মিশ্র অভিজ্ঞতাদৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিবেদনে পাবনার একজন মুচি
কাজপ্রতি ২৫ পয়সা থেকে ১০ টাকা, ৪০ বছরে ছেলেকে মাস্টার্স
শুরুর দিকে প্রতি কাজে মিলত ২৫ পয়সা থেকে ২ টাকা; ৪০ বছর পর সর্বনিম্ন মজুরি ১০ টাকা। এই আয়েই ছেলেকে মাস্টার্স পড়িয়েছেন, মেয়েদের পড়িয়ে বিয়ে দিয়েছেন।
পাবনা সদরের জালালপুর (বকশিপাড়া) বাজারে এই মুচি ৪০ বছর ধরে জুতা-স্যান্ডেল সেলাই আর রং করেন। কাজ শুরুর সময় প্রতি কাজে পেতেন ২৫ পয়সা থেকে ২ টাকা; এখন সর্বনিম্ন নেন ১০ টাকা। এই সামান্য আয় থেকেই তিনি ছেলেকে মাস্টার্স পর্যন্ত পড়িয়েছেন এবং মেয়েদের পড়িয়ে বিয়ে দিয়েছেন। বাজারের খদ্দেররা বলেন, তাঁর সেলাই যত্ন করে করা আর অনেক দিন টেকে। বছর দশেক আগে থেকে এ পেশাকে মানুষ যেভাবে দেখে, সেটিও বদলেছে বলে তিনি জানান। কাজপ্রতি দাম বলতে গেলে বাড়েনি — এ পেশা বাড়ে কাজের সংখ্যা আর সুনামে।
যা শেখার আছে
- ১.কাজপ্রতি দাম খুব কম হলেও কাজ নিয়মিত থাকলে আর সংসারের খরচ কম রাখলে সংসার চলে যায়
- ২.৪০ বছরে দাম উঠেছে ১০ টাকায় — এ পেশায় আয় বাড়ে দাম বাড়িয়ে নয়, কাজের সংখ্যা আর সুনামে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
