মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
মিশ্র অভিজ্ঞতাদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে ঢাকার একটি ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক

বছরে ১৫০টি বড় অনুষ্ঠান, ১৫% কর দেয় — তবু ব্যাংক ঋণ দেয় না

ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠিত ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান বছরে ১৫০টি বড় প্রজেক্ট পায় এবং প্রতিটিতে ১৫ শতাংশ কর দেয়; কিন্তু ব্যবস্থাপকের অভিযোগ, ব্যাংক তাদের ঋণ দিতে চায় না।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ২০২৪ সালের অক্টোবরের এক প্রতিবেদনে ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠিত ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক এই ব্যবসার চেহারা বর্ণনা করেন। তাদের প্রতিষ্ঠান বছরে ১৫০টি বড় প্রজেক্ট পায়। শুধু বিয়ে নয়, এখন অফিস পার্টি, জন্মদিন ও খতনার অনুষ্ঠানেও মানুষ ক্যাটারারের কাছে আসে; কনভেনশন হলগুলোও ক্যাটারিং কোম্পানি নিয়ে কাজ করে। শীতে প্রায় প্রতিদিনই অনুষ্ঠান থাকে, ছুটি আর ঈদের ছুটিও ব্যস্ত সময়।

গ্রাহক মুঘল, চীনা, ভারতীয় — যে মেনু চান, তারা বানিয়ে দেন; ইলিশ, পমফ্রেট, গলদা চিংড়ি সবই সম্ভব। প্রতিবেদনে বলা হয়, যাদের তৈরি ক্যাটারিং রান্নাঘর আছে, তারা আকদের মতো ছোট আয়োজনের অর্ডারও দিনরাত নেয়। ঢাকায় অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠিত ক্যাটারার আছে; কেউ কেউ বছরে ২০০–৩০০টি অনুষ্ঠান পায়।

সমস্যা পুঁজিতে। ব্যবস্থাপকের ভাষায়, 'আমরা প্রতিটি প্রকল্পের জন্য ১৫ শতাংশ সার্ভিস ট্যাক্স দিচ্ছি, কিন্তু ব্যাংক আমাদের ঋণ দিতে চায় না।' ক্রমবর্ধমান খাত হলেও ব্যাংকগুলো এখনো ক্যাটারিং ব্যবসাকে ঋণ দেয় না — তাই বড় হতে হলে নিজের টাকাতেই চলতে হয়।

যা শেখার আছে

  1. ১.ক্যাটারিংয়ে ১৫ শতাংশ কর প্রতিটি কাজের দামে ধরে নিন — এটি রেস্তোরাঁর হারের চেয়ে বেশি।
  2. ২.ব্যাংক ঋণ সহজে মেলে না, তাই অগ্রিম বায়না আর নিজের সঞ্চয়ে কেনাকাটার পুঁজি জোগানোর পরিকল্পনা রাখুন।
  3. ৩.নিজস্ব রান্নাঘর থাকলে বড় মৌসুমের বাইরে ছোট অনুষ্ঠানের অর্ডার ধরেও আয় চালু রাখা যায়।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।