উৎপাদন খরচ কেজিতে ৬৫–৭০ টাকা, কিন্তু উপজেলায় কেনার লোকই নেই
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর এক ডিপ্লোমা শিক্ষার্থী সফলভাবে মাশরুম ফলালেও এলাকায় মাশরুম অপরিচিত, হোটেল-রেস্তোরাঁয় ঘুরেও ক্রেতা পাচ্ছেন না।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌর এলাকার ২৭ বছরের এক ডিপ্লোমা শিক্ষার্থী পরিবারকে সাহায্য করতে বাড়িতে পরীক্ষামূলকভাবে মাশরুম চাষ শুরু করেন। দিনাজপুর হর্টিকালচার সেন্টার ও উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শে স্পন সংগ্রহ করে উঠানের নির্মাণাধীন আধাপাকা একটি কক্ষে বাঁশে ঝুলিয়ে চাষ করেন। জানুয়ারিতে উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু, ফেব্রুয়ারিতেই মাশরুম তোলার উপযুক্ত হয়। তিনি যখন হোস্টেলে থাকতেন, মা-বাবা দুবেলা স্পনে পানি স্প্রে করতেন। তাঁর হিসাবে কেজিপ্রতি উৎপাদন খরচ ৬৫–৭০ টাকা, পাইকারি বিক্রির লক্ষ্য ২৫০–৩০০ টাকা। কাগজে লাভ বড়, কিন্তু সমস্যা বাজার: ফুলবাড়ীতে মাশরুমের পরিচিতি নেই, স্থানীয়রা অনেকে জানেনই না এটা খাবার। হোটেল ও রেস্তোরাঁয় যোগাযোগ করেও তেমন সাড়া মেলেনি; কয়েকজন নমুনা চেয়েছেন, উত্তরের অপেক্ষায় আছেন। সহজ শর্তে ঋণ বা সরকারি সহায়তা পেলে বড় পরিসরে করার ইচ্ছা আছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন, তাঁকে আরও দক্ষ করতে মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
যা শেখার আছে
- ১.চাষ শুরুর আগেই কারা কিনবে তা ঠিক করুন; যেখানে মাশরুম অপরিচিত সেখানে উৎপাদন সহজ, বিক্রি কঠিন।
- ২.কাঁচা মাশরুম দ্রুত নষ্ট হয়; স্থানীয় ক্রেতা না থাকলে শুকানো বা শহরের বাজারে পাঠানোর পরিকল্পনা রাখুন।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
