মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ক্যাটারিং

অনুষ্ঠানে তিনশো-পাঁচশো মানুষের রান্না করে সরবরাহ। বায়নার টাকা আগে আসে, তবে ক্যাটারিং সেবায় মূসক ১৫ শতাংশ — রেস্টুরেন্টের ৫ শতাংশ নয়।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ক্যাটারিং — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ক্যাটারিং — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳৮,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
৫ – ২৫ জন
প্রথম বিক্রি
১৪ – ৩০ দিন
সরকারি সূত্র
খরচ উঠতে
৪ – ১০ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘুরে ঘুরে সেবা · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

বিয়ে, গায়েহলুদ, আকিকা, মিলাদ বা অফিসের অনুষ্ঠানে তিনশো-পাঁচশো মানুষের রান্না করে নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে খাইয়ে দেওয়া — এটাই ক্যাটারিং। রেস্টুরেন্টের সঙ্গে এর সবচেয়ে বড় তফাত টাকার গতিতে। রেস্টুরেন্ট আগে বাজার করে, রেঁধে রাখে, তারপর খদ্দের আসে কি আসে না তার অপেক্ষা করে। ক্যাটারিংয়ে উল্টো — অনুষ্ঠানের তারিখ আগে ঠিক হয়, মানুষের সংখ্যা আগে ঠিক হয়, বায়নার টাকা আগে হাতে আসে, তারপর ওই হিসাব ধরে বাজার হয়। তাই এখানে অবিক্রীত খাবার ফেলে দেওয়ার ক্ষতি নেই, কিন্তু একদিন দেরি বা কম পড়ার ক্ষতি ভয়ানক। কর দিতে হয় বেশি। রেস্টুরেন্টে বসে খেলে মূসক ৫ শতাংশ, কিন্তু ক্যাটারিং সেবায় তা ১৫ শতাংশ। প্লেটপ্রতি দর ঠিক করার সময় এই ১৫ শতাংশ হিসাবে না ধরলে লাভটাই কেটে যায়। খাদ্য নিরাপত্তা নিবন্ধনও বাধ্যতামূলক — নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর, আর রান্নাঘর সরেজমিনে দেখে তবেই দেওয়া হয়। কাঁচামালের দাম ঠিক থাকে না। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে খাসির মাংস ছিল কেজি ৳১২০০–১৩৫০, গরু ৳৭৮০–৮৫০, পোলাওয়ের চাল ৳১৭০–২১৫; এক বছরে খাসি বেড়েছে ১৩ শতাংশ আর সয়াবিন তেল ১১ শতাংশ। তিন মাস আগে যে দরে অর্ডার নিয়েছেন, রান্নার দিন বাজার সেই দর মানবে না। যিনি পদ ধরে ধরে কাঁচামালের হিসাব লিখে রাখেন, কেবল তিনিই এখানে টিকে থাকেন।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৫১,০০০ – ৳৮১,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩২৬ – ৳৩৩০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳১৭০ – ৳২৭০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার১৭% – ৪৮%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৪ – ৩০ দিনসরকারি সূত্র
খরচ উঠে আসার সময়৪ – ১০ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৭ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ৮%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৩০০ – ১,০০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • বড় ডেগ ও পাতিল, চুলা, এলপিজি সিলিন্ডার (১২ কেজি ৳১,৫৮৫, বিইআরসি-নির্ধারিত, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর), খাবার গরম রাখার বাক্স, পরিবেশনের বাসন ও পাত্র, আর মাল টানার গাড়ি।যন্ত্রপাতি
  • খাদ্য নিবন্ধন — বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, খাদ্য নিরাপদ (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর; ক্যাটারিংয়ের জন্য বাধ্যতামূলক এবং রান্নাঘর সরেজমিনে দেখা হয়।লাইসেন্স
  • মূসক নিবন্ধন — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ক্যাটারিং সেবায় মূসকের হার ১৫ শতাংশ, অথচ রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়ার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ। সঙ্গে টিআইএনও লাগে।লাইসেন্স
  • ফায়ার লাইসেন্স — ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স; বড় রান্নাঘর ও গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের জন্য। প্রয়োজনে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও লাগে।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা, ব্যবসার ধরন হিসেবে ক্যাটারিং উল্লেখসহ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
  • বাবুর্চির হাত আর সংখ্যার হিসাব — কত জনের জন্য কত কেজি মাংস ও চাল, কখন চুলায় বসাতে হবে যাতে ঠিক সময়ে গরম খাবার পরিবেশন হয়।দক্ষতা
  • মাংস, চাল ও মসলার পাইকারি বিক্রেতা, এলপিজি ডিলার, বাসন-কোসন ভাড়ার দোকান, আর দিনমজুর বেয়ারা সরবরাহকারী।সরবরাহকারী
  • পানি, নিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ রান্নাঘর, আর বড় ডেগ বসানোর মতো খোলা জায়গা। নিবন্ধনের আগে এই ঘরই পরিদর্শন করা হয়।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1একটি রান্নাঘর ঠিক করুন যেখানে পানি, নিষ্কাশন আর বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা আছে — খাদ্য নিরাপত্তা নিবন্ধনের সময় এই ঘর সরেজমিনে দেখা হয়।
  2. 2ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসার ধরন হিসেবে ক্যাটারিং লেখান। ভুল ধরন লেখা থাকলে পরের লাইসেন্সগুলোতে আটকে যাবেন।
  3. 3বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন নিন — নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। ক্যাটারিংয়ের জন্য এটি বাধ্যতামূলক।
