কারচুপি ও হাতের কাজ
ঘরে বসে শাড়ি ও থ্রি-পিসে চুমকি, পুঁতি ও জরির হাতের কাজ। মহাজন সব উপকরণ দিয়ে যান; মজুরি শাড়িপ্রতি ৳৭০০–৮০০, আর একটি শাড়িতে অন্তত ১৫ দিন লাগে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

কারচুপি ও হাতের কাজ
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫০০ – ৳৫,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৫ – ২০ দিন বাজারদর
- খরচ উঠতে
- ১ – ২ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘরে বসে · সহজ
ব্যবসাটি সম্পর্কে
ঘরের সামনে কাঠের ফ্রেম পাতা, তার উপর কাপড় টান টান করে বাঁধা, আর সুঁই-সুতা দিয়ে চুমকি, পুঁতি ও জরির নকশা তোলা — এটাই কারচুপির কাজ। কাজটা আসে ঢাকা থেকে। মহাজন ঢাকার ক্রেতার কাছ থেকে অর্ডার নেন, নকশা বুঝিয়ে দেন, আর জর্জেট বা শিফন কাপড়ের থান, চুমকি, রেশমি সুতা, গাম — সব ঘরে ঘরে দিয়ে আসেন। অর্থাৎ কারিগরকে কিছু কিনতে হয় না, পুঁজিও লাগে না। বিক্রি করেন শুধু নিজের হাত আর সময়। এখন আসল কথায় আসি, কারণ এই একটা সংখ্যাই ঠিক করে দেয় কাজটা সংসার চালানোর মতো কি না। নীলফামারীর সৈয়দপুরের ঢেলাপীর উত্তরা আবাসনের নারীরা জানিয়েছেন, কাজ শেষে মজুরি বাবদ তাঁরা শাড়িপ্রতি ৳৭০০ থেকে ৳৮০০ টাকা পান, আর একটি শাড়িতে হাতের কাজ শেষ করতে অন্তত ১৫ দিন সময় লেগে যায়। হিসাব করলে দিনে দাঁড়ায় প্রায় ৳৪৭ থেকে ৳৫৩ টাকা। ওই একই প্রতিবেদনে নারী কর্মীরা বলেছেন, প্রতি মাসে তাঁদের আয় হয় ৳৩,০০০ থেকে বড়জোর ৳৩,৫০০ টাকা। সৈয়দপুর কারচুপি সমিতির হিসাবে ওই উপজেলাতেই ৩০ হাজার নারী এই কাজে যুক্ত। অন্য দিকটাও দেখা দরকার। এই হাতের কাজ করা পোশাক বিক্রি হয় ঢাকার বড় বড় শপিং মলে, আর ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনলাইনে কারচুপির থ্রি-পিস ও শাড়ি বিক্রি হচ্ছিল ৳৯৯৯ থেকে ৳২,৭৯৯ টাকায়। যিনি পনেরো দিন ধরে সুঁই চালান আর যিনি শেষ দামটা পান — তাঁদের মাঝখানের দূরত্বটাই এই ব্যবসার আসল চেহারা।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳০ | বাজারদর | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৭০০ – ৳৮০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২০ – ৳৫০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৯৩% – ৯৭.৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৫ – ২০ দিন | বাজারদর | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১ – ২ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১৫ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ০.১ – ০.২ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- কাঠের তৈরি ফ্রেম — সৈয়দপুরের আবাসনে প্রায় প্রতিটি ঘরের সামনেই এটি পাতা থাকে; সঙ্গে সুঁই, কাঁচি আর রাতে কাজ চালানোর মতো আলো। কারিগরের কেনার তালিকা এটুকুই।যন্ত্রপাতি
