ব্রয়লার মুরগির খামার
এক দিনের বাচ্চা তুলে এক মাসে জ্যান্ত মুরগি বিক্রি। খামারে দাম ২০২৬ সালে কেজি ৳১১০ থেকে ৳১৯৮ পর্যন্ত উঠানামা করেছে, আর উৎপাদন খরচ প্রায় ৳১৪০।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

ব্রয়লার মুরগির খামার — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,৫০,০০০ – ৳৬,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩২ – ৬০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৬.৫ – ১৩.৫ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
এক দিনের বাচ্চা তুলে এক মাসের কিছু বেশি সময় খাইয়ে জ্যান্ত মুরগি বিক্রি করা — এটাই ব্রয়লার খামার। খামারির নিজের হাতে যা থাকে তা হলো পরিশ্রম আর পরিচ্ছন্নতা; দুটো সবচেয়ে বড় সংখ্যা তাঁর হাতে থাকে না — বাচ্চার দাম আর খাদ্যের দাম। আর এই দুটোই বছরে কয়েকবার বদলায়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এক দিনের ব্রয়লার বাচ্চা ছিল ৳২২–২৫, জানুয়ারিতে ৳৩০–৪০, আর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি ৳৮০–৮৫ — সরকারের বেঁধে দেওয়া সর্বোচ্চ দর ৳৬৯ থাকা সত্ত্বেও। সেই বাচ্চাই জুন মাসে নেমে আসে ৳১৫-এ। খাদ্যের দাম শুধু বাড়ে। ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ব্রয়লার স্টার্টার ও গ্রোয়ার ফিডের ৫০ কেজির বস্তা ৳৩,৩০০ থেকে বেড়ে ৳৩,৪৫০ হয়েছে, আর খামারের মোট খরচের প্রায় ৮০ ভাগই এই খাদ্য। বিক্রির দিকটাও একইরকম অনিশ্চিত। মার্চ ২০২৬-এ খামারে জ্যান্ত ব্রয়লারের দাম ছিল কেজি ৳১৮০–১৯৮, আর কোরবানির ঈদের পর জুনে তা নেমে দাঁড়ায় ৳১১০–১২০, যেখানে উৎপাদন খরচই প্রায় ৳১৪০। মিরসরাইয়ের একজন খামারি ১০০০ মুরগিতে এক ব্যাচেই ৳৭০,০০০ লোকসান দিয়েছেন। ঢাকায় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে খুচরা ব্রয়লার ছিল ৳১৮০–২০০, এক বছরে ৭ শতাংশ বেশি — কিন্তু খামারি ওই দাম পান না, পান খামারের গেটের দাম। যে খামারি পরপর দুই ব্যাচের লোকসান সামলাতে পারবেন, কেবল তাঁরই এখানে টিকে থাকার সম্ভাবনা আছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১৫,০০০ – ৳৮৫,০০০ | বাজারদর | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১১০ – ৳১৯৮ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৪০ / কেজি | বাজারদর | |
| মোট লাভের হার | -২৭% – ২৯% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩২ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৬.৫ – ১৩.৫ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ১ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৩৫ – ১৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ব্রুডার ও গ্যাস/বৈদ্যুতিক তাপের ব্যবস্থা, খাবারের পাত্র, পানির পাত্র, ফ্যান, তুষ বা কাঠের গুঁড়ার লিটার, আর ওজন মাপার দাঁড়িপাল্লা।যন্ত্রপাতি
- এক দিনের বাচ্চা আর ব্রয়লার ফিড। ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ব্রয়লার স্টার্টার ও গ্রোয়ার ফিডের ৫০ কেজির বস্তা ৳৩,৪৫০; বিশেষ কিছু ফিড ৳৩,৬৭৫ পর্যন্ত।শুরুর মাল
- খামার নিবন্ধন — উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়। মিরসরাইয়ে প্রায় ২,০০০ খামারের মধ্যে মাত্র ৪০০টি নিবন্ধিত, অর্থাৎ নিবন্ধন হয় কিন্তু বেশির ভাগ খামারি করান না। ফি ও মেয়াদ নিজ উপজেলা দপ্তর থেকে জেনে নিতে হবে।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
- ব্রুডিং, টিকা দেওয়া, গরম সামলানো আর রোগ চিনতে পারা। প্রথম সপ্তাহের যত্ন আর গরমের দিনের ব্যবস্থাপনাই মৃত্যুহার ঠিক করে।দক্ষতা