  4. 4এনবিআর থেকে টিআইএন ও মূসক নিবন্ধন করুন, আর মনে রাখুন ক্যাটারিং সেবায় মূসক ১৫ শতাংশ — রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়ার ৫ শতাংশ নয়।
  5. 5প্রতিটি পদের কাঁচামাল ওজন ধরে লিখে একটা খরচের ছক বানান। ১৫০ গ্রাম খাসি মানেই প্লেটে ৳১৮০–২০৩, আর এক বছরে খাসির দাম ১৩ শতাংশ বেড়েছে।
  6. 6দর দেওয়ার সময় প্লেটপ্রতি কাঁচামালের উপরে গ্যাস, বাবুর্চি ও বেয়ারার মজুরি, পরিবহন, বাসন ভাড়া আর ১৫ শতাংশ মূসক যোগ করুন — তারপর লাভ ধরুন।
  7. 7অর্ডার লিখিতভাবে নিন — তারিখ, সময়, লোকসংখ্যা, মেনু, প্লেটপ্রতি দর, বায়নার অঙ্ক আর লোক বাড়লে কী দর। মুখের কথায় অর্ডার নিলে অনুষ্ঠানের দিন ঝগড়া হয়।
  8. 8বায়নার টাকা পাওয়ার পর তবেই বাজার করুন, আর বড় অর্ডারের মাংস-চাল আগের দিন সকালে কিনুন। আগের দিন কিনলে দর জানা থাকে আর মাল টাটকা থাকে।
  9. 9রান্না শেষে খাবার গরম রাখার বাক্সে ভরে সময় ধরে পাঠান। ভাত-মাংস বেশিক্ষণ বাইরে থাকলে নষ্ট হয়, আর একটা অনুষ্ঠানে পেট খারাপ হলে পরের অর্ডার আর আসে না।
  10. 10অনুষ্ঠানের দিনেই বাকি টাকা বুঝে নিন। অফিস বা প্রতিষ্ঠানের অর্ডার হলে আগে থেকে লিখে নিন বিল কবে পাস হবে।
  11. 11নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির বিয়ের মৌসুমে যা আয় হয় তার একটা অংশ সরিয়ে রাখুন — বর্ষা আর রোজার মাসে অনুষ্ঠান প্রায় থাকে না।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনকম
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, মেজবানের চল আর বন্দরকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান — দুই দিক থেকেই অর্ডার আসে।
  • খুব উপযোগীঢাকা · কমিউনিটি সেন্টার ও কনভেনশন হলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, আর অফিস-কারখানার অনুষ্ঠানও এখানেই; তবে লাইসেন্স ও মূসকের নজরদারিও এখানে কড়া।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানার বার্ষিক অনুষ্ঠান ও শ্রমিকদের গণভোজের অর্ডার নিয়মিত, আর ঢাকার তুলনায় প্রতিযোগিতা কম।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি আর কমিউনিটি সেন্টার বেশি; ঢাকার কাঁচাবাজার কাছে বলে বাজারও সুবিধাজনক।
  • খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী পরিবারের বিয়ে বড় করে হয় আর মাথাপিছু খরচ বেশি; শীতকালে প্রবাসীরা দেশে এলে অনুষ্ঠানের ভিড় লাগে।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; কমিউনিটি সেন্টার ও মাংস-চালের পাইকারি বাজার দুটোই হাতের কাছে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের পাশে কমিউনিটি সেন্টার বাড়ছে, আর প্রবাসী পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠান বড় হয়।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর; সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান ও বিয়ের অর্ডার দুটোই মেলে।
  • সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের পুনর্মিলনী-সেমিনার আর শীতকালের বিয়ের মৌসুম মিলিয়ে কাজ থাকে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: ক্যাটারিং সেবায় মূসক ১৫ শতাংশ, অথচ রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়ার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ। অনেক নতুন উদ্যোক্তা রেস্টুরেন্টের হার ধরে দর দিয়ে ফেলেন, আর তখন প্রতি ১০০ টাকার বিলে ১০ টাকা নিজের পকেট থেকে যায় — ৩০০ প্লেটের এক অনুষ্ঠানেই সেটা কয়েক হাজার টাকা। রেস্টুরেন্ট মালিকদের সংগঠনের হিসাবে একটি খাদ্য প্রতিষ্ঠান চালু করতে ১০ থেকে ১২টি আলাদা অনুমোদন লাগে।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: দর দেওয়া হয় মাস দুই-তিন আগে, কিন্তু বাজার করতে হয় অনুষ্ঠানের আগের দিন। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে খাসির মাংস ছিল কেজি ৳১২০০–১৩৫০ আর এক বছরে তা বেড়েছে ১৩.৩ শতাংশ; সয়াবিন তেল বেড়েছে ১১.৪ শতাংশ, ময়দা ১৪.৩ শতাংশ। ১৫০ গ্রাম খাসির প্লেটে দাম ১০ শতাংশ বাড়লেই প্লেটপ্রতি ২০ টাকা লোকসান, আর ৫০০ প্লেটে ১০,০০০ টাকা।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: রান্না হয় একবার, আর খাওয়া হয় নির্দিষ্ট একটি ঘণ্টায়। ভাত-মাংস গরম বাক্সে বেশিক্ষণ থাকলে নষ্ট হয়, গরমকালে আরও দ্রুত। একটি অনুষ্ঠানে খাবারে সমস্যা হলে শুধু ওই অর্ডারই যায় না — নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধনও ঝুঁকিতে পড়ে, আর ওই এলাকার পরের অর্ডারগুলোও বন্ধ হয়ে যায়।
  • বেশিচাহিদা: আয় বছরের চার-পাঁচ মাসে জমা হয়। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি বিয়ের মৌসুমে অর্ডার থাকে, রোজার মাসে বিয়ে বন্ধ থাকে আর বর্ষায় খোলা জায়গার অনুষ্ঠান হয় না। অথচ রান্নাঘরের ভাড়া, গাড়ি আর স্থায়ী লোকের খরচ বারো মাসই চলে।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: পারিবারিক অনুষ্ঠানে টাকা দিনেই মেটে, কিন্তু অফিস, কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের অর্ডারে বিল পাস হতে দেরি হয়। বড় প্রতিষ্ঠানের এক-দুটি বিল আটকে গেলেই মৌসুমের মাঝখানে পরের অনুষ্ঠানের বাজার করার টাকা থাকে না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী

