মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে পটুয়াখালীর দুই তরুণ কেক উদ্যোক্তা · ২০১৯ সালে শুরু

৫,০০০ টাকা আর একটি ফেসবুক পেজ, এখন মাসে বিক্রি ১৬–২০ লাখ

২০১৯ সালে ৫,০০০ টাকায় ফেসবুক পেজ খুলে শুরু; প্রথম দিকে ঢাকা থেকে লঞ্চে কেক আনিয়ে বিক্রি। এখন পটুয়াখালী ও বরগুনায় ৪টি দোকান, ৩৫ জন কর্মী আর মাসে বিক্রি ১৬,০০,০০০–২০,০০,০০০ টাকা।

পটুয়াখালীতে জন্মদিনের জন্য ভালো একটি কেক খুঁজে না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের দুই বন্ধু ২০১৯ সালে ৫,০০০ টাকা, একটি ফেসবুক পেজ আর একটি লোগো নিয়ে কেক বিক্রি শুরু করেন। শুরুতে নিজেরা কিছু বানাতেন না — ঢাকা থেকে লঞ্চে কেক আনিয়ে জেলা শহরে পৌঁছে দিতেন, অর্থাৎ রান্নাঘর বানানোর আগেই বোঝা গিয়েছিল ক্রেতা আছে কি না। মহামারিতে ডেলিভারির কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা দোকানের দিকে যান। এখন পটুয়াখালীতে দুটি ও বরগুনায় দুটি — মোট ৪টি শাখা, ৩৫ জন কর্মী আর একটি করপোরেট অফিস; মাসে বিক্রি ১৬,০০,০০০ থেকে ২০,০০,০০০ টাকা। মাসিক মুনাফা বা প্রথম আয় আসতে কত সময় লেগেছে, প্রতিবেদনে তা নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.নিজে বানানোর আগে অন্যের পণ্য এনে বিক্রি করাই সবচেয়ে সস্তা পরীক্ষা — প্রথম কেকগুলো এসেছিল ঢাকা থেকে লঞ্চে
  2. ২.জেলা শহরে ভালো সরবরাহকারী না থাকা মানেই সুযোগ — ৫,০০০ টাকাই যথেষ্ট ছিল কেউ কিনবে কি না তা জানতে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।