১০ হাজার টাকা ঋণে পুরোনো প্লাস্টিকের ব্যবসা, এখন লাখ টাকার বেচাকেনা
বগুড়ার শিবগঞ্জের এক ব্যবসায়ী ২০১১ সালে ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পুরোনো প্লাস্টিক কেনাবেচা শুরু করেন। প্রতি লাখ টাকার বিক্রিতে তাঁর লাভ ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।
বগুড়ার শিবগঞ্জ পৌরসভার দহিলা গ্রামের এক ব্যক্তি চার সন্তান নিয়ে অভাবে দিন কাটাতেন। কয়েকজনের অনুপ্রেরণায় ২০১১ সালে তিনি ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে বিহার রোডসংলগ্ন দহিলায় ছোট পরিসরে পুরোনো প্লাস্টিকের ব্যবসা শুরু করেন। আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি গ্রামগঞ্জের ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে শ্রেণি অনুযায়ী কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকায় পুরোনো প্লাস্টিক কেনেন। এরপর বাছাই করে মেশিনে কাটেন, ভালো করে ধুয়ে মেশিনে গুঁড়ো করেন এবং বস্তায় ভরেন; প্রতি বস্তায় থাকে ২০ থেকে ৩০ কেজি গুঁড়ো। প্রতি বস্তা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় বগুড়া ও ঢাকার ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি হয়। সব খরচ বাদে প্রতি এক লাখ টাকার প্লাস্টিক বিক্রিতে তাঁর লাভ থাকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এখন তিনি লাখ টাকার ব্যবসা করছেন, দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন, ছেলেদের পড়াশোনাও শিখিয়েছেন। ছোট ছেলে কাজে সহযোগিতা করে। শিবগঞ্জে তাঁর মতো আরও ১০ জন খুচরা প্লাস্টিক ব্যবসায়ী আছেন এবং উপজেলায় এমন ১০টি কারখানা গড়ে উঠেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বলেন, এই ব্যবসায়ীরা পরিত্যক্ত জিনিস সংগ্রহ করে পরিবেশের উপকার করছেন।
যা শেখার আছে
- ১.খুব ছোট ঋণে শুরু করা যায়, কারণ কাঁচামাল ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে কেজিতে কেনা হয়।
- ২.বাছাই, ধোয়া ও গুঁড়ো করার ধাপে মান ঠিক রাখলে কারখানার ক্রেতার কাছে বেশি দাম মেলে।
- ৩.লাভ প্রতি লাখে ১৫-২০ হাজার টাকা, তাই আয় বাড়াতে পরিমাণ বাড়াতে হয়; বিক্রির ক্রেতা আগে ঠিক রাখুন।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