- হ্যাচারি বা বাচ্চার ডিলার, ফিড ডিলার, আর খামারের গেটে আসা জ্যান্ত মুরগির বেপারী। বাচ্চার দাম হাতে গোনা কয়েকটি কোম্পানি ঠিক করে।সরবরাহকারী
- বসতি থেকে দূরে শুকনো উঁচু জায়গায় মুরগির ঘর, পানি ও বিদ্যুৎসহ। গরমে বাতাস চলাচল না থাকলে দুপুরেই মুরগি মরে।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1বসতি থেকে একটু দূরে, শুকনো ও উঁচু জায়গায় ঘর তুলুন। পানি আর বিদ্যুৎ কাছে থাকতে হবে, আর বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
- 2উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে খামার নিবন্ধন করুন আর ট্রেড লাইসেন্স নিন। বহু খামার অনিবন্ধিত থেকে যায়, আর তখন সরকারি পরামর্শ, টিকা ও প্রণোদনার বাইরে পড়ে যায়।
- 3বাচ্চা তোলার আগে একজন ফিড ডিলার ঠিক করুন আর লিখিতভাবে জেনে নিন — বাকিতে নিলে বস্তায় কত বেশি পড়বে আর কত দিনের মধ্যে শোধ করতে হবে।
- 4বাচ্চা তোলার দিন ঠিক করুন দাম দেখে, আবেগ দেখে নয়। ৮০–৮৫ টাকায় বাচ্চা তুললে মুরগির দাম ১৮০ টাকা না হলে লাভ থাকে না।
- 5ঘর আগে থেকে জীবাণুমুক্ত করে ব্রুডার গরম করে রাখুন, তারপর বাচ্চা নামান। প্রথম সাত দিনেই বেশির ভাগ মৃত্যু হয়।
- 6টিকার তালিকা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে নিয়ে তারিখ ধরে ধরে দিন, আর প্রতিদিন কত মুরগি মরল তা খাতায় লিখুন।
- 7গরমের দিনে দুপুরে ফ্যান, ভেজা চট আর পানি দিয়ে ঘর ঠান্ডা রাখুন। বিদ্যুৎ গেলে যেন বাতাস বন্ধ না হয়, সেই ব্যবস্থা আগে থেকে রাখুন।
- 8প্রতিদিন কত বস্তা ফিড গেল আর কত ওজন বাড়ল তা লিখে রাখুন। এই দুটো সংখ্যার অনুপাতই বলে দেবে ব্যাচটা লাভে না লোকসানে যাচ্ছে।
- 9বিক্রির আগে অন্তত তিনজন বেপারীর দর নিন, আর এক দিনে পুরো ঘর খালি করার বদলে দাম দেখে ভাগে বিক্রির কথা ভাবুন।
- 10ব্যাচ শেষে ঘর পুরোপুরি খালি করে ধুয়ে, জীবাণুমুক্ত করে অন্তত কিছুদিন ফেলে রাখুন। আগের ব্যাচের রোগ নতুন বাচ্চায় গেলে পুরো ব্যাচ শেষ।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাইকম
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেকম
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · মিরসরাই উপজেলাতেই প্রায় ২,০০০ খামার; স্থানীয় খামার সমিতি আছে আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেপারীর যাতায়াত বেশি।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · ঢাকার লাগোয়া হওয়ায় বেপারী ও আড়তদার প্রতিদিন আসেন, আর বাচ্চা ও ফিডের ডিলারও কাছেই মেলে।
- খুব উপযোগীময়মনসিংহ · ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ধরে খামার ও ফিড মিলের ঘন বলয়; মাল তুলে ঢাকায় পৌঁছানো সহজ।
- খুব উপযোগীনরসিংদী · শিবপুরে খামারিরা রোজার আগে কেজি ৳১৮০–১৯৮ দরে মুরগি বিক্রি করেছেন; ঢাকার বাজার কাছে বলে দাম তুলনামূলক ভালো।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আড়ত ও পরিবহন সহজে মেলে, তবে স্থানীয় দাম ঢাকার চেয়ে কম।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে; ঢাকা ও চট্টগ্রাম দুই বাজারেই মাল পাঠানো যায়।
- সম্ভবদিনাজপুর · ভুট্টার এলাকা বলে ফিডের কাঁচামাল কাছে, তবে জ্যান্ত মুরগি দূরের বাজারে পাঠানো খরচসাপেক্ষ।
- সম্ভবরংপুর · উত্তরাঞ্চলে জুন ২০২৬-এ খামারে দাম নেমেছিল কেজি ৳১১০–১২০ — বড় ভোক্তা বাজার দূরে বলে দরপতনের ধাক্কা এখানে বেশি লাগে।
