মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ঘরে রান্না করে অনলাইনে বিক্রি

ঘরের রান্নাঘরে বানানো আচার-পিঠা-খাবার ফেসবুক পেজে বিক্রি। এক কৌটা আচার ৳১৫০–৪৬৫। ২০২৬ সালের নতুন নিয়মে প্যাকেটজাত খাবারের নিবন্ধন লাগবে — ৳১,০০০, তিন বছর।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ঘরে রান্না করে অনলাইনে বিক্রি

ঘরে রান্না করে অনলাইনে বিক্রি

শুরুর পুঁজি
৳৫,০০০ – ৳৬০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম বিক্রি
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
১ – ৩ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘরে বসে · সহজ

ব্যবসাটি সম্পর্কে

নিজের রান্নাঘরেই রান্না, আর বিক্রি ফেসবুক পেজ বা হোয়াটসঅ্যাপে। দোকান লাগে না, সাইনবোর্ড লাগে না, কর্মচারীও লাগে না — এই কারণেই কম টাকায় শুরু করা যায়। আচার, পিঠা, নাড়ু, মোরব্বা, কুমড়ার বড়ি, হিমায়িত পরোটা-সমুচা আর অর্ডার ধরে বিরিয়ানি — এগুলোই বেশি চলে। ঢাকার আজিমপুরের নাফিজা হাসান ২০২০ সালের আগস্টে ‘ভোজ’ নামে একটা পেজ খুলে নিজের রান্না বিক্রি শুরু করেন; দুই বছরের মাথায় তাঁর মাসিক আয় লাখ টাকা ছাড়ায়। তিনি নিজেই রাঁধেন, নিজেই ছবি তোলেন, নিজেই পেজ চালান — অন্য কাউকে দিয়ে করানোর টাকা তাঁর ছিল না। দাম কেমন হয়? দারাজে নাম-ঠিকানাসহ বিক্রেতারা ঘরে তৈরি আচার বেচছেন — ৩০০ গ্রামের তেঁতুলের আচার ৳১৮০, ৫০০ গ্রাম ৳২২০, ৪৫০ গ্রামের দেশি রসুনের আচার ৳৪৬৩ (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬)। অর্থাৎ এক কৌটা ৳১৫০ থেকে ৳৪৬৫। কিন্তু সবচেয়ে জরুরি কথাটা কেউ বলে না। নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ — গেজেট হয়েছে ১৬ জুলাই ২০২৬ — প্যাকেটজাত খাবার তৈরি করা সবাইকে নিবন্ধনের আওতায় এনেছে। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। ঘরে বানানো আচার বা পিঠা কৌটায় ভরে নাম দিয়ে বিক্রি করলে এই নিবন্ধন লাগবে। সঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স, আর টিআইএন। অনুষ্ঠানের খাবার সরবরাহ করলে ভ্যাট ১৫ শতাংশ। দেশে প্রতিদিন সাড়ে তিন থেকে চার লাখ পার্সেল যায়, তাই বাজার ছোট নয়। তবু খাবার নষ্ট হয়, ক্যাশ অন ডেলিভারিতে টাকা ফিরতে দেরি হয়, আর পেজের রিচ পড়ে গেলে অর্ডারও পড়ে যায়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৫,০০০ – ৳৩০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১৫০ – ৳৪৬৫ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৭০ – ৳২০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৫৩.৩% – ৫৭%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৭ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১ – ৩ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৩ – ১৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ১২%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০ – ৬০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • গ্যাসের চুলা ও সিলিন্ডার (১২ কেজি ৳১,৫৮৫, বিইআরসি নির্ধারিত, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬), বড় কড়াই, ফ্রিজ বা ডিপ ফ্রিজ, ওজনের পাল্লা, কাচের কৌটা ও প্যাকেট, আর সিল করার যন্ত্র।যন্ত্রপাতি
  • নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ (গেজেট ১৬ জুলাই ২০২৬)। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। প্যাকেটজাত খাবার প্রস্তুতকারী, ক্যাটারিং ও মিষ্টান্ন — সবাই এর আওতায়।লাইসেন্স
  • টিআইএন — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। বিক্রি বাড়লে ভ্যাট নিবন্ধন; ক্যাটারিং সেবায় ভ্যাট ১৫ শতাংশ।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু হয়, বছরে নবায়ন।লাইসেন্স
  • রান্নার মান প্রতিবারে এক রাখা, আর মোবাইলে খাবারের ছবি তোলা ও পেজ চালানো। নাফিজা হাসান ডিজিটাল বিপণনের কোর্স করে নিজেই পেজ চালিয়েছিলেন।দক্ষতা
  • কাঁচাবাজার বা পাইকারি দোকান থেকে নিয়মিত মসলা-তেল-চাল; কৌটা ও প্যাকেটের জন্য চকবাজারের মতো পাইকারি বাজার; আর একটা কুরিয়ার বা ডেলিভারি লোক।সরবরাহকারী
  • নিজের রান্নাঘরই কারখানা — কিন্তু বিক্রির রান্নার জন্য আলাদা চুলা, আলাদা পাত্র আর শুকনা জিনিস রাখার আলাদা তাক দরকার। নিবন্ধনের সময় রান্নাঘর সরেজমিনে দেখা হতে পারে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1ঠিক করুন কী বানাবেন — আচার, পিঠা, না রান্না করা খাবার। আচার ও পিঠা কয়েক দিন থাকে, রান্না করা খাবার একদিনও থাকে না। এই একটা সিদ্ধান্তে পুরো ব্যবসার ঝুঁকি বদলে যায়।
  2. 2রান্নাঘরটা আলাদা করে সাজান — বিক্রির রান্না আর সংসারের রান্না একসঙ্গে চালালে পরিমাণ ও মান দুটোই গোলমাল হয়ে যায়।
  3. 3সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী। ৩–৫ কর্মদিবসে হয়ে যায়।