- কিছুই কিনতে হয় না। মহাজন ঘরে ঘরে দিয়ে যান জর্জেট বা শিফন কাপড়ের থান, বিভিন্ন রকম চুমকি, পুঁতি, জরি, রেশমি সুতা ও গাম, আর সঙ্গে নকশা বুঝিয়ে দেন।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ঘরে বসে মহাজনের কাজ করলে লাগে না; নিজে অর্ডার নিয়ে কাপড় কিনে বিলি করলে, অর্থাৎ মহাজন হলে, লাগে।লাইসেন্স
- সুঁই-সুতা দিয়ে চুমকি, পুঁতি ও জরির নকশা তোলা। আবাসনের নারীরা কোথাও প্রশিক্ষণ নেননি, অন্যের কাজ দেখে নিজেরাই দক্ষতা বাড়িয়েছেন; উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার দপ্তরেও এই কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।দক্ষতা
- এলাকার মহাজন — তিনিই কাজ, নকশা ও সব উপকরণের একমাত্র উৎস। সৈয়দপুরে কারচুপি সমিতিও আছে, যার মাধ্যমে মহাজন ও কারিগরদের যোগাযোগ হয়।সরবরাহকারী
- বাড়ির সামনের উঠোন বা বারান্দা। আলাদা ঘর বা দোকান লাগে না — সৈয়দপুরের আবাসনে নারী, পুরুষ ও শিশুরা ঘরের সামনে গোল হয়ে বসে কাজ করেন।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1এলাকার মহাজন বা কারচুপি সমিতির কারও সঙ্গে যোগাযোগ করুন। কাজটা মহাজনের হাত ধরেই আসে — সৈয়দপুরে মহাজনরা ঢাকা থেকে অর্ডার নিয়ে ঘরে ঘরে মাল পৌঁছে দেন।
- 2কাজটা দেখে শিখে নিন। আবাসনের নারীরা কেউ কোথাও প্রশিক্ষণ নেননি, অন্যের কাজ দেখেই নিজেরা দক্ষতা বাড়িয়েছেন। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার দপ্তরেও এই কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
- 3ঘরের সামনে কাঠের ফ্রেম পাতুন আর কাপড় টান টান করে বাঁধুন। ফ্রেম ছাড়া নকশা সমান হয় না।
- 4মহাজনের কাছ থেকে নকশা, কাপড় ও উপকরণ বুঝে নিন — জর্জেট বা শিফনের থান, চুমকি, পুঁতি, জরি, রেশমি সুতা আর গাম। গোনাগুনতি বুঝে নিন, কারণ মাল নষ্ট হলে তার হিসাব আপনাকেই দিতে হবে।
- 5কাজ শুরুর আগেই দর ঠিক করে নিন — এই শাড়িতে কত, আর কত দিনের মধ্যে দিতে হবে। সৈয়দপুরের হিসাব শাড়িপ্রতি ৳৭০০–৮০০, সময় অন্তত ১৫ দিন।
- 6নিজের সময়ের হিসাব করুন। শাড়িপ্রতি ৳৭০০–৮০০ আর ১৫ দিন মানে দিনে প্রায় ৳৪৭–৫৩। কম সময়ে শেষ হয় এমন কাজ — ওড়না, ব্লাউজ, থ্রিপিসের ছোট নকশা — একসঙ্গে নিলে দিনের আয় বাড়ে।
- 7পরিবারের একাধিক জন একসঙ্গে একটা ফ্রেমে কাজ করুন। আবাসনে নারী, পুরুষ ও শিশু গোল হয়ে বসে একসঙ্গে কাজ করেন, আর মাসের আয়ের হিসাবটা সেভাবেই দাঁড়ায়।
- 8বিয়ে আর ঈদের মৌসুম ধরে কাজ নিন। ঢাকার শপিং মলে বিয়ে-ঈদে এই পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি, আর তখনই মহাজনের হাতে সবচেয়ে বেশি অর্ডার থাকে।
- 9একজন মহাজনের উপর পুরোপুরি নির্ভর করবেন না। দুই-তিনজনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে অফ-সিজনে একজনের কাজ বন্ধ হলেও হাত খালি থাকে না।
