মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

কলা চাষ

বিঘায় ৩৫০–৪০০ গাছ, ফল আসে ১০–১৩ মাসে। গাছপ্রতি খরচ ৳১৫০–২০০, ছড়া বিক্রি ৳৩৫০–৪৫০, আর কৃষি অধিদপ্তরের হিসাবে গাছপ্রতি লাভ ৳১২০–১৮০।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
কলা চাষ

কলা চাষ

শুরুর পুঁজি
৳৩৫,০০০ – ৳৮০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
৩০০ – ৩৯৫ দিন
সরকারি সূত্র
খরচ উঠতে
১০ – ১৫ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

জমিতে গর্ত করে কলার চারা লাগিয়ে ছড়া তোলা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী দেড় থেকে দুই মিটার দূরে দূরে ৬০ সেন্টিমিটারের গর্ত করতে হয়, তাই এক বিঘায় গাছ ধরে ৩৫০ থেকে ৪০০টি। রোপণের ১০ থেকে ১৩ মাসের মধ্যে কলা পরিপক্ব হয় — অর্থাৎ প্রায় এক বছর জমি আটকে থাকে, আয় আসে একবারে। টাঙ্গাইলে একটি গাছ রোপণ থেকে বাজার পর্যন্ত নিতে খরচ হয় ৳১৫০–২০০, আর এক ছড়া বিক্রি হয় ৳৩৫০–৪৫০ টাকায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে আধুনিক পদ্ধতিতে গাছপ্রতি লাভ থাকতে পারে ৳১২০–১৮০। কিন্তু এই ব্যবসার আসল কথা হলো, কাঁচা কলা কেটে ফেললে সেটা পাকাতে হয়। চাষি কাঁচা অবস্থায় ছড়া বিক্রি করে দেন, পাকানোর কাজটা করে পাকানোর ঘর বা চেম্বার — আর দামের বড় অংশটা তৈরি হয় ওই ধাপেই। টাঙ্গাইলের জলছত্র, গারো বাজার আর কুতুবপুর বাজার থেকে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ ট্রাক কলা যায়, যার ৭০–৮০ শতাংশই যায় চট্টগ্রাম বিভাগে। ঝুঁকিও আছে: পানামা রোগ ধরলে গাছ পুড়িয়ে ফেলতে হয় আর ওই জমিতে ৩-৪ বছর কলা করা যায় না, আর ঝড়ে ছড়াসহ গাছ পড়ে গেলে এক বছরের পুরো শ্রম এক রাতেই শেষ।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩,০০০ – ৳৭,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১৮০ – ৳৬০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৭৫ – ৳২০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার২৭% – ৫১%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০০ – ৩৯৫ দিনসরকারি সূত্র
খরচ উঠে আসার সময়১০ – ১৫ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র১৮০ – ৩৯৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ১৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা০.৯ – ১.১সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • সেচের পাম্প ও পাইপ, নালা কাটার সরঞ্জাম, মোচা ঢাকার ছিদ্রযুক্ত পলিথিন ব্যাগ, আর স্প্রে মেশিন।যন্ত্রপাতি
  • রোগমুক্ত তেউড় (চারা) — বিঘাপ্রতি ৩৫০–৪০০টি। আক্রান্ত গাছের তেউড় নেওয়া যাবে না।শুরুর মাল
  • প্রতি গর্তে সার: গোবর ১০ কেজি, ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম, টিএসপি ৪০০ গ্রাম, এমওপি ৬০০ গ্রাম, জিপসাম ২০০ গ্রাম, জিংক সালফেট ১.৫ গ্রাম, বরিক এসিড ২ গ্রাম।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু। নিজের ছড়া হাটে বেচলে সাধারণত লাগে না; কলার আড়ত বা ব্যাপারীর ব্যবসা করলে লাগে।লাইসেন্স