  4. 4প্যাকেটজাত খাবার বানালে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন নিন — নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। কৌটায় নাম-লেবেল দিয়ে বিক্রি করলে এটা এড়ানো যায় না।
  5. 5এনবিআর থেকে টিআইএন নিন। বিক্রি বাড়লে ভ্যাট নিবন্ধনও লাগবে; অনুষ্ঠানের খাবার সরবরাহে ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ।
  6. 6একটা ফেসবুক পেজ খুলুন, নিজের রান্নার ছবি নিজে তুলুন আর দাম পেজেই লিখে দিন। দাম লুকিয়ে ইনবক্সে পাঠালে অর্ধেক ক্রেতা আর ফেরে না।
  7. 7প্রথম ব্যাচ পরিচিত মানুষের কাছে বেচুন, আর তাঁদের মন্তব্য পেজে দিন। প্রথম ৩০ জন খদ্দেরই পরের তিন শ জন এনে দেয়।
  8. 8কৌটা, লেবেল আর তারিখ ঠিক করুন — কবে বানানো, কত দিন ভালো থাকবে। এটা না লিখলে অভিযোগ এলে উত্তর দেওয়ার কিছু থাকে না।
  9. 9কুরিয়ার বা ডেলিভারি লোক ঠিক করুন আর ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা কত দিনে ফেরত আসে তা লিখিতভাবে জেনে নিন।
  10. 10প্রতি মাসের কাঁচামালের দাম আর বিক্রি খাতায় লিখে রাখুন। তেল-মসলার দাম বছরে দুই অঙ্কে বাড়ে, কিন্তু কৌটার দাম বাড়ানো কঠিন — হিসাব না রাখলে বোঝাই যায় না লাভ কোথায় গেল।
  11. 11রোজা, ঈদ আর শীতের পিঠার মৌসুমের জন্য আগে থেকে কাঁচামাল কিনে রাখুন — এই তিন সময়ে বছরের বড় অংশ বিক্রি হয়।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, প্রবাসী পরিবার বেশি, আর মেজবানি-কালাভুনার মতো নিজস্ব খাবারের আলাদা চাহিদা আছে।
  • খুব উপযোগীঢাকা · ঘন বসতি, ক্রয়ক্ষমতা বেশি, আর কুরিয়ার-ডেলিভারির নেটওয়ার্ক সবচেয়ে ভালো। ঢাকার আজিমপুর থেকে ফেসবুক পেজ চালিয়ে মাসে লাখ টাকার বেশি আয়ের নজির আছে।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানার কর্মী ও চাকরিজীবী পরিবারের ঘনত্ব বেশি, আর ঢাকার কুরিয়ার লাইনে পড়ে।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার গায়ে লাগানো, তাই ঢাকার ক্রেতার কাছে একই দিনে পৌঁছানো যায় — রান্না করা খাবারের জন্য এটাই আসল কথা।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; দইয়ের সুনামের কারণে দুগ্ধজাত পণ্যে পরিচিতি আছে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে, কুরিয়ার সহজ; রসমালাইয়ের নামের কারণে মিষ্টিজাতীয় পণ্যে সুবিধা।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, চিংড়ি ও নারকেলের আচারের নিজস্ব চাহিদা আছে।
  • সম্ভবরাজশাহী · আমের মৌসুমে আমসত্ত্ব, আমের আচার ও মোরব্বার অর্ডার সারা দেশ থেকে আসে।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি; দেশি আচার ও শুকনা খাবারের অর্ডার বিদেশেও যায়।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ গেজেট হয়েছে ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে। এতে প্যাকেটজাত খাবার প্রস্তুতকারীরাও নিবন্ধনের আওতায় এসেছেন — নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, তিন বছর মেয়াদ। ঘরে আচার-পিঠা বানিয়ে কৌটায় নাম দিয়ে অনলাইনে বেচেন যাঁরা, তাঁদের প্রায় কেউই এটা জানেন না। নিবন্ধন ছাড়া ধরা পড়লে জরিমানা হয় — এক সপ্তাহে দেশজুড়ে নিরাপদ খাদ্য আইনে লাখ লাখ টাকার জরিমানা হচ্ছে।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: রান্না করা খাবার একদিনের জিনিস। অর্ডার বাতিল হলে বা ক্রেতা ফোন না ধরলে পুরো রান্নাটাই লোকসান। গরমে আর বিদ্যুৎ গেলে ফ্রিজের মালও নষ্ট হয়। এই কারণেই যাঁরা টিকে যান তাঁরা বেশির ভাগ সময় আচার, নাড়ু, মোরব্বার মতো বেশি দিন থাকা জিনিসে সরে আসেন।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: পুরো ব্যবসাটা একটা ফেসবুক পেজের উপর দাঁড়ানো। পেজের রিচ কমে গেলে, পেজ হ্যাক হলে বা রিপোর্ট খেয়ে বন্ধ হয়ে গেলে একদিনেই সব অর্ডার বন্ধ। ২০২৬ সালের মে মাসে নতুন কৌশলে ৩০ হাজার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অনলাইনে বিক্রির ঘটনা ধরা পড়েছে। খদ্দেরের ফোন নম্বর আলাদা খাতায় না রাখলে পেজ হারালে খদ্দেরও হারায়।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: ক্যাশ অন ডেলিভারিতে মাল আগে যায়, টাকা পরে আসে। কুরিয়ারের হিসাব মিলতে কয়েক দিন লাগে, আর ততক্ষণে পরের ব্যাচের কাঁচামাল কিনতে হয়। বড় অর্ডার নিয়ে টাকা আটকে গেলে ঘরের সংসারের টাকাই ব্যবসায় ঢুকে যায় — এখান থেকেই বেশির ভাগ ঘরোয়া উদ্যোগ বসে যায়।
  • মাঝারিচাহিদা: বিক্রি রোজা, ঈদ আর শীতের পিঠার মৌসুমে হঠাৎ বেড়ে যায়, আর বাকি মাসগুলোয় নেমে যায়। মৌসুমের আয় দিয়ে সারা বছর চালাতে হয়, কিন্তু অনেকে মৌসুমের আয়কেই স্বাভাবিক ধরে নিয়ে বড় করে ফেলেন।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে চাঁদপুরের একজন অনলাইন খাবার বিক্রেতা

