গত বছর ৫০০ টন, এবার ২০০ টনও হবে না
নাজিরারটেকের এই শুঁটকিমহালে গত বছর প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন শুঁটকি হয়েছিল, এবার ২০০ টনও হবে না। উপকূলে মাছ না থাকায় প্রায় ৭০০টির মধ্যে ৬০০টি মহালেই উৎপাদন বন্ধ।
কক্সবাজারের নাজিরারটেক শুঁটকিমহালে এই ব্যবসায়ীর শুকানোর আঙিনায় গত বছর প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন শুঁটকি হয়েছিল; এবার তিনি ২০০ টনও আশা করছেন না। কারণটা সহজ — তাঁর ভাষায়, "এখন শুঁটকি উৎপাদনের ভরমৌসুম। কিন্তু কক্সবাজার উপকূলে মাছ নেই।" তিনি একা নন: এলাকার প্রায় ৭০০টি মহালের মধ্যে ৬০০টিই কাঁচা মাছের অভাবে উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। স্বাভাবিক মৌসুমে যেখানে ৫৫,০০০ মেট্রিক টন শুঁটকি হয়, যার দাম ৩৫০ কোটি টাকা, সেখানে জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হয়েছে মাত্র ২০,০০০ টন। এখন যা শুকানো হচ্ছে তার ৮০ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা মাছ, স্থানীয় উপকূলের মাছ মাত্র ২০ শতাংশ। নয়টি উপজেলার ৬,০০০ ট্রলার আর মহালের ৪৫,০০০ শ্রমিক এই সরবরাহের ওপরেই দাঁড়িয়ে।
যা শেখার আছে
- ১.শুকানোর আঙিনার নিজের নৌকা নেই — মাছ না উঠলে বিকল্প কিছু নেই, আঙিনা খালি পড়ে থাকে
- ২.একটিমাত্র স্থানীয় সরবরাহের ওপর দাঁড়ানো কারখানার পেছনে ফেরার জায়গা থাকে না — ৭০০-র মধ্যে ৬০০টি একসঙ্গে বন্ধ হয়েছে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
