ধান ছেড়ে আখ, রাস্তার পাশে রস বেচে বছরে ৪ লাখ টাকা
একই আড়াই একর জমিতে ধান করে বছরে আসত প্রায় ৩০,০০০ টাকা, তাতে উৎপাদন খরচই ১৮,০০০। সেই জমির আখ নিজে মাড়িয়ে রস বিক্রি করে এখন দিনে ওঠে প্রায় ২,০০০ টাকা, ৯ মাসের মৌসুমে মুনাফা প্রায় ৪,০০,০০০ টাকা।
রাঙামাটি সদরের সাপছড়ি ইউনিয়নের খামারপাড়ার ৬৫ বছর বয়সী এই নারী ২০১৭ সালে নিজের প্রায় আড়াই একর জমি ধান থেকে আখে বদলে ফেলেন। ধানে বছরে আসত প্রায় ৩০,০০০ টাকা, আর সেখানে উৎপাদন খরচই ছিল ১৮,০০০ টাকা — হাতে থাকত সামান্যই। আখ তিনি ক্ষেত থেকে পাইকারি বিক্রি না করে রাঙামাটি–খাগড়াছড়ি সড়কের পাশে ছোট দোকান বসিয়ে নিজেই মাড়িয়ে রস বিক্রি করেন; দোকান চলে বছরে প্রায় ৯ মাস, দিনে বিক্রি প্রায় ২,০০০ টাকা আর ওই নয় মাসে মুনাফা দাঁড়ায় প্রায় ৪,০০,০০০ টাকা। পাম্প আর রস তৈরির যন্ত্র পেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অধীন আখ গবেষণা কেন্দ্রের মাধ্যমে। পরিবারের হিসাবে, "এখন আখ চাষ করে একই জমি থেকে ছয় লাখ টাকার ফসল পাওয়া যাচ্ছে।" দোকান দাঁড় করাতে কত টাকা লেগেছিল, প্রতিবেদনে তা বলা নেই।
যা শেখার আছে
- ১.নিজের ফসল নিজে প্রক্রিয়া করে বেচলে খুচরার লাভটা হাতে থাকে — একই আখ ক্ষেতে বেচার চেয়ে গ্লাসে বেচে কয়েক গুণ এনেছে
- ২.মৌসুমি দোকানের হিসাব বারো মাসে নয়, যে ক'মাস দোকান খোলা থাকে সেই ৯ মাসেই করতে হয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