৯ হাজার টাকায় শুরু, এখন মাসে আয় ৫০–৬০ হাজার

২০২৩ সালে ৯,০০০ টাকায় ঘরের রান্না অনলাইনে বিক্রি শুরু, প্রথম দফাতেই লাভ ১৫,০০০ টাকা। এক পাউন্ড ভ্যানিলা কেক বানাতে খরচ ২৫০–৩০০ টাকা, বিক্রি ৫৫০ টাকায়; এখন মাসে আয় ৫০,০০০–৬০,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳৯ হাজার
কারণ
চলতি মূলধন, গুছিয়ে হিসাব রাখা

একই রকম আরও ব্যবসা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

পিঠার দোকান

শীতে ফুটপাতে চুলা বসিয়ে ভাপা, চিতই ও পাটিসাপটা বিক্রি। চিতই ৳৫–১০, ভাপা ৳১০–২০; একটি দোকানে দিনে ২৫০–৮০০ পিঠা বিক্রি হয়, কিন্তু বছরে কাজ মাত্র তিন-চার মাস।

পুঁজি
৳৫ হাজার – ৳৬০ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

খই ও বাতাসা তৈরি

ধান ভেজে খই আর চিনি-গুড় জ্বাল দিয়ে বাতাসা-কদমা বানানো। চিনির পাইকারি ৳১০২–১০৩ কেজি, বাতাসা বিক্রি ৳১৯০–৩০০ কেজি। পুঁজি খুব কম, বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স লাগে না।

পুঁজি
৳১৫ হাজার – ৳১.৫ লাখ
জনবল
২ – ৬ জন
প্রথম আয়
১০ – ৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

জুস ও শরবতের দোকান

গরমের দিনে লেবু, আখ ও বেলের শরবত গ্লাস ৳১০–২৫, লাচ্ছি ৳৫০। ব্যবসা দাঁড়ায় তিনটি জিনিসের উপর: বরফ, বিদ্যুৎ আর একটাই গরম মৌসুম।

পুঁজি
৳১৫ হাজার – ৳৩ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

মুড়ির কারখানা

চাল ভেজে মুড়ি বানিয়ে বিক্রি। এক কেজি চালে মুড়ি হয় ৯০০ গ্রাম, মোটা চাল ৳৫০–৫৫ কেজি — তাই মেশিনের মুড়িতে কেজিতে থাকে ৪–৬ টাকা, আর হাতে ভাজা খাঁটি মুড়ি পাইকারি ৳৯০ কেজি।

পুঁজি
৳২০ হাজার – ৳২ লাখ
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান