পুকুরের ওপর মাচায় মুরগি, নিচে মাছ; সঙ্গে ফিডের ডিলারশিপ, মাসে লাভ ২ লাখ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর এক তরুণ ছোট মুরগির খামার দিয়ে শুরু করে পুকুরের ওপর মাচায় ব্রয়লার, সোনালি ও লেয়ার এবং নিচে মাছ চাষ করছেন; মুরগি ও মাছের ফিডের ডিলারও হয়েছেন।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার পশুরীবুনিয়া গ্রামের ৩২ বছরের এক তরুণ বেকারত্ব থেকে বের হতে কয়েক বছর আগে বাড়িতে ছোট পরিসরে মুরগির খামার শুরু করেন। লাভ দেখে ধাপে ধাপে মাছ ও গাভি যোগ করেন। এখন পুকুরের মাঝখানে বাঁশ ও সুপারি গাছের মাচায় ব্রয়লার, সোনালি ও লেয়ার মুরগি পালন হয়, আর নিচের পুকুরে পাঙাশ, শিং ও মাগুর। পৈতৃক ৬০ শতাংশ জমিতে মাছ, মুরগি, গাভি, সবজি ও ফলের বাগান করেছেন। মুরগি ও ডিম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি হয়, মাছ স্থানীয় বাজারে। শুধু উৎপাদনে না থেকে তিনি লেয়ার, ব্রয়লার, সোনালি মুরগি ও মাছের ফিডের ডিলার হিসেবেও ব্যবসা বাড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, ‘প্রতি মাসে এখান থেকে দুই লাখ টাকা লাভ হয়।’ জায়গার অভাবে শাহীওয়াল জাতের গরু বিক্রি করে দিতে হয়েছে। খামারের একজন ম্যানেজারও আছেন। প্রতিবেদনে প্রাথমিক পুঁজির অঙ্ক বা খাতওয়ারি খরচের হিসাব দেওয়া নেই; লাভের অঙ্কটি উদ্যোক্তার নিজের বলা, এবং তা মুরগি, মাছ, গাভি ও ফিড ব্যবসা মিলিয়ে।
যা শেখার আছে
- ১.মুরগির খামারের পাশাপাশি ফিডের ডিলারশিপের মতো সহায়ক ব্যবসা থাকলে মুরগির দাম পড়ার সময়ও আয় পুরো বন্ধ হয় না।
- ২.ছোট শুরু করে লাভ দেখে ধাপে ধাপে বাড়ালে ঋণের চাপ কম থাকে।
- ৩.জায়গার সীমা মাথায় রেখে কোন খাত রাখবেন তা ঠিক করুন; এখানে জায়গার অভাবে গরু বাদ দিতে হয়েছে।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
