৪ লাখ ৭০ হাজারের পেঁয়াজ, ঘরে রাখা ৪৫০ মণের ৯০ শতাংশই পচে গেছে
সাড়ে চার একরে ৪,৭০,০০০ টাকা খরচ করে পেঁয়াজ হয়েছিল ৬০০ মণ। দাম ওঠার আশায় ৪৫০ মণ ঘরে রাখলে তার প্রায় ৯০ শতাংশ পচে যায়; মৌসুম শেষে ১,০০,০০০ টাকার কমই হাতে আসবে বলে তিনি ধরছেন।
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার এই চাষি সাড়ে চার একর জমিতে ৪,৭০,০০০ টাকা খরচ করে পেঁয়াজ তোলেন, ফলন হয়েছিল ৬০০ মণ। দাম একটু ওঠার আশায় ৪৫০ মণ ঘরে তুলে রেখেছিলেন, কিন্তু সেই মজুতের প্রায় ৯০ শতাংশই পচে যায়। এখন তিনি ধরে রেখেছেন, সাড়ে চার লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের বিপরীতে মৌসুম শেষে হাতে আসবে ১,০০,০০০ টাকারও কম। বাজারে মানভেদে দর ছিল মণপ্রতি ৭০০ থেকে ১,০৫০ টাকা, আগের বছরের একই সময়ের প্রায় অর্ধেক; দেশে উৎপাদনও বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩১ লাখ ৪০ হাজার টনে, আগের বছর যা ছিল ২৯ লাখ ৯০ হাজার টন। একই প্রতিবেদনে পাবনার চাষিরা জানিয়েছেন, নিজের জমিতে কেজিপ্রতি খরচ ২৮–৩০ টাকা আর বর্গা জমিতে ৩৮–৪০ টাকা, অথচ বাজার দিচ্ছে বড়জোর ২৫ টাকা। তাঁর কথায়, "এ বছর পেঁয়াজ চাষিদের আর ঈদ বলে কিছু নেই।"
যা শেখার আছে
- ১.কম দাম এড়াতে পেঁয়াজ ঘরে তুলে রাখাটাও একটা জুয়া — ৪৫০ মণের ৯০ শতাংশ পচে গিয়ে দামের ক্ষতি প্রায় সর্বনাশে বদলে গেছে
- ২.বর্গা জমিতে খরচ কেজিতে ৩৮–৪০ টাকা, নিজের জমিতে ২৮–৩০ — অতিফলনের বছরে বর্গাচাষিই আগে ছিটকে পড়েন
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
