মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা শিখেছিদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে যশোরের একটি সেমাই কলের মালিক

২০ লাখ টাকা ঋণে সেমাই কল বড় করা, তারপর চাহিদা কমে বন্ধের পথে

যশোরের একটি খোলা সেমাইয়ের কল প্রথম বছরের ভালো ব্যবসা দেখে ২০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে বড় করে। পরের বছর থেকে খোলা সেমাইয়ের চাহিদা কমে, তারপর করোনা; এখন ঋণে জর্জরিত হয়ে কলটি বন্ধ হতে বসেছে।

যশোরের শেখহাটি হাইকোর্ট মোড়ে প্রায় ছয় বছর আগে একটি সেমাই কল চালু হয়, যেখানে হাতে তৈরি খোলা সেমাই হতো। প্রথম বছর ব্যবসা ভালো হওয়ায় বড় পরিসরে উৎপাদনে যেতে মালিক ২০ লাখ টাকা ঋণ নেন। কিন্তু পরের বছর থেকেই বাজারে খোলা সেমাইয়ের চাহিদা কমতে থাকে, এরপর আসে করোনা। প্রতিষ্ঠানটি আর দাঁড়াতে পারেনি; এখন অল্প কয়েকজন শ্রমিক দিয়ে শুধু অর্ডার পেলে উৎপাদন হয়। মালিকের কথায়, ভাজা ও লাচ্ছা সেমাইয়ের চাহিদা বেশি থাকায় খোলা সেমাই আগের মতো বিক্রি হয় না, আর উৎপাদন খরচ বেড়েছে কয়েকগুণ। একই শহরের আরেকটি মিলের ব্যবস্থাপক জানান, রমজানে দিনে গড়ে ১,০০০ কেজি বিক্রি হতো, এখন নেমেছে ৪০০–৫০০ কেজিতে। এক কেজি খোলা সেমাই পাইকারি বিক্রি হয় ৪৫–৫০ টাকায়, অথচ উৎপাদন খরচ ৪২–৪৮ টাকা, তার ওপর বাকিতে বিক্রি। প্রতিবেদন অনুযায়ী যশোরে পাঁচ বছরে ২৫টির বেশি হাতে তৈরি সেমাইয়ের কারখানা বন্ধ হয়েছে, কারণ বাজারের বেশির ভাগ চলে গেছে বড় কোম্পানির প্যাকেটজাত সেমাইয়ের দখলে।

যা শেখার আছে

  1. ১.এক বছরের ভালো বিক্রি দেখে বড় ঋণ নিয়ে সম্প্রসারণের আগে বাজার কোন দিকে যাচ্ছে (খোলা থেকে প্যাকেট ও লাচ্ছা) তা যাচাই করুন।
  2. ২.কেজিতে ২–৮ টাকার লাভ আর বাকিতে বিক্রি মিলে খোলা সেমাইয়ে খরচ সামান্য বাড়লেই লোকসান হয়; হিসাব করে দাম ও বাকির সীমা ঠিক করুন।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।