যাতায়াত — ট্রেন-বাস বন্ধ হলে খোলা রিসোর্টও ফাঁকা পড়ে থাকে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।