মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে সেন্ট মার্টিনের একজন আবাসিক হোটেল মালিক

এক মাসে একজন অতিথিও আসেননি, সাতজন কর্মী ছাঁটাই — জাহাজ বন্ধ হতেই দ্বীপের মৌসুম শেষ

১৬ নভেম্বর থেকে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ বন্ধ হয়ে যায় মৌসুমের মাঝখানেই। এই হোটেলে এক মাসে কোনো অতিথি আসেননি, সাতজন কর্মী ছাঁটাই করতে হয়েছে; দ্বীপের ৩৬টি আবাসিক হোটেল আর ৪০টি কটেজ-বাংলো সব বন্ধ।

রাজনৈতিক অস্থিরতা আর অবরোধের কারণে ১৬ নভেম্বর থেকে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, আর সেটি ঘটে মৌসুমের ঠিক মাঝখানে। দ্বীপের এই হোটেলের মালিক জানিয়েছেন, তাঁর ভাষায়, "গত এক মাসে এই হোটেলে কোনো অতিথি আসেননি" — বাধ্য হয়ে তিনি সাতজন কর্মী ছাঁটাই করেছেন। পাশের আরেকটি হোটেল অতিথির অভাবে ২০ দিন ধরে বন্ধ ছিল। দ্বীপের ৩৬টি আবাসিক হোটেল আর ৪০টি কটেজ ও বাংলো সবই বন্ধ হয়ে যায়, সঙ্গে বন্ধ হয় ৬০টিরও বেশি রেস্তোরাঁ। ১২০টি পর্যটননির্ভর প্রতিষ্ঠান থেকে ৬০০-এর বেশি কর্মী ছাঁটাই হন, ৩০০-এর বেশি ভ্যানচালক কাজ হারান আর পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ৫ হাজার মানুষ বেকার হয়ে পড়েন; রুটের পাঁচটি জাহাজ প্রায় এক মাস বসে ছিল। দ্বীপের হোটেল বছরের আয় তোলে অল্প কয়েকটি মাসে, তাই এই সপ্তাহগুলো হারানো মানে মাস নয়, গোটা বছরটাই হারানো।

যা শেখার আছে

  1. ১.দ্বীপের হোটেল গোটা বছরের আয় তোলে অল্প কয়েকটি মাসে — সেই সপ্তাহগুলো হারানো মানে মাস নয়, বছরটাই হারানো
  2. ২.ঝুঁকিটা ব্যবসার বাইরে — জাহাজ বন্ধ থাকলে খোলা ও কর্মী রাখা হোটেলেও কেউ আসে না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।