ছয়জনের টিনের ঘর থেকে পাঁচতলা, দিনে ৭০০–৮০০ জনের খাবার
খাসির বিরিয়ানি প্লেট ২০০ টাকা, মুরগির পোলাও ও কাচ্চি ১৮০ টাকা; দুপুর-রাত মিলিয়ে দিনে খান ৭০০–৮০০ জন। ১৯৭৪ সালে ছয়জনের টিনের ঘরে শুরু, এখন পাঁচতলা ভবন আর ২৫ জন কর্মী।
নওগাঁ শহরের ধর্মতলা রোডে প্রায় ৭৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তি ১৯৭৪ সালে ছয়জন বসার মতো একটি টিনের ঘরে খাবারের দোকান খুলেছিলেন। পঞ্চাশ বছর পর সেই হোটেল এখন পাঁচতলা ভবনে, একসঙ্গে বসতে পারেন ৬০–৬৫ জন, আর দুপুর ও রাত মিলিয়ে দিনে খান ৭০০–৮০০ জন। খাসির বিরিয়ানি প্লেট ২০০ টাকা, মুরগির পোলাও আর কাচ্চি ১৮০ টাকা। রান্নাঘরে দিনে লাগে বিরিয়ানি-কাচ্চি-পোলাওয়ের জন্য ৮০ কেজি চাল, সঙ্গে সাদা ভাতের আরও ৬০ কেজি, ৭০–৭৫ কেজি খাসির মাংস আর ৮০–৯০টি মুরগি; কর্মী ২৫ জন। দুই ছোট ভাইকে নিয়ে হোটেলটি চালান, আর তাঁর ভাষায়, "এখনো সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করি।" আয়, মুনাফা বা হোটেলটি দাঁড় করাতে কত টাকা লেগেছে — প্রতিবেদনে এসবের কোনো অঙ্কই নেই, আছে শুধু দাম আর পরিমাণের হিসাব।
যা শেখার আছে
- ১.এক পদের সুনাম জমতে জমতে বড় হয় — এক জায়গায় পঞ্চাশ বছরে ছয়টি আসন দিনে ৭০০–৮০০ জনে দাঁড়িয়েছে, দ্বিতীয় শাখা ছাড়াই
- ২.বিরিয়ানির হোটেলের আসল নিয়ন্ত্রণ দৈনিক কাঁচামালের হিসাবে — ৮০ কেজি চাল, ৭০–৭৫ কেজি মাংস জানা না থাকলে প্লেটের দামে কিছু আসে-যায় না
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
