মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের রাজনগরের একজন পাটিকর

কোভিডের আগে মাসে লাখ টাকার পাটি, এখন ৩০–৪০ হাজারও নয়

চল্লিশ বছরের এক পাটিকরের মাসিক বিক্রি ১ লাখ টাকা থেকে নেমেছে ৩০–৪০ হাজার টাকার নিচে, কারিগর ৩০ জন থেকে ৫ জনে। কারিগর হিসেবে দিনে আয় ২০০–৩০০ টাকার বেশি হতো না, তাই অনেকে পেশা বদলেছেন।

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার তুলাপুর গ্রামের এই পাটিকর ৪০ বছর ধরে শীতলপাটি বোনেন। কোভিডের আগে তাঁর মাসিক বিক্রি ছিল প্রায় ১ লাখ টাকা আর কাজ করতেন ৩০ জন কারিগর; মহামারির পর বিক্রি নেমে এসেছে ৩০–৪০ হাজার টাকারও নিচে আর কারিগর আছেন মাত্র পাঁচজন। কারিগরেরা কেন চলে গেলেন, সেটি একই প্রতিবেদনে আরেকজন বলে দিয়েছেন — "এমনিতেই শীতল পাটির কারিগর হিসেবে কাজ করে দৈনিক ২০০-৩০০ টাকার উপরে পেতাম না।" ত্রিশ বছর এই কাজ করা একজন এখন রিকশা চালিয়ে দিনে প্রায় ৫০০ টাকা পান। ছোট পাটি বিক্রি হয় ১,০০০–১,২০০ টাকায়, বড় পাটি বড়জোর ৫,০০০–৬,০০০ টাকায়। সিলেট বিভাগে ২০–২৫ বছর আগে ৪–৫ হাজার পরিবার এই কাজে ছিল, এখন আছে প্রায় ১ হাজার — ২০১৭ সালে ইউনেসকোর স্বীকৃতিও সেই ধারা ফেরাতে পারেনি।

যা শেখার আছে

  1. ১.যে কাজের দৈনিক মজুরি এলাকার সাধারণ কাজের চেয়ে কম, সেখান থেকে কারিগরেরাই আগে চলে যান — অর্ডার তারপর কমে
  2. ২.ঐতিহ্যের স্বীকৃতি চাহিদা বা দাম কোনোটাই এনে দেয় না — বিক্রির নিজস্ব পথ না থাকলে কারখানা ছোট হতেই থাকে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।