ভাড়া মেটাতে বিক্রি হলো স্কুলের আসবাব, তবু বন্ধ — কাজ হারালেন ১৬ জন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পরও প্রায় এক বছর স্কুলটি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলে। শিক্ষার্থীদের বেতন না আসায় ভবনভাড়া মেটাতে আসবাব বিক্রি করতে হয়; শেষে স্কুল বন্ধ, ১৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী কাজহারা।
পাবনার এই কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পরও প্রায় এক বছর স্কুলটি চালু রাখার চেষ্টা করেছেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন আসেনি, অথচ ভবনভাড়া মাসে মাসে জমতে থাকে; শেষ পর্যন্ত সেই ভাড়া মেটাতে স্কুলের আসবাবই বিক্রি করে দিতে হয়। তাতেও স্কুল টেকেনি — প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৬ জন শিক্ষক ও কর্মচারী কাজ হারান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাবনার ৯ উপজেলার ২৫০টি কিন্ডারগার্টেনের ৫৫টি একইভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। জেলার প্রায় ৪ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে প্রায় ৮০০ জন বেকার হয়ে পড়েন, যাঁদের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ। জেলার কিন্ডারগার্টেন সমিতির সভাপতি বলেছেন, সরকারি সহায়তা অনেক খাতে গেলেও বেসরকারি এই স্কুলগুলোতে আসেনি।
যা শেখার আছে
- ১.ভাড়া করা ঘরে স্কুল মানে প্রতি মাসের নির্দিষ্ট খরচ — বেতন আদায় বন্ধ হলে কয়েক মাসেই মালিকের পুঁজি শেষ হয়ে যায়
- ২.ভাড়া মেটাতে আসবাব বিক্রি বন্ধ হওয়ার আগের শেষ ধাপ — আসবাব ছাড়া স্কুল আর খোলাও যায় না
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
