মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেঢাকা ট্রিবিউন বাংলার প্রতিবেদনে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের এক মা ও মেয়ে

গ্রামের মাটির চুলার হাঁসের মাংস ঢাকায়, ছয় মাসে করপোরেট অফিসও ক্রেতা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের এক গ্রাম থেকে এক মা ও মেয়ে মাটির চুলায় রান্না করা দেশি খাবার ফেসবুকের নারী উদ্যোক্তা গ্রুপের মাধ্যমে ঢাকায় বিক্রি করে ছয় মাসে সাড়া পান; সবচেয়ে কঠিন ছিল দূর থেকে ডেলিভারি।

করোনার সময় ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা দুই নতুন অনলাইন খাদ্য উদ্যোক্তার কথা তুলে ধরে। তাঁদের একজন ৫০ বছর বয়সী এক নারী, যিনি মেয়ের উৎসাহ ও সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের একটি গ্রামের বাড়িতে রান্না করে ঢাকায় খাবার বিক্রি শুরু করেন। সংসারের জন্য নিজের একটি আয়ের উৎস তাঁর খুব দরকার ছিল।

তাঁদের বেশির ভাগ ক্রেতা এসেছে ফেসবুকের একটি বড় নারী উদ্যোক্তা গ্রুপ থেকে; মা-মেয়ের মতে, গ্রুপে যুক্ত হওয়ার পর ব্যবসা গোছানোও সহজ হয়েছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ হাঁসের মাংস — বাজার থেকে এনে সঙ্গে সঙ্গে মাটির চুলায় রান্না করে ক্রেতার কাছে পাঠানো হয়। এ ছাড়া নকশি পিঠা, হাতে ভাজা মুড়ি, মাটির চুলায় দেশি মুরগি ও গরুর মাংস ভুনা বানান। মাত্র ছয় মাসেই ভালো সাড়া মেলে; কিছু ক্রেতা নিয়মিত কেনেন, আর বাসাবাড়ির বাইরে কয়েকটি বড় করপোরেট অফিসও ক্রেতা হয়েছে।

শুরুতে সবচেয়ে বেশি বেগ পেতে হয়েছে ডেলিভারি নিয়ে, কারণ গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকার নানা প্রান্তে খাবার পাঠাতে হয়। ডেলিভারিম্যান না পারলে স্নাতকোত্তর পাস মেয়ে নিজেই অর্ডার পৌঁছে দেন। শুরুর দিকে অনেক কটূক্তিও শুনতে হয়েছে তাঁদের।

যা শেখার আছে

  1. ১.মাটির চুলা, দেশি হাঁস-মুরগির মতো 'গ্রামের' স্বাদই শহরের ক্রেতার কাছে আপনার আলাদা পরিচয় হতে পারে।
  2. ২.বড় অনলাইন উদ্যোক্তা গ্রুপে যুক্ত হলে প্রথম ক্রেতা পাওয়া আর ব্যবসা গোছানো সহজ হয়।
  3. ৩.দূর থেকে রান্না করা খাবার পাঠালে ডেলিভারির বিকল্প ব্যবস্থা রাখুন — না হলে অর্ডার আটকে যায়।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।