মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিআমার সংবাদের প্রতিবেদনে পিরোজপুরের ইন্দুরকানীর সুপারিচাষি ও বাজারের ব্যবসায়ীরা

২০টি সুপারির দাম ৭০০–৮০০ থেকে নেমে ২০০–৩০০ টাকা

ইন্দুরকানীতে ফলন গত বছরের চেয়ে ভালো হলেও ২০টি সুপারির দাম ৭০০–৮০০ টাকা থেকে নেমে ২০০–৩০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় এবার সুপারির ফলন গত বছরের চেয়ে ভালো হয়েছে, কিন্তু দাম ভেঙে পড়েছে — ২০টি সুপারির দর ৭০০–৮০০ টাকা থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে ২০০–৩০০ টাকায়। দুই বিঘা জমিতে সুপারি করা একজন চাষি, যাঁর সংসারই চলে এই ফসলে, ভালো ফলনের পরও ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ। ঘোষেরহাট বাজারের একজন ব্যবসায়ী বলছেন, রংপুর, চট্টগ্রাম আর খুলনা থেকে প্রচুর সুপারি ঢুকে পড়ায় স্থানীয় বাজারে পাইকারি চাহিদা শেষ হয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ভালো ফলনের কথা মানলেও দাম কেন পড়ল তার কোনো তথ্য তাঁর কাছে নেই। সুপারি ধরে রাখার মতো পণ্য নয়, তাই ভালো ফলনই এখানে ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যা শেখার আছে

  1. ১.যে ফসল ধরে রাখা যায় না, তাতে ভালো ফলন মানেই ভালো আয় নয় — দামই ভেঙে পড়ে
  2. ২.অন্য জেলার মাল ঢুকে স্থানীয় বাজার রাতারাতি ভেঙে দিতে পারে, তাই গত বছরের দাম ধরে মাল কেনা বিপজ্জনক

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।