বর্গা জমিতে সাগর কলা, দেড় লাখ খরচে বছরে সাড়ে ৩–৪ লাখ আয়ের আশা
কক্সবাজারের মহেশখালীর হোয়ানকের এক পানচাষি বর্গা নেওয়া ১৫০ কড়া জমিতে সাগর কলার বাগান করেন; সব মিলিয়ে দেড় লাখ টাকার মতো খরচ করে বছরে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন।
আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলাপাড়া গ্রামের ৫০ বছর বয়সী এক কৃষক দীর্ঘদিন পান বরজের পাশাপাশি অভাব-অনটনে ছিলেন। পরে বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে ১৫০ কড়া জমি বর্গা নিয়ে সাগর কলার বাগান করেন। প্রতিবেদনের সময় তাঁর বাগানে ৭০০ কলার কাঁদি ঝুলছিল, বাকি গাছে কাঁদি আসতে শুরু করেছিল। পাইকারি দামে কলা কিনতে ব্যবসায়ীরা বাগানেই আসছিলেন। প্রতিবেদনে খরচের হিসাবও আছে: মান অনুযায়ী প্রতিটি চারার দাম ৩০–৪০ টাকা, আর লাগানোর ৯ থেকে ১২ মাসের মধ্যে কলা পাওয়া যায়। একবার চারা লাগালে মা গাছ থেকে জন্মানো চারায় ৩–৪ বছর নতুন করে গাছ লাগাতে হয় না, উল্টো প্রতিটি মা গাছের ৪–৫টি চারা বিক্রি করা যায়। সব মিলিয়ে তাঁর দেড় লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে; সব কলা বিক্রি করে বছরে সাড়ে ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন তিনি। উপজেলায় সেই মৌসুমে ৭ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে কলা চাষ হয়েছিল। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, মহেশখালীর উঁচু জমি কলা চাষের উপযোগী। মনে রাখা দরকার, আয়ের অঙ্কটি চাষির প্রত্যাশা, প্রতিবেদনের সময় পুরো বিক্রি শেষ হয়নি।
যা শেখার আছে
- ১.নিজের জমি না থাকলেও বর্গা জমিতে কলা শুরু করা যায়; একবার লাগানো গাছের চারায় কয়েক বছর চলে বলে পরের বছরগুলোতে খরচ কমে।
- ২.মা গাছের বাড়তি চারা বিক্রি করাও একটি আয়ের উৎস; হিসাবে সেটাও ধরুন।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