- 10নিজে মহাজন হতে চাইলে ঢাকার ক্রেতা ধরুন আর ট্রেড লাইসেন্স নিন। মহাজনরা ঢাকা থেকে ই-মেইলে অর্ডার নেন, নিজে কাপড় ও উপকরণ কিনে বিলি করেন আর সময়মতো ঢাকায় সরবরাহ করেন — সেটা আলাদা ব্যবসা, আলাদা পুঁজি।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেকম
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীঢাকা · অর্ডার আর ক্রেতা দুটোই এখানে — মহাজনরা ঢাকা থেকে ই-মেইলে অর্ডার নেন, আর তৈরি পোশাক ঢাকার বড় বড় শপিং মল ও মার্কেটে বিক্রি হয়।
- খুব উপযোগীনীলফামারী · সৈয়দপুর কারচুপি সমিতির হিসাবে এই উপজেলাতেই ৩০ হাজার নারী কারচুপির কাজে যুক্ত; ঢেলাপীর উত্তরা আবাসন, কাজিহাট, মুন্সিপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, গোলাহাট ও রসুলপুরসহ মহল্লায় মহল্লায় এই কাজ হয়।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · শহরের পুরোনো পল্লিতে হাতের কাজের কারিগর আছেন, আর স্থানীয় বাজারও বড়।
- সম্ভবকুমিল্লা · বুটিক ও হাতের কাজের চল আছে, বাটিকের কারখানাগুলোও হাতের কাজ করা শাড়ি বিক্রি করে।
- সম্ভবদিনাজপুর · উত্তরের জেলা, সৈয়দপুরের কাছাকাছি, আর নারীশ্রম সহজলভ্য।
- সম্ভবগাজীপুর · পোশাকশিল্পের এলাকা বলে উপকরণ সহজে মেলে আর ঢাকার ক্রেতা কাছে।
- সম্ভবকিশোরগঞ্জ · স্বল্পযশোদল ও ভুবিরচর গ্রামে গৃহবধূরা শাড়িতে চুমকির কাজ করেন; ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগও সহজ।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · কাপড় ও উপকরণের বড় বাজার কাছে, আর ঢাকার বুটিকের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ।
- সম্ভবরংপুর · সৈয়দপুরের লাগোয়া শ্রমবলয়; একই মহাজনদের কাজ আশপাশের উপজেলাতেও ছড়ায়।
- কম উপযোগীময়মনসিংহ · নারীশ্রম সহজলভ্য, তবে মহাজনের নেটওয়ার্ক এখানে গড়ে ওঠেনি।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: মজুরি পাওয়া যায় কাজ শেষে, অর্থাৎ অন্তত ১৫ দিন বিনা টাকায় খেটে যাওয়ার পর। মাঝপথে কাজ ছেড়ে দিলে বা মহাজন মাল ফেরত নিলে ওই দিনগুলোর কিছুই থাকে না। শাড়ি বুঝিয়ে দেওয়ার পর মহাজন সঙ্গে সঙ্গে টাকা দেন কি না, সেটাও কোথাও লেখা নেই — আর এই কাজে কোনো লিখিত চুক্তি হয় না।
- মাঝারিঅন্যান্য: মাল নষ্ট হলে দায় কারিগরের। মহাজন দামি জর্জেট বা শিফনের থান, চুমকি ও জরি ঘরে দিয়ে যান, আর কাজ হয় খোলা উঠোনে — ধুলো, বৃষ্টি বা শিশুদের হাত থেকে কাপড় বাঁচানোর দায়িত্ব কারিগরের। একটা শাড়ির কাপড় নষ্ট হলে সেই ক্ষতি পনেরো দিনের মজুরির চেয়ে বড় হতে পারে।
- বেশিনির্ভরশীলতা: পুরো আয়টাই মহাজনের হাতে। কাজ, নকশা, কাপড়, চুমকি, সুতা, গাম — সব তিনিই দেন, আর দামও তিনিই ঠিক করেন। কারিগরের নিজের কোনো ক্রেতা নেই, ঢাকার ক্রেতার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। মহাজন অর্ডার না পেলে বা দর কমিয়ে দিলে কারিগরের কিছু বলার থাকে না — পুঁজি নেই বলে নিজে মাল বানিয়ে বেচার উপায়ও নেই। যে কারণে পুঁজি লাগে না, ঠিক সেই কারণেই দর নিয়ে দরাদরির ক্ষমতাও থাকে না।