ক্যাটারিংয়ের প্রশিক্ষণ হলো, জিনিসপত্র কেনার টাকা হলো না

২০২২ সালে ক্যাটারিংয়ের প্রশিক্ষণ নিয়েও উপকরণ কেনার টাকা না থাকায় কাজ শুরুই করা যায়নি। এক জরিপে ২,০০০ প্রশিক্ষিত নারীর ৪৪ শতাংশ ছয় মাস পরও কিছু দাঁড় করাতে পারেননি।

কারণ
চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

মিষ্টির দোকান

দুধ থেকে ছানা কেটে মিষ্টি বানিয়ে বিক্রি। মিষ্টি ৳৩৮০–৬০০ কেজি, দই ৳২১০–৩০০ লিটার, কিন্তু দুধ ৳১২০–১৪০ লিটার — লাভ পুরোটাই দুধের দরের উপর।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৯ লাখ
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম আয়
১৪ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

শুকনো আম উৎপাদন

মৌসুমে কেজি ১৫–৪০ টাকার কাঁচা আম কেটে শুকিয়ে সারা বছর বিক্রি। ৮–১০ কেজি কাঁচা আম থেকে ১ কেজি শুকনো আম হয়।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৪ লাখ
জনবল
২ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৬০ দিন
বাজারদর
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

মধু প্রক্রিয়াজাত ও বোতলজাত

মৌচাষির কাঁচা মধু কিনে ছেঁকে বোতলে নিজের নামে বিক্রি। বোতলজাত মধু ৳৮০০–২,১০০ কেজি, তবে বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স বাধ্যতামূলক আর নমুনা পরীক্ষার ফি ৳৭,৫০০।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
২ – ৬ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ১৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

চানাচুর ও নাস্তা তৈরি

দোকানে মাল যায় বাকিতে, টাকা আসে ১৫–৩০ দিন পর — তাই মেশিন নয়, হাতের টাকাই সীমা। ব্র্যান্ডের চানাচুর কেজি ৳৩০০–৩৩৩, ছোট ব্র্যান্ডকে নামতে হয় ৳২০০–২৫০-এ।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
২ – ১২ জন
প্রথম আয়
৩০ – ১৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান