মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা শিখেছিটাঙ্গাইলের সখীপুরের এক খাদ্য কারখানার মালিক

খাদ্য উৎপাদনের অনুমতি ছাড়া রং মেশানো টমেটো সস: সখীপুরের কারখানাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা, কারখানা বন্ধ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে একটি কারখানা দীর্ঘদিন ধরে রং ও রাসায়নিক মিশিয়ে টমেটো সস, জুস, লাচ্ছি ও চানাচুর বানিয়ে বাজারে দিচ্ছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত কারখানা বন্ধ করে দেয়।

দেশ রূপান্তরের সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার প্রতিমাবংকী পূর্বপাড়া এলাকার একটি খাদ্য কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। অভিযোগ ছিল, কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার-অনুপযোগী রং মেশানো বিপুল পরিমাণ টমেটো সস, সঙ্গে জুস, লাচ্ছি, চানাচুরসহ নানা ভেজাল ও নকল পণ্য তৈরি করে বাজারজাত করছিল; পণ্যে নানা ধরনের কেমিক্যাল ও রং মেশানো হচ্ছিল। কারখানার মালিক আদালতের কাছে দায় স্বীকার করেন। জানা যায়, এর আগেও তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মুখোমুখি হয়ে জরিমানা দিয়েছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, কারখানাটি খাদ্য উৎপাদনের কোনো অনুমতিপত্র দেখাতে পারেনি; এটিসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। খাদ্য উৎপাদনের অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং বিপুল পরিমাণ নকল পণ্য ধ্বংস করা হয়। অর্থাৎ জরিমানার টাকার পাশাপাশি জমানো মাল আর উৎপাদনের দিনগুলোও হারাতে হয়েছে।

যা শেখার আছে

  1. ১.সস বা কেচাপ কারখানা চালুর আগে খাদ্য উৎপাদনের অনুমতি নিন; অনুমতি না থাকলে জরিমানার সঙ্গে কারখানাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
  2. ২.খরচ কমাতে অনুমোদনহীন রং বা রাসায়নিক মেশালে পুরো মজুত পণ্য ধ্বংসের ঝুঁকি থাকে; একবার ধরা পড়ার পর আবার একই কাজ করলে ক্ষতি বাড়ে।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।