- বেশিঅন্যান্য: মজুরিটা দিনের হিসাবে দাঁড়ায় প্রায় ৳৪৭–৫৩ টাকা। শাড়িপ্রতি ৳৭০০–৮০০, আর একটি শাড়িতে অন্তত ১৫ দিন — ভাগ করলে এই অঙ্ক। নারী কর্মীরা নিজেরাই বলেছেন মাসের আয় ৳৩,০০০ থেকে বড়জোর ৳৩,৫০০ টাকা। এটা সংসারের বাড়তি আয় হিসেবে কাজ করে, একার রোজগারে সংসার চলার মতো নয়। যিনি এই কাজে ঢুকছেন তাঁর এটা আগে থেকে জেনে ঢোকা দরকার।
- বেশিচাহিদা: কাজ আসে মৌসুম ধরে, সারা বছর নয়। কারচুপির পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি বিয়ে আর ঈদে, আর তখনই মহাজনের হাতে অর্ডার থাকে। ঈদের আগে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরাও কাজে নেমে পড়ে, ফলে কাজ করার লোকও তখন বেড়ে যায়। মৌসুমের বাইরের মাসগুলোয় কাজ কমে যায়, কিন্তু সংসারের খরচ কমে না।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
আড়াই লাখের অর্ডার বাতিল, ৪৫ হাজার টাকা লোকসানের পর মাসে ৩–৪ লাখের বিক্রি
২০২১ সালে ১০,০০০ টাকার কাপড়-সুতা দিয়ে শুরু। আত্মীয়ের মাধ্যমে কেনা নিম্নমানের কাপড়ে আড়াই লাখ টাকার বিদেশি অর্ডার বাতিল হয়, লোকসান প্রায় ৪৫,০০০ টাকা; নিজে মাল কেনা শুরু করার পর এখন মাসে বিক্রি ৩–৪ লাখ টাকা।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার
- কারণ
- সরবরাহকারীর সমস্যা, ভালো যোগাযোগ
একই রকম আরও ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকচুরিপানা ও হোগলা হস্তশিল্প
কচুরিপানা শুকিয়ে ট্রে, বাস্কেট ও পাপোশ বোনা। ঝিনাইদহে ৮০০ নারী বাড়িতে বসে এই কাজ করেন — পিস প্রতি ৳২০, দিনে ১২–১৫টি, মাসে প্রায় ৳৩,০০০। পণ্য যায় ৮২ দেশে।
- পুঁজি
- ৳১ হাজার – ৳৪০ হাজার
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপাটজাত হস্তশিল্প
পাট দিয়ে ব্যাগ, টব ও শো-পিস তৈরি। ২ হাজার টাকার কাঁচি-দড়ি দিয়ে হাতে শুরু করা যায়, কিন্তু রপ্তানির অর্ডার পেতে কারখানা লাগে — ১০ মেশিনের কারখানায় গেছে প্রায় ৫ লাখ টাকা।
- পুঁজি
- ৳২ হাজার – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ১২০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপব্লক-বাটিক ও টাই-ডাই
ঘরে বসে সুতি কাপড়ে মোম ও রং দিয়ে বাটিক-টাই-ডাইয়ের শাড়ি ও থ্রি-পিস তৈরি। কুমিল্লার দোকানে বাটিক শাড়ি ৳৫০০ থেকে ৳১,৭০০; একজন কারিগর দিনে প্রায় ১০টি শাড়ি করতে পারেন।
- পুঁজি
- ৳৫ হাজার – ৳৫০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাগজের ঠোঙা ও প্যাকেজিং
বর্জ্য কাগজ কিনে হাতে ঠোঙা বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। খাকি ঠোঙা কেজি ৳১৩৫–১৪০, সাদা ৳৮০; ৬০ কেজি কাগজে সাড়ে ৭ হাজার খরচে ৭০ কেজি ঠোঙা, লাভ ২,৩০০ টাকা।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার – ৳৬০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩ – ১৫ দিন