  • তেউড় বাছাই, মোচা আসার পর একটি তেউড় রাখা, আর ঠিক সময়ে কাঁচা অবস্থায় ছড়া কাটা। আগে কাটলে পাকে না, দেরি করলে পথেই পেকে নষ্ট হয়।দক্ষতা
  • কলার হাট ও ব্যাপারী; পাকানোর ঘর বা চেম্বারের মালিক। টাঙ্গাইলের জলছত্র, গারো বাজার (মধুপুর) ও কুতুবপুর বাজার (সখীপুর) বড় হাট।সরবরাহকারী
  • উঁচু, রোদ পাওয়া ও পানি নিষ্কাশনের সুবিধাযুক্ত দো-আঁশ জমি। দেড়-দুই মিটার দূরত্বে গর্ত করায় এক বিঘায় গাছ বসে ৩৫০–৪০০টি।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1উঁচু, রোদ পাওয়া আর পানি নিষ্কাশনের সুবিধাযুক্ত উর্বর দো-আঁশ জমি নিন। বর্ষায় পানি জমলে গোড়া পচে যায়।
  2. 2আগের বছর ওই জমিতে কলা বা পানামা রোগ ছিল কি না জেনে নিন। আক্রান্ত জমিতে ৩-৪ বছর কলা করা যায় না।
  3. 3জমি গভীর করে চাষ দিন, তারপর দেড় থেকে দুই মিটার দূরে দূরে ৬০ × ৬০ × ৬০ সেন্টিমিটারের গর্ত করুন — রোপণের অন্তত এক মাস আগে।
  4. 4গর্তে গোবর ও টিএসপি মিশিয়ে বন্ধ করে রাখুন। প্রতি গর্তে গোবর ১০ কেজি, ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম, টিএসপি ৪০০ গ্রাম, এমওপি ৬০০ গ্রাম, জিপসাম ২০০ গ্রাম, জিংক সালফেট ১.৫ গ্রাম ও বরিক এসিড ২ গ্রাম লাগে।
  5. 5রোগমুক্ত বাগান থেকে তেউড় নিন। আক্রান্ত গাছের তেউড় লাগালে পানামা রোগ নতুন জমিতে চলে যায়।
  6. 6আশ্বিন-কার্তিক (মধ্য-সেপ্টেম্বর থেকে মধ্য-নভেম্বর) বা মাঘ-ফাল্গুনে (মধ্য-জানুয়ারি থেকে মধ্য-মার্চ) চারা লাগান।
  7. 7শুকনো মৌসুমে ১৫–২০ দিন পর পর সেচ দিন আর বর্ষায় নালা কেটে পানি বের করে দিন।
  8. 8মোচা আসার আগে গোড়ার সব তেউড় কেটে দিন, মোচা আসার পর শুধু একটি তেউড় রাখুন। এতে ছড়া বড় হয়।
  9. 9মোচা বেরোনোর সময় ছিদ্রযুক্ত পলিথিন ব্যাগ পরিয়ে দিন। বিটল পোকা কচি কলার গায়ে দাগ ফেলে দেয় আর দাগওয়ালা কলার বাজারদর পড়ে যায়।
  10. 10গায়ের শিরা তিন-চতুর্থাংশ পুরো হলে কাঁচা অবস্থাতেই ছড়া কাটুন। কাটার পর কাঁদি শক্ত জায়গায় বা মাটিতে রাখবেন না — কালো দাগ পড়ে আর পাকার সময় ওই জায়গা আগে পচে।
  11. 11কাঁচা ছড়া হাটে বা ব্যাপারীর কাছে দিন — পাকানোর কাজ করে পাকানোর ঘর বা চেম্বার। টাঙ্গাইলের জলছত্র, গারো বাজার ও কুতুবপুর বাজার থেকে প্রতিদিন ২০–৩০ ট্রাক কলা যায়।
  12. 12কোন ব্যাপারী কবে টাকা দেন তা লিখে রাখুন। ছড়া একবার ট্রাকে উঠে গেলে ফেরত আনার উপায় থাকে না, তাই বাকির শর্ত আগে ঠিক করুন।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · ক্রেতার দিক। টাঙ্গাইল থেকে যাওয়া কলার ৭০–৮০ শতাংশই যায় চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে — অর্থাৎ দেশের সবচেয়ে বড় কলার বাজার এখানেই।
  • খুব উপযোগীঝিনাইদহ · ২০২১ সালে ৫,৮০৫ হেক্টরে কলা। শৈলকুপায় আবাদ ঘন, আর জাতভেদে ছড়ার দাম আলাদা — সাগর ৳১৮০–২২০ থেকে ধুপছায়া ৳৫০০–৬০০।
