২০১৮ সালে ফেসবুক পেজে শুরু; এখন পেজ ও ওয়েবসাইটে দিনে গড়ে প্রায় ২০০ অর্ডার
চট্টগ্রামের এক অনলাইন পোশাক বিক্রেতা ২০১৮ সালে ফেসবুক পেজ দিয়ে শুরু করে এখন নিজের ওয়েবসাইটও চালান। ঈদে বিক্রি বাড়লেও সার্বিকভাবে অনলাইন ব্যবসায় বিক্রি কিছুটা কমছে, বলছেন ই-ক্যাব নেতা।
চট্টগ্রামের এক উদ্যোক্তা ২০১৮ সালে ফেসবুক পেজ খুলে অনলাইনে পোশাক বিক্রি শুরু করেন। এখন পেজের পাশাপাশি ‘সুন্দরী’ নামে তাঁর ওয়েবসাইটও আছে। তিনি জানান, করোনার পর মানুষ অনলাইনে কেনাকাটার দিকে ঝুঁকেছে, আর এখন পেজ ও ওয়েবসাইট মিলিয়ে গড়ে দিনে প্রায় ২০০ জন পণ্য অর্ডার করেন। রোজার আগে থেকেই ঈদকে ঘিরে ছাড় দেওয়া হয়; শাড়ি, কুর্তা, সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি, গয়না ও জুতার চাহিদা থাকে, আর এবার ছেলেদের পাঞ্জাবি-শার্ট, পাকিস্তানি সালোয়ার-কামিজ ও ভারতীয় কুর্তার বেচাকেনা বেড়েছে। অনলাইন শপে ক্রেতারা ছাড় ও বিনা মূল্যে পরিবহন পান এবং বেশির ভাগ শপে পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দেওয়া যায়, ফলে প্রতারিত হওয়ার ভয় কম; এমএফএস ও কার্ডেও দাম দেওয়া যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে কার্ডে ই-কমার্সে লেনদেন হয়েছে প্রায় ১০ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা, আগের বছরের একই সময়ের ৭ হাজার ৭২৭ কোটি টাকার চেয়ে বেশি। তবে ই-ক্যাবের চট্টগ্রাম জোনাল কমিটির এক কর্মকর্তা জানান, ঈদ ঘিরে বিক্রি বাড়লেও সার্বিকভাবে কিছুটা কমেছে, ফলে অনেক উদ্যোক্তা আগ্রহ হারাচ্ছেন। ই-ক্যাবের সহায়তায় উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
যা শেখার আছে
- ১.ফেসবুক পেজের পর নিজের ওয়েবসাইট যোগ করলে ক্রেতার কাছে পৌঁছানোর পথ বাড়ে; এখানে দুই মাধ্যম মিলিয়ে দিনে প্রায় ২০০ অর্ডার।
- ২.পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দেওয়ার সুযোগ রাখলে অনলাইন ক্রেতার ভয় কমে ও আস্থা বাড়ে।
- ৩.ঈদের আগে ছাড় ও নতুন ধরনের পোশাক রাখলে বিক্রি বাড়ে, কিন্তু সারা বছরের বিক্রি কমলে শুধু উৎসবের ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
