মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেপ্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানা · ২০০৭ সালে শুরু

২০০৭ সালে ভারতে গৃহস্থালি প্লাস্টিক রপ্তানি দিয়ে শুরু, এখন ৮০ দেশে; নতুন কারখানায় ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ আরএফএলের

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ২০০৭ সালে ভারতে গৃহস্থালি প্লাস্টিক পণ্য পাঠিয়ে রপ্তানি শুরু করে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৪ কোটি ডলারের প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি করেছে। গাজীপুরের কালীগঞ্জে ২০০ কোটি টাকার নতুন গৃহস্থালি প্লাস্টিক কারখানা চালুর আগেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬০ লাখ ডলারের ক্রয়াদেশ পেয়েছে তারা।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানির অভিজ্ঞতা দেড় যুগের। ২০০৭ সালে ভারতে গৃহস্থালি প্লাস্টিক পণ্য পাঠিয়ে তারা এই খাতে রপ্তানি শুরু করে; এখন তাদের প্লাস্টিক পণ্য যায় বিশ্বের ৮০টি দেশে, আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছে ৪ কোটি ডলারের। এত দিন মূলত ইউরোপে রপ্তানি করলেও এবার তারা যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর আমেরিকার বাজার ধরতে চায়। কোম্পানির কর্মকর্তাদের যুক্তি, সেখানে মানুষ প্লাস্টিক পণ্য অল্প সময় ব্যবহার করে আবার নতুন কেনে; আর চীনে খরচ বাড়ায় এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে ক্রয়াদেশ আশপাশের দেশে সরবে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অনেক বিনিয়োগকারী হাত গুটিয়ে থাকলেও গ্রুপটি গাজীপুরের কালীগঞ্জে আরএফএল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে ২০০ কোটি টাকায় রপ্তানিমুখী প্লাস্টিক কারখানা করছে। সেখানে বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যের পাশাপাশি খেলনা ও পোষা প্রাণীর পণ্য তৈরি হবে। ভবনের কাজ শেষ, যন্ত্রপাতির জন্য প্লাস্টিক মেশিনারি নির্মাতা হাইতিয়ান গ্রুপের সঙ্গে চুক্তির কথা ছিল; উৎপাদন শুরুর লক্ষ্য এপ্রিল-মে। কারখানা চালুর আগেই যুক্তরাষ্ট্রের এক ক্রেতার কাছ থেকে ৬০ লাখ ডলার বা ৭৩ কোটি ২০ লাখ টাকার ক্রয়াদেশ এসেছে। নতুন কারখানায় বছরে ৪ কোটি ২০ লাখ ডলারের পণ্য উৎপাদন করা যাবে, কাজ পাবেন আড়াই হাজার মানুষ। তুলনার জন্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশ থেকে মোট প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি হয়েছে ২৪ কোটি ৪৪ লাখ ডলারের।

যা শেখার আছে

  1. ১.গৃহস্থালি প্লাস্টিকে রপ্তানি শুরু করা যায় কাছের একটি বাজার দিয়ে (এখানে ভারত), তারপর ধাপে ধাপে বড় বাজারে যাওয়া যায়।
  2. ২.বড় যন্ত্রপাতিতে টাকা ঢালার আগে ক্রয়াদেশ হাতে থাকলে ঝুঁকি কমে; এখানে কারখানা চালুর আগেই ৬০ লাখ ডলারের অর্ডার ছিল।
  3. ৩.ক্রেতা দেশের কেনার অভ্যাস আর বড় প্রতিযোগীর খরচ বদলের খবর রাখুন; সেখান থেকেই নতুন বাজারের সুযোগ আসে।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।