  • খুব উপযোগীকুষ্টিয়া · ভেড়ামারা ও দৌলতপুরের নদীর চরে কলা হয় — এক চাষিই ১,১০০ বিঘায় আবাদ করেন, বছরে লেনদেন ২–৩ কোটি টাকা, প্রতিদিন গড়ে ৯৫ জন শ্রমিক কাজ করেন। পড়ে থাকা চরের জমি কাজে লাগে।
  • খুব উপযোগীনরসিংদী · দেশখ্যাত সাগর কলার এলাকা — ২০২২ সালে জেলায় ২,৩০০ হেক্টরে কলা, তার মধ্যে ১,৭০০ হেক্টরেই সাগর কলা, আর চাম্পা ৩৫০, সপরী ১৭০ ও গেরা ৪০ হেক্টর। পলাশের শিলমান্দি এলাকায় আবাদ ঘন।
  • খুব উপযোগীটাঙ্গাইল · ২০২৩ সালে জেলায় ৪,৬৬৭ হেক্টর — মধুপুরেই ২,৩৫৫ আর ঘাটাইলে ৯৫০ হেক্টর। জলছত্র, গারো বাজার ও কুতুবপুর বাজার থেকে প্রতিদিন ২০–৩০ ট্রাক কলা বের হয়।
  • সম্ভবঢাকা · সবচেয়ে বড় ভোক্তা বাজার আর পাকানোর ঘরগুলোও এখানে। ১৬-০৯-২০২৬ তারিখে ঢাকার অনলাইন খুচরায় ৪টি সাগর কলা ৳৫৫, ৪টি চাম্পা ৳২৯ ও ৪টি কাঁচা কলা ৳৫৫।
  • জানা নেইবগুড়া · উত্তরের বড় ফলের আড়তের জেলা হিসেবে পরিচিত, তবে এখানকার কলার আবাদ ও দরের কোনো দলিল এই গবেষণায় পাওয়া যায়নি।
  • জানা নেইযশোর · কলা চাষের এলাকা হিসেবে পরিচিত, তবে এখানকার হেক্টর ও ছড়ার দর যাচাই করা যায়নি।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিঅন্যান্য: পানামা রোগ। ছত্রাকজনিত এই রোগে পাতা হলুদ হয়ে ঝুলে পড়ে আর শেষে গাছ মরে যায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্দেশ হলো আক্রান্ত গাছ গোড়াসহ তুলে পুড়িয়ে ফেলা, আক্রান্ত গাছের তেউড় না লাগানো, আর ওই জমিতে ৩-৪ বছর কলা না করা। অর্থাৎ একবার রোগ ধরলে শুধু এ বছরের ফসল নয়, জমিটাও কয়েক বছরের জন্য হাতছাড়া।
  • বেশিঅন্যান্য: ঝড়ে গাছ পড়ে যাওয়া। কলাগাছ লম্বা আর ভেতরে নরম; ছড়া ধরার পর মাথা ভারী হয়ে যায়, তখন এক রাতের ঝড়ে সারি সারি গাছ পড়ে যেতে পারে। রোপণের পর ১০–১৩ মাস অপেক্ষা করে ঠিক শেষ ধাপে এসে ফসল হারানোর ঝুঁকিটা এখানেই সবচেয়ে বেশি, আর পড়ে যাওয়া গাছ আর দাঁড় করানো যায় না।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: কাঁচা ছড়া কাটার পর সময় খুব কম। শক্ত জায়গায় বা মাটিতে রাখলেই কালো দাগ পড়ে, আর পাকার সময় ওই অংশ আগে পচে যায়। বিটল পোকার দাগ থাকলেও দাম পড়ে যায়। ছড়া একবার ট্রাকে উঠলে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই পেকে গেলে পুরো চালানের দাম নেমে আসে।
  • বেশিচলতি মূলধন: এক বছর জমি আটকে থাকে, আয় আসে একবারে। ১০–১৩ মাস ধরে সার, সেচ আর মজুরির টাকা দিতে হয় কিন্তু কোনো আয় নেই। বিঘাপ্রতি এক মৌসুমে ৳৩০,০০০–৩৫,০০০ (২০২১) থেকে গাছপ্রতি ৳১৫০–২০০ (২০২৩) খরচ হয় — এই পুরো টাকা ফেরত আসে শুধু প্রথম ছড়া কাটার পর।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: ব্যাপারী ও আড়তদারের কাছে টাকা আটকে থাকে। টাঙ্গাইলের হাট থেকে প্রতিদিন ২০–৩০ ট্রাক কলা যায় আর তার ৭০–৮০ শতাংশই যায় চট্টগ্রাম বিভাগে — অর্থাৎ ক্রেতা অনেক দূরের। মাল একবার ট্রাকে উঠে গেলে চাষির হাতে দরকষাকষির কিছু থাকে না। বাকির শর্ত আগে না লিখলে টাকা আদায়ে সময় লাগে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার একজন কলাচাষি