- সম্ভবটাঙ্গাইল · ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-উত্তরবঙ্গ দুই মহাসড়কের সংযোগে; ঢাকায় পৌঁছাতে কয়েক ঘণ্টা লাগে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: বিক্রির দাম উৎপাদন খরচের নিচে নেমে যাওয়া এখানে নিয়মিত ঘটনা। মার্চ ২০২৬-এ খামারে দাম ছিল কেজি ৳১৮০–১৯৮, আর কোরবানির ঈদের পর জুনে তা ৳১১০–১২০ — অথচ উৎপাদন খরচ প্রায় ৳১৪০। কোরবানির পর কয়েক সপ্তাহ মানুষের ঘরে জমা মাংস থাকে, তাই মুরগির চাহিদা পড়ে যায়। মিরসরাইয়ের একজন খামারি ১০০০ মুরগির এক ব্যাচে ৳৭০,০০০ লোকসান দিয়েছেন।
- বেশিনির্ভরশীলতা: বাচ্চার দাম খামারির হাতে নেই, আর সেটা দুই মাসে তিন গুণ হয়ে যেতে পারে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ৳২২–২৫, জানুয়ারিতে ৳৩০–৪০, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি ৳৮০–৮৫ — সরকারের বেঁধে দেওয়া সর্বোচ্চ ৳৬৯ থাকা সত্ত্বেও কোম্পানিগুলো বেশি দামে বিক্রি করেছে। মিরসরাই পোলট্রি খামার সমিতির সভাপতির ভাষ্য, চার-পাঁচটি কোম্পানিই বাচ্চার দাম নিয়ন্ত্রণ করে। জুনে আবার একই বাচ্চা ৳১৫।
- বেশিচলতি মূলধন: খরচের প্রায় ৮০ ভাগই ফিড, আর ফিডের দাম কেবল ওঠে। ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ব্রয়লার স্টার্টার ও গ্রোয়ারের ৫০ কেজির বস্তা ৳৩,৩০০ থেকে ৳৩,৪৫০ হয়েছে — কেজিতে ২–৩ টাকা। ভুট্টার দাম ২৯–৩০ টাকা থেকে ৪৯ টাকায় উঠেছে। বেশির ভাগ খামারি ফিড বাকিতে নেন, ফলে দুই ব্যাচ লোকসান হলেই ডিলারের কাছে বড় দেনা জমে যায় — একজনের দেনা দাঁড়িয়েছিল ৳৬,০০,০০০।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: সরকার এক দিনের বাচ্চার সর্বোচ্চ দাম ৳৬৯ ঠিক করে দিলেও ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ তা ৳৮০–৮৫ দরে বিক্রি হয়েছে, আর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানিয়েছেন সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয়ভাবে হয় বলে তাঁর হাতে কিছু নেই। অন্যদিকে খামার নিবন্ধন না থাকলে সরকারি সহায়তার তালিকাতেও নাম ওঠে না — মিরসরাইয়ে ২,০০০ খামারের মধ্যে নিবন্ধিত মাত্র ৪০০।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
১৫ হাজার টাকার ৩০০ মুরগি থেকে ৪০ লাখের খামার, বছরে আয় ৮ লাখ
বাড়ির আঙিনায় বেড়া দিয়ে ১৫,০০০ টাকায় কেনা ৩০০টি বাচ্চা দিয়ে শুরু। প্রায় সাত বছরে খামারে মোট পুঁজি প্রায় ৪০ লাখ টাকা, বছরে আয় প্রায় ৮ লাখ।
- পুঁজি
- ৳১৫ হাজার
- কারণ
- চলতি মূলধন
একই রকম আরও ব্যবসা
কৃষি ও খামারমহিষ পালন
চরে বা বাথানে মহিষ পালন করে দুধ বেচা। একটি মহিষ দিনে ৪ থেকে ৮ কেজি দুধ দেয়, আর মহিষের দুধ লিটারে ৮০ থেকে ১৩০ টাকায় যায় — তবে সেই দাম শুধু সেসব জেলায় যেখানে দই বা মিষ্টির কারিগর আছে।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১ – ৩৬৫ দিন
কৃষি ও খামারড্রাগন ফল চাষ
খুঁটিতে ড্রাগন চাষ। বিঘাপ্রতি ঢালতে হয় ১–৪ লাখ টাকা, ফল আসে প্রায় এক বছর পর, আর দাম ৳৫০০ থেকে নেমে কারওয়ান বাজারে ৳৮০–১০০ কেজি।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩৬৫ দিন
কৃষি ও খামারচিংড়ির ঘের
লোনা পানির ঘেরে বাগদা-গলদা চাষ। এ বছর হাজার রেণুর দাম ৳১,৩০০–১,৭০০ থেকে বেড়ে প্রায় ৳৩,০০০, হ্যাচারি ৭৮ থেকে নেমে ৩৭ — খরচ বেড়েছে, ঝুঁকিও।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ১৫০ দিন
কৃষি ও খামারগরু মোটাতাজাকরণ
সস্তায় গরু কিনে খাইয়ে কোরবানির হাটে বিক্রি। দিনে গরুপ্রতি খরচ প্রায় ৳২২৫, আর ২০২৬ সালের কোরবানিতে প্রস্তুত করা চারটি পশুর একটি বিক্রিই হয়নি।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১২০ – ৩৬৫ দিন
