মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার সাঁথিয়ার কচুরিপানার হস্তশিল্পের একজন উদ্যোক্তা দম্পতি · ২০২০ সালে শুরু

দিনে ৫০–৬০ মণ কচুরিপানা, খরচ বাদে মাসে ৩০–৪০ হাজার টাকা

ঢাকার এক ক্রেতার কাছে কচুরিপানার পণ্য দেখে ২০২০ সালে শুরু। এখন দিনে ৫০–৬০ মণ কাঁচা কচুরিপানা কেনা হয় মণপ্রতি ১০০–১২০ টাকায়; খরচ বাদে মাসে থাকে ৩০,০০০–৪০,০০০ টাকা, কাজ করেন ৬০–৭০ জন।

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার খেতুপাড়া ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের এই দম্পতি ঢাকায় বেতের পণ্য কিনতে গিয়ে দেখেন, কচুরিপানা দিয়েও পণ্য তৈরি হচ্ছে; ২০২০ সাল থেকে তাঁরা নিজেরাই কচুরিপানা সংগ্রহ করে শুকিয়ে ফুলের টব, ফলের ঝুড়ি, মাদুর, ফুলদানি, ট্রে আর আয়নার ফ্রেম বানানো শুরু করেন। এখন দিনে ৫০–৬০ মণ কাঁচা কচুরিপানা কেনা হয় মণপ্রতি ১০০–১২০ টাকায়, আর শুকনো কচুরিপানা ৫–৭ মণ কেনা হয় মণপ্রতি ১,০০০–১,৮০০ টাকায়। গ্রামের নারীরা কাজের হিসাবে মজুরি পান — ফুলের টবে ৪০–১০০ টাকা, ফলের ঝুড়িতে ১০০–২৫০ টাকা, আয়নার ফ্রেমে ৪০০–৪২০ টাকা আর অন্য পণ্যে ৩০–৭০ টাকা; ৬০–৭০ জন নিয়মিত কাজ করেন, আর ১৫টি গ্রামের অন্তত ৩০০ পরিবার এই কাজে যুক্ত। খরচ বাদে দম্পতির হাতে থাকে মাসে ৩০,০০০–৪০,০০০ টাকা। তৈরি পণ্য যায় ঢাকার একজন রপ্তানিকারকের কাছে, সেখান থেকে ইউরোপ ও আমেরিকার অন্তত আটটি দেশে; এলাকায় এই কাজের লেনদেন বছরে দেড় থেকে দুই কোটি টাকা। পুঁজির অভাবেই কাজটা আর বড় করা যাচ্ছে না বলে তাঁরা জানিয়েছেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.পুরো উৎপাদন ঢাকার একজন রপ্তানিকারকের হাতে যায় — আগে ক্রেতা ঠিক করে নিয়ে তারপর উৎপাদন বাড়ানোই এখানে নিয়ম
  2. ২.কারখানা না তুলে গ্রামের নারীদের কাজের হিসাবে মজুরি দিলে উৎপাদন বাড়ে, অথচ স্থায়ী খরচ বাড়ে না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।