৯৩ হাজার টাকায় এক একর কলা, সাত মাসে বিক্রি আড়াই লাখ

প্রবাস থেকে ফিরে ২০২৪ সালের জুনে এক একরে ৩২০টি চারা — চারায় ১৩,০০০ আর শ্রমিক, সার, কীটনাশক ও সেচে ৮০,০০০ টাকা। ১০ মাসে ফলন, সাত মাসে বিক্রি প্রায় ২,৫০,০০০ টাকা, মাসে লাভ ৩০–৪০ হাজার।

পুঁজি
৳৯৩ হাজার
চলেছে
১০ মাস
কারণ
চলতি মূলধন, চাহিদা কম

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

কোয়েল পাখি পালন

খাঁচায় কোয়েল পালন। ৩৫–৪৫ দিনে ডিম শুরু, ডিমের খরচ ৳১.২০ আর পাইকারি দর ৳২.৮০–৩.৫০। তবে বাজার ছোট — বড় আয় আসে বাচ্চা বিক্রি থেকে।

পুঁজি
৳৩৫ হাজার – ৳২.৫ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৩৫ – ৪৯ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

তরমুজ চাষ

উপকূলের তিন মাসের ফসল। বিঘায় খরচ ৳৩০–৩৫ হাজার, ভালো বছরে বিঘায় বিক্রি ৳৮০ হাজার–১ লাখ, কিন্তু বিক্রির জানালা মাত্র দুই সপ্তাহ।

পুঁজি
৳৩৫ হাজার – ৳৩.৫ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৯০ – ১২০ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
কৃষি ও খামার

গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ

ডিসেম্বরে রোপণ, এপ্রিল-জুনে বিক্রি। বিঘায় খরচ ৳৭০–৮০ হাজার, ফলন ৩০০–৪০০ মণ, মণপ্রতি ৳১,০০০–১,৮০০, আর দিনাজপুরের গাবুরা বাজারে দিনে ৩–৪ কোটি টাকার কেনাবেচা।

পুঁজি
৳৩৫ হাজার – ৳১.৬ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৯০ – ১২০ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
কৃষি ও খামার

ভেড়া পালন

মাঠে ও চরে ঘাস খাইয়ে ভেড়া পালন। ২০২৬ সালের কোরবানির আগে জয়পুরহাটে এক খামারি ২৬টি ভেড়া বিক্রি করেছেন ৳২,৩০,০০০ টাকায় — গড়ে প্রতিটি প্রায় ৳৮,৮০০।

পুঁজি
৳৩০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
১৮০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান