চিড়া কেজি ৪০–৪২ টাকা, পাশের মুড়ি ৪৫–৫০ — মুদিদোকানিরা আর চিড়া চান না
ফতুল্লার পাইকারি বাজারে চিড়া যাচ্ছে কেজি ৪০–৪২ টাকায়, আর মুড়ি ৪৫–৫০ টাকায় (খুচরায় ৫০–৭০)। এক মণ চাল থেকে মুড়ি হয় ২৮–৩০ কেজি; চাহিদা সরে যাওয়ায় চিড়ার মিলগুলো বসে যাচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাইকারি বাজারে চিড়ার মিলগুলো বাজার হারাচ্ছে, অথচ পাশের পণ্য মুড়ির চাহিদা বাড়ছে। পাইকারিতে চিড়া বিক্রি হচ্ছে কেজি ৪০–৪২ টাকায়, আর মুড়ি ৪৫–৫০ টাকায়; খুচরায় মুড়ি ৫০–৭০ টাকা। এক মণ চাল থেকে মুড়ি হয় ২৮–৩০ কেজি, ফলে মুড়ির হিসাবটা মিলমালিকদের কাছে পরিষ্কার। এখানকার এক চিড়া মিলের মালিকের কথায়, "চিড়া এখন তেমন বিক্রি হচ্ছে না। মুদি দোকানীদের এখন আর চিড়ার চাহিদা নেই।" মিলের যন্ত্রপাতি আগের মতোই আছে, ক্রেতাও সেই একই মুদিদোকানিরা — বদলেছে শুধু মানুষ কী কিনতে চায়। একটি পণ্যের জন্য বানানো মিল অন্য পণ্যে ঘোরানো সহজ নয়, তাই যন্ত্রটাই এখানে বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিলের পুঁজি, মালিকদের আয় বা কারখানা বন্ধের সংখ্যা প্রতিবেদনে বলা নেই।
যা শেখার আছে
- ১.এক পণ্যের জন্য বানানো মিল রুচি বদলে গেলে সম্পদ নয়, ফাঁদ হয়ে দাঁড়ায়
- ২.কী বানাতে পারেন তা নয়, খুচরা ক্রেতা কী আবার অর্ডার করছেন সেটাই দেখুন — মুদিদোকানিরা চিড়া চাওয়া বন্ধ করেছেন মিল বন্ধ হওয়ার অনেক আগে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
