মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার সাঁথিয়ার পেঁয়াজ আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা

মণে দাম ৫ হাজার ছাড়াল, অথচ আড়তে পেঁয়াজই নেই

সাঁথিয়ায় দশ দিনে পেঁয়াজের দাম মণে ৩,২০০–৩,৪০০ থেকে ৫,০০০–৫,৪০০ টাকায় ওঠে, কিন্তু সরবরাহ বন্ধ — ১০ ট্রাকের হাটে এল আধা ট্রাক।

পাবনার সাঁথিয়ার করমজা চতুরহাট আর বোয়ালমারীর পেঁয়াজের বাজারে দশ দিনের মধ্যে মণপ্রতি দাম ৩,২০০–৩,৪০০ টাকা থেকে উঠে যায় ৫,০০০–৫,৪০০ টাকায়, যার ১,৫০০–১,৬০০ টাকা বেড়েছে শেষ তিন দিনেই। কিন্তু মজুতদারেরা মাল ছাড়া বন্ধ করে দেওয়ায় সরবরাহ শুকিয়ে যায় — যে হাটে সাধারণত ১০ ট্রাকে প্রায় ১৫০ টন পেঁয়াজ আসে, সেই মঙ্গলবার এল আধা ট্রাক, আর ১০–১২টি আড়ত একটি পেঁয়াজও পায়নি। এক ব্যবসায়ী সারা হাটে কিনতে পেরেছেন মাত্র ১৫ বস্তা; এক আড়তদারের গুদাম পুরো খালি। দাম ওঠায় আড়তের লাভ হয়নি, কারণ কেনার মালই ছিল না। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে হাটের শ্রমিকদের — যাঁদের দিনে ৭০০–৮০০ টাকা আয়ের দিন সেদিন নেমেছে ১০০–১৫০ টাকায়। জেলায় মজুত ছিল প্রায় ১২,০০০ টন, যার ৯,০০০ টনের মতো ব্যবহারযোগ্য।

যা শেখার আছে

  1. ১.দাম বাড়লেই আড়তের লাভ হয় না — কেনার মাল না থাকলে দাম ওঠার দিনেও আয় শূন্য
  2. ২.মজুতদারের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করলে সরবরাহ বন্ধ হওয়ার দিনেই ব্যবসা থেমে যায়, আর শ্রমিকের আয় আগে মার খায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।