আড়াই লাখের অর্ডার বাতিল, ৪৫ হাজার টাকা লোকসানের পর মাসে ৩–৪ লাখের বিক্রি
২০২১ সালে ১০,০০০ টাকার কাপড়-সুতা দিয়ে শুরু। আত্মীয়ের মাধ্যমে কেনা নিম্নমানের কাপড়ে আড়াই লাখ টাকার বিদেশি অর্ডার বাতিল হয়, লোকসান প্রায় ৪৫,০০০ টাকা; নিজে মাল কেনা শুরু করার পর এখন মাসে বিক্রি ৩–৪ লাখ টাকা।
রংপুর শহরের এই নারী ২০২১ সালে প্রায় ১০,০০০ টাকার কাপড়, সুই, সুতা আর ছোটখাটো সরঞ্জাম নিয়ে ঘরে বসে হাতের কাজের ব্যবসা শুরু করেন; সেলাই শিখেছিলেন ইউটিউব দেখে, আর প্রথম পণ্য ছিল স্বামীর জন্য বানানো একটি হাতের কাজের পাঞ্জাবি। শুরুর দিকেই ইতালিপ্রবাসী এক ক্রেতার প্রায় আড়াই লাখ টাকার একটি অর্ডার আসে, কিন্তু এক আত্মীয়ের মাধ্যমে কেনা নিম্নমানের কাপড়ে কাজ হওয়ায় পুরো চালান ফেরত আসে — লোকসান দাঁড়ায় প্রায় ৪৫,০০০ টাকা। এরপর থেকে তিনি সিদ্ধান্ত আর কাপড় কেনা দুটোই নিজের হাতে রাখেন, ২০২৩ সালে ইউটিউব থেকেই নকশা আর সূক্ষ্ম সেলাই নতুন করে শিখে আবার শুরু করেন। এখন মাসে বিক্রি ৩–৪ লাখ টাকা, আর খরচ বাদে তাঁর নিজের হাতে থাকে ৩০,০০০–৪৫,০০০ টাকা। পঞ্চাশের বেশি নারী তাঁর হয়ে সেলাইয়ের কাজ করেন, প্রত্যেকে মাসে পান ২,০০০–৫,০০০ টাকা। তাঁর কথায়, "একটা সামান্য পাঞ্জাবি থেকে এত দূর আসতে পারছি, এটা আমার কাছে অনেক আনন্দের একটা বিষয়।"
যা শেখার আছে
- ১.প্রথম বড় অর্ডারের কাপড় আত্মীয় বা মধ্যস্থতাকারীকে কিনতে দিলে পুঁজিই চলে যায় — একটি চালানেই লোকসান ৪৫,০০০ টাকা
- ২.বিক্রি আর হাতে থাকা টাকা এক জিনিস নয় — ৩–৪ লাখের বিক্রিতে থাকে ৩০–৪৫ হাজার, বাকিটা কাপড় আর কারিগরের মজুরি